টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

পূর্ণিমা তিথির প্রবল জোয়ার, প্লাবন ঝুঁকিতে জেলার চিংড়ি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Image eidgah (2)আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও, কক্সবাজার ### কক্সবাজার জেলাব্যপী চিংড়ি চাষ আবারো সামুদ্রিক জোয়ারজনিত   প্লাবন ঝুঁকিতে পড়েছে। তিন/চার দিন আগে চলতি পূর্ণিমা তিথির জো শুরু হওয়ার সাথে সাথে ক্রমশ বাড়ছে সামুদ্রিক জোয়ারের উচ্চতা। প্রতিদিন দিনের জোয়ারের চেয়ে রাতের জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান জোয়ারের ফলে পুনরায় প্লাবন ঝুঁকিতে পড়ছে কক্সবাজার জেলার উপকুলীয় এলাকার হাজার হাজার একরের চিংড়ি চাষ।  সেই সাথে গত দুই-তিন দিনের অবিরাম বর্ষনের ফলে জেলার নদী খাল সমুহে নেমেছে প্রবল পাহাড়ি ঢল। বাঁকখালী,মাতামুহুরী নদী, ঈদগাঁও নদী, জোয়ারিয়া নালা খাল, কালিরছড়া, নাপিতের ছড়া, খুটাখালী খাল ও উখিয়া রেজু খাল সহ জেলার অপরাপর নদী-খালের মোহনা এলাকায় অবস্থিত চিংড়ি প্রকল্প ও মৎস্য ঘের সমুহ একদিকে পাহাড়ি ঢলের পানি ও অপর দিকে উচ্চ মাত্রার সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে বেড়ি বাধ বিধ্বস্থ হয়ে যেকোন মুহুর্তেই তলিয়ে যেতে পারে। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী, কতুবদিয়া সহ চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলা সহ জেলার বিস্তৃর্ণ এলাকার চার সহশ্রধিক চিংড়ি প্রকল্পে চাষকৃত শত শত কোটি টাকার আহরণযোগ্য চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রয়েছে। এ সব চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ আহরণ ও হিমায়িত করে রপ্তানি করা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে । বর্তমানে চিংড়ি আহরণ মৌসুম চলছে। দুই তিন মাস আগে থেকেই চাষকৃত চিংড়ি পোনা আহরণ উপযোগি হয়েছে এখন। ইতোপূর্বে জেলার উপকূলীয়  বিভিন্ন এলাকার চিংড়ি প্রকল্প সমুহ উচ্চ মাত্রার সামুদ্রিক জোয়ারের সম্মুখিন হয়ে প্লাবনের মুখে পড়লেও উদ্যেক্তা ও চিংড়ি চাষিরা আবারো পোনা মওজুদ করেন। এসব ঘেরে চাষকৃত চিংড়ি  মাস খানেক পরে আহরণ উপযোগি হবে। এমতাবস্থায় চলতি পুর্ণিমা তিথিতে জোয়ারের পানি আরো বৃদ্ধি পেলে বেড়িবাধ ভেঙ্গে ঘের প্লাবিত হয়ে শত শত কোটি টাকা  মুল্যমানের চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ সাগরে ভেসে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত ৪০ বছরের পুরনো বেড়িবাধ ও স্লুইচ গেইট সমুহ বেশী মাত্রার সামুদ্রিক  জোয়ারের চাপ সহ্য করতে পারছেনা। তাই মান্ধাতামলের বেড়িবাধ সংস্কার এখন সময়ের দাবী হয়ে দাড়িয়েছে।  রবিবার ঈদগাঁও নদীর প্রবল ঢলে নদী মোহনায় অবস্থিত উপকোলীয় পোকখালী ও ইসলামপুর ইউনিয়নের অন্তত ১০-১৫ টি চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ ফরাজি পাড়ার চিংড়ি চাষি কামরুল হাসান বায়েজিদ। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতি হান্নান মিয়া বলেন, উপকুলীয় বেড়িবাঁধের নাজুক অবস্থার কথা জানালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা “বরাদ্দ নেই”  বলে দায় সারা জবাব দেন। কক্সবাজার মৎস্য অধিদপ্তর সুত্রে প্রকাশ, জেলায় ৩ হাজার ৮ শত টি চিংড়ি প্রকল্প রয়েছে, যার আয়তন ৬২ হাজার একর।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT