টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

পেকুয়ার এক নারী নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপারে নিকট অভিযোগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শহিদুল ইসলাম হিরু,পেকুয়া ::::পেকুয়ার পাহাড়ি জনপদ টইটং সোনাইছড়ি এলাকায় জোসনা আকতার ও তার পরিবার পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। যা নিয়ে প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার জোসনা আকতার তার নিজের ও পরিবারের নিরপত্তা রার নিমিত্তে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।  জানা যায়, চট্রগ্রাম দনি বনবিভাগের অধীন টইটং ইউনিয়নের সংরতি বনাঞ্চল ও রিজার্ভ পাহাড়ে গত কয়েক বছর ধরে সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের অভায়রন্য পরিনত হয়েছে। এখানে সংঘটিত হয়েছে হত্যা, ডাকাতি, নারী ধর্ষন, নারী নির্যাতন,পাহাড়ের গাছ লুটসহ নান অপরাধ কর্মকান্ড।  জানা গেছে সোনাইছড়ি রমিজ পাড়া এলাকার নাজির আহমদের কন্যা জোসনা আকতারকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থানীয় চিহ্নত বখাটে আহমদ ছফা ও নবী হোসেন জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যায়।      পুলিশ সুপার বরাবরে করা জোসনা আকতারের অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে সোনাই ছড়ি এলাকার নুরুল হকের পুত্র আহমদ ছফা ও চকিদার পাড়ার মৃত খুইল্যা মিয়ার পুত্র নবী হোসেন ধর্ষন ও  ডাকাতি মামলার সাজা প্রাপ্ত আসামী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে এসে আবারো অপকর্ম শুরু করেছে। চুরি, ডাকাতি, বন নিধন, নারী নির্যাতনসহ এমন কোন অপরাধ নাই তারা পাহাড়ি এলাকায় সংঘঠিত করছেনা। ১০ জনের একটি সিন্ডিকেট করে ডালার মুখ, রমিজ পাড়া, সংগ্রামীর জুম, চন খুলার জুম, মধুখালী, নাসিরের দোকানসহ প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় সাধারণ জনগনকে জিম্মি করে  এক প্রকার অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের  হুংকারে ওই মহিলা বাড়ি থেকে বের হয়ে থানা ও  প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে  পর্যন্ত দিচ্ছেনা।  যার কারণে ১৯ সেপ্টম্বর কক্সবাজারের পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করে প্রতিকার চেয়েছেন। তাদের গ্রেফতার করে অবৈধ অস্ত্র  উদ্ধার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের হস্তেকেপ কামনা করেছেন।       এই ব্যাপারে ভুক্তভোগি জোসনা আকতার এর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি রমিজ পাড়া এলাকার নুরুল হকের পুত্র আহমদ ছফা  ও চকিদার পাড়ার মৃত খুইল্যা মিয়ার পুত্র নবী হোসেন  সংঙ্গবদ্ধ ৪/৫ জনের একটি ডাকাত দল বিগত ২০০০ইং সালে আমাকে জোর পূর্বক র্ধষন করে। তখনি ওই দুইজন সহ আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলা করি। যার মামলা নং ০৭/৯(১)/৩০ এবং নারী ট্রাইবুল্যান ৭/২০০০। ওই মামলায়  আহমদ ছফা ও নবী হোসেন মামলা চালাকালীন  দীর্ঘদিন পালাতক থাকায় আদালত দোষী সাব্যস্ত করে ৮/১০ বছরের সাজা প্রদান করে। পরবর্তীতে পুলিশ ধৃত করে জেল হাজতে প্রেরন করে। ইতিমধ্য হাইকোর্ট থেকে জামিনে বের হয়ে আবারো শুরু করে নির্যাতন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম। এবং পাহাড়ে  সরকারী বনভূমি অবৈধ দখল করে বসতি স্থাপন করে পাহাড়ে ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের নিয়ে  আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অপকর্ম করে আইন শৃংখলার চরম অবনতি ঘটাচ্ছে। ওই দুই জন জেল ফেরত এসে আমি মামলা করায় আমার পুরো পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি  দেওয়ায় ২ সেপ্টম্বর ১৩ ইং পেকুয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করি।

সাধারণ ডায়েরী করায় আহমদ ছফা গং আরো প্তি হয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে চলতি মাসের ৪ সেপ্টম্বর আমাকে  বাড়িতে এসে ফের ওই ব্যক্তিরা জোরপূর্বক অপহরণ ও ধর্ষনের চেষ্টায়।এ ঘটনায়  ঘটনায় আমি নিজেই বাদী হয়ে আহমদ ছফা ও নবী হোসেনকে অভিযুক্ত করে পরদিন ৫ সেপ্টম্বর কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১০/৩০ তৎসহ ৩৭৯/৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করি। যার সি.পি মামলা নং ৭৬৮/১৩ইং। এ ব্যাপারে আদালত পেকুয়া থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। এ সুযোগে থানায় আসা যাওয়ার পথে তারা আমাকে বার বার অশালীন আচারণসহ বড় ধরণের অঘটনের চেষ্টা চালাচ্ছে। ফলে আমি ও আমার পরিবার তাদের অব্যহত হুমকিতে চরম নিরপত্তাহীনতায় রয়েছি। এরা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী। প্রতিনিয়ত পাহাড়ি এলাকায় বীরদর্পে চলাফেরা করে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আহমদ ছফা ও নবী হোসেন জানান, আমাদের বিরুদ্ধে এ মহিলা মামলা করেছে। তবে এগুলো ষড়যন্ত্র। আমরা সবাই আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে বাদীর সাথে আমাদের বিরোধ নাই।

নিজস্ব প্রতিনিধি মোবাইল ০১৮১৫-২৩৫০২০ তারিখ ২১-০৯-১৩

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT