টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি

পেঁয়াজের ঝাঁঝ অনেক বেড়েছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৩
  • ১১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

psas ঈদের আমেজ আর হরতাল কাঁচা বাজারগুলোতে নিরবতা থাকলেও শুক্রবার কিছুটা সরব দেখা গেছে। হরতালের কারণে মালামাল যথাসময়ে পৌঁছতে না পারায় মাছ, মাংস, সবজিসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। তাই শুক্রবার বাজারে এসে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার সকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে দুই ধরনের পেঁয়াজই গতসপ্তাহ থেকে কমপক্ষে ১০ টাকা করে বেড়েছে। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল ৫২ টাক। দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৪৪ থেকে ৪৫ টাকায়। দেশী রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়।

আমদানি ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদের পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এছাড়া ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমদানি কারকরা বেশি দামে পেঁয়াজ আনছে না। তাই সরবরাহ কমেছে। এতে দামও বেড়েছে। সামনে আরো বাড়তে পারে বলে আগাম জানিয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

এদিকে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। গুরা মরিচ ২০০ এবং হলুদ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দারচিনি ৩৫০ টাকা, এলাচি এক হাজার ৫০০ টাকা, জিরা ৪০০, দেশী মশুর ডাল ১১০, খেসারি ডাল ৫০, অ্যাংকর ডাল ৪৫, মুগ ডাল ১২০ টাকা। সয়াবিন খোলা ১১৬ টাকা, সয়াবিন লিটার ১৩০ টাকা, চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

এদিকে কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। সিম ১০০, ঝিঙ্গা ৪০, মূলা ৩০, আলু ১৮ টাকা, গাজর ৫০, করল্লা ৪০, ঢেড়স ৪০, পটল ৩০, পেঁপে ২০, কচুর লতি ৪০, বরবটি ৪০, টমোটো ১২০, চিচিঙ্গা ৪০, মিষ্টি কুমড়া আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচামাল ব্যবসায়ী আলম জানান, প্রত্যেকটা সবজির ওপর যাতায়াত, দোকান ভাড়া, নিজের শ্রম, কাঁচামাল পচে যাওয়াসহ নানা ধরনের খরচ করতে হয়। ইদানিং পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় সবজির দামও বেড়ে গেছে।

নাজিরশাইল চালের দাম ৫৩ টাক, মিনিকেট ৪৮, লতা আটাশ ৩৭, মোটা ৩৬, পাইজাম ৩৮, জিরা নাজির ৫২, পোলাও ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশের হালি তিন হাজার ২০০ টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশের পিস ১০০০ টাকা, ঝাটকা ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৈ মাছের কেজি ২৫০ টাকা, চন্দনা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা, পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। কাতলা মাছ ৩৫০ ও রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। বড় চিংড়ি এক হাজার ২০০ টাকা, টাকি মাছ ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ ব্যবসায়ী শফিকুল মিয়া বলেন, “ঈদের ছুটি আবার দুই দিন হরতালের কারণে মাছ আসতে পারেনি। আড়তে মাছের চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা মাছের কিছুটা দাম বাড়িয়েছে।”

মাংসের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, খাসির মাংস ৪৫০ টাকা। দেশী মুরগি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ ও লেয়ার মুরগি ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT