টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

পেকুয়ায় সংঘর্ষ আহত- ২: থানায় আটকে পেঠালেন সেই বিতর্কিত এসআই শফিক

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩
  • ৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

IMG_1668টেকনাফ নিউজ ডটকম/ ১৮ জুলাই:::কক্সবাজারের পেকুয়ায় একটি মামলার চার্জসীট থেকে বাদ দেওয়ার বিষয় নিয়ে দাবীকৃত ঘুষ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবার নিরাপরাধ যুবককে থানায় আটকে ব্যাপক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালালেন সেই বিতর্কিত এস আই শফিকুর রহমান ভূঁইয়া। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো পেকুয়া থানার ঘুষখোর ও বিতর্কিত এস আই শফিকের অপসারণ দাবীসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন।        প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়ার মৃত আমিরুজ্জানের পুত্র জালাল উদ্দিনকে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পেকুয়া মিয়া পাড়াস্থ তার বাসভবনে একদল পুলিশ নিয়ে হানা দেয় পেকুয়া থানার এস আই শফিকুর রহমান। এসময় কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই জালাল উদ্দিনকে টানা-হেছড়া করে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে তার স্ত্রী ও উজানটিয়া ইউনিয়নের সংরতি ওয়ার্ড়ের মহিলা ইউপি সদস্যা সাহেদা বেগম বাধা দেয়। এসময় এস আই শফিক তাকে টানা-হেছড়া করে লাঞ্চিত করে স্বামী-স্ত্রী দু‘জনকেই থানায় নিয়ে এসে হাজত খানায় আটকে রাখে। কিছুণ পর স্ত্রীকে ছেড়ে দিলেও জালাল উদ্দিনকে প্রায় ৭ ঘন্টা আটকে রেখে তার উপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালায় ওই এস আই। এদিকে স্থানীয়রা খবর পেয়ে পেকুয়া থানায় এসে জালাল উদ্দিনকে বিনা কারণে আটকে রাখায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। পরে জনরোষ এড়াতে এসআই শফিক সন্ধ্যায় জালালকে ছেড়ে দেন। এসময় স্থানীয়রা জালালকে মূমর্ষ অবস্থায় পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত পুলিশের নির্যাতনের শিকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জালালের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।      এদিকে অভিযোগ উঠেছে, জালালকে থানা হাজতে ৭ ঘন্টা আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়ে ক্রান্ত হননি এস আই শফিক। মোটা অংকের উৎকোচ আদায় করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা পুলিশের ভূমিকার তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে দায়ী পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণসহ শাস্তি দাবী করেছেন। নির্যাতনের শিকার জালালের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচও নিয়েছেন এসআই শফিক।          পুলিশের নির্যাতনের শিকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে সাড়ে ৮টার দিকে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, পূর্ব শত্র“তার জের ধরে পেকুয়া সিকদার পাড়ার জনৈক দিদারুল ইসলাম সিকদার বাদী হয়ে তাকে ২টি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়। মামলা ২টির তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শফিক তাকে মামলার অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সম্প্রতি ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবী করে। তিনি আরো জানালেন, মামলা থেকে রেহাই পেতে ওই এসআইকে ১৬ হাজার টাকা দেন। কিন্তু তার কাছ থেকেও টাকা নিলেও মামলাগুলোতে বাদ দেয়নি। উল্টো বাদীর কাছ থেকে মোটা অংকে ম্যানেজ হয়ে তাকে অভিযুক্ত করেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন।       জানা যায়, এর কিছুদিন পর ভূক্তভোগী জালাল এ ঘটনা জানতে পেরে হতবাক হয়ে যান। পরে আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা ২টির জামিন নেন। এদিকে এসআই শফিকের সাথে যোগাযোগ করে তার দেওয়া ১৬ হাজার টাকা ফেরৎ চান। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। ঘটনার দিন মামলায় জামিনে থাকার পরেও এস আই শফিক বাদীকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় জালালের বাসভবনে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী দু‘জনকেই থানায় নিয়ে আসে।   এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে পেকুয়া থানার এস আই শফিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই কোন কথা বলতে রাজি হননি।    তবে পেকুয়া থানার ওসি এম, মাঈন উদ্দিন আহমেদ নির্যাতনের শিকার জালালকে এসআই শফিক কর্তৃক আটকের কথা স্বীকার করলেও থানা হাজতে নির্যাতনের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। উভয়ের বিষয়টি সমাধান করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।   স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পেকুয়া থানায় গত কয়েক বছর পূর্বে এস আই শফিকুর রহমান যোগদান করেই শুরু করে নানান অপকর্ম। এ এস আইয়ের হাতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, শিক, বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ নানা কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পুলিশ সুপারের নাম ভাঙ্গিয়ে পেকুয়া থানায় অবৈধ প্রভাব বিস্তার করেই যাচ্ছে অব্যাহতভাবে।     কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার আজাদ মিয়া জানান, থানায় আটকে রেখে নির্যাতন চালানো খুবই অপরাধ। আমি খোঁজ নিয়ে পেকুয়া থানার এস আই শফিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোহাম্মদ ফারুক পেকুয়া প্রতিনিধি মোবাইল নং ০১৮১৫-৩৩৫১৬৭ তাং ১৭,০৭,২০১৩

 

পেকুয়ায় দু’পরে সংঘর্ষ আহত ২

পেকুয়া প্রতিনিধি

পেকুয়ায় স্থানীয় দু’পরে মধ্য সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পরে দু’জন আহত হয়েছে। তুচ্ছ ঘটনার রেস ধরে এ ঘটনা সংঘটিত হলেও আহত দু’জন আহতের ঘটনা নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। গত কাল ১৭ জুলাই পেকুয়ার প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে সন্ধ্য্য়া এ ঘটনা ঘটে। আহত তারেকুল ইসলাম (৩৫) গোয়াখালী ও অপর আহত জিয়াবুল করিম (২২) সদর বাইম্যাখালী এলাকার ছবির আহমদের পুত্র বলে জানা গেছে।স্থানীয়রা জানান,এদিন সন্ধ্যায় জিয়াবুল চৌমহনী তার ব্যবসা প্রতিষ্টান থেকে পেকুয়া বাজার হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পূর্বের একটি বিষয় নিয়ে সিএনজি চালক এরশাদের সাথে বাড়াবাড়ি চলছিল। এর জের ধরে ৩য় প তারেকুল ইসলাম অহেতুক জিয়াবুলকে হামলা করে। এ ঘটনায় জিয়াবুল ও তারেক দু’পরেই ২০/৩০জন এ ঘটনায় সংঘঠিত হয়ে উভয়ের মধ্য মারামারি হয়। এ ঘটনায় তারা দু’জনই আহত হয়।পরে দু’জনকেই স্থানীয়রা উদ্বার করে পেক’য়া হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্য উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শহিদুল ইসলাম হিরু, পেকুয়া প্রতিনিধি তারিখ ১৭-০৭-১৩ মোবাইল নং ০১৮১৫-২৩৫০২০॥

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT