টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবী জোরালো হয়ে উঠছে ঈদগাঁও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে ফাইলবন্দী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৩
  • ১২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও #### ঈদগাঁওতে প্রস্তাবিত ২০ শয্যার মধ্যে অনুমোদিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে ফাইলবন্দী হয়ে পড়ে আছে। এতে করে এলাকার বৃহৎ জনগোষ্ঠী মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর অন্যতম চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এদিকে জেলা সদর থেকে ৩৩কিলোমিটার দূরের বৃহত্তর ঈদগাঁও’র মানুষগুলো জরুরী চিকিৎসা সেবার অভাবে অকাল মৃত্যুর শিকার হচ্ছে প্রায় সময়। জানা যায়, বৃহত্তর ঈদগাঁও’র বিপুল জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে ঈদগাঁওতে একটি ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব যাবতীয় বিধি অনুসরন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠালে স্থানীয় পর্যায়ে যাচাই বাছাই ও জায়গা চুড়ান্ত করার পর সিএমএমইউ দশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে প্রায় এক বছর পূর্বে। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও অদ্যবধি এ সংক্রান্ত ফাইলটি আলোর মুখ দেখেনি। সাবেক সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অজয় ঘোষ এ ব্যাপারে আন্তরিকতার সাথে কাজ করেন এবং তাকে সহযোগিতা করেন ঈদগাঁও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তৎকালীন মেডিকেল অফিসার ঈদগাঁও’র সন্তান ডাক্তার কামরুল আজাদ। জানা যায়, ঈদগাঁওতে একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের চাহিদ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র দিয়েই চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এতে স্বল্প সংখ্যক মানুষ চিকিৎসা সেবার আওতায় এলেও বৃহৎ একটা অংশ দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত রয়েছে। এভাবে চলছে বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ইসলামাবাদ, ইসলামপুর, জালালাবাদ, পোকখালী, চৌফলদন্ডী ও ভারুয়াখালী ইউনিয়নের লাধিক জনগোষ্ঠীর সরকারী চিকিৎসা সেবা প্রদান। এছাড়া ও পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী, রামু উপজেলার ঈদগড় ও রশিদনগর ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষগুলো এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। ফলে ঈদগাঁওতে একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবী জোরালো হয়ে উঠছে। ঈদগাঁও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাবেক মেডিক্যাল অফিসার ও কক্সবাজার সরকারী মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার কামরুল আজাদ জানান, ১০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর ২৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবও দেয়া হয় ৩টি ভবন, ডাক্তার কোয়াটার ও ষ্টাফ কোয়াটার সহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের জন্য। সচেতন যুবক ও জেলা লেখক সোসাইটির সাবেক সভাপতির মতে, অনুমোদন হওয়া হাসপাতালটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদপে নিলে ঈদগাঁও বাসী দ্রুত সময়ে একটি সরকারী হাসপাতাল পাবে।

ঈদগাঁওতে বন মামলার আসামী আটক এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখঃ ২২-০৮-১৩ ইং সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে বন মামলার এক আসামীকে আটক করেছে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। জানা যায়, ২২ আগষ্ট দিবাগত রাত দুইটার দিকে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এস আই ফারুক আহমদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়নের কালিছড়ার সোনা মিয়া পুত্র বন মামলার আসামী হারুনর রশিদ (২৮) কে আটক করে। এ ব্যপারে এএসআই ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ধৃতের বিরুদ্ধে বন মামলা, জি-আর মামলা সহ পাঁচটি মামলার রয়েছে বলে জানান। ——————-  জেলাব্যাপী প্রবল জোয়ার  চৌফলদন্ডী- পোকখালীর ডজনাধিক চিংড়ি ঘের প্লাবিত এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখঃ ২২-০৮-১৩ ইং জেলাব্যাপী চিংড়ি চাষ সামুদ্রিক জোয়ার জনিত প্লাবন সৃষ্টি হলেও সদরের উপকুলীয় এলাকা চৌফলদন্ডী-পোকখালীর ডজনাধিক চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান জোয়ারের ফলে পুনরায় প্লাবনে পড়েছে জেলার উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার একরের চিংড়ি চাষ। সে সাথে গত বেশ কিছুদিনের টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার নদী,খাল সমূহে নেমেছে প্রবল পাহাড়ি পানির ঢল। বাঁকখালী, মাতামুহুরী, ঈদগাঁও, জোয়ারিয়ানালা, কালিরছড়া, খুটাখালী খালসহ জেলার অপরাপর নদী খালের মোহনা এলাকায় অবস্থিত চিংড়ি প্রকল্প ও মৎস্যঘের সমূহ একদিকে পাহাড়ি ঢলের পানি, অপরদিকে উচ্চমাত্রার সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে বেড়িবাধ বিধস্ত হয়েছে। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী, কুতুব দিয়া সহ চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকায় তিন সহস্রাধিক চিংড়ি প্রকল্পের চাষকৃত ল ল আহরণযোগ্য চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রয়েছে। এসব চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ আহরণ এবং হিমায়িত করে রপ্তানী করা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বর্তমানে চিংড়ি আহরণ মৌসুম চলছে। চলতি পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ারের পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বেড়িবাধ ভেঙ্গে ঘের প্লাবিত হয়ে ল ল টাকা মূল্যমানে চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ সাগরে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। তবে পোকখালীর রিফিউজি ঘোনা হতে চৌফলদন্ডী পর্যন্ত প্রায় ১২টি চিংড়ি ঘের অতিরিক্ত পানিতে বিলিন হয়ে গেছে। বেড়িবাধের বাইরে এসব ঘেরে চাষিরা গত মে মাসে চিংড়ি পোনা ছাড়ে। এসব মাছ আহরণের সময়েই প্রতিকুল আবহাওয়ার শিকার হয়ে সিদ্দিক মিয়া ঘোনা, বোরাক ঘোনা, রশিদের ঘোনা, আবুল আহম্মদের ঘোনা, মোক্তার মৌলভীর ঘোনা, মাদ্রাসা ঘোনা সহ ডজনাধিক ঘের গত কয়েকদিনে সামুুুদ্রিক পানিতে বিলিন হয়ে পড়ে। উল্লেখ্য- বেড়িবাধের ভিতরের গুলি ছাড়াও বাধের বাইরে উপকুলীয় সমুদ্রের পানি সংলগ্ন স্থানে দীর্ঘ বছর ধরে বৈধ ও অবৈধ ভাবে চিংড়ি চাষ করে চলছে লোকজন। ————————— পাহাড় কাটার অপরাধে পরিবেশ আদালতে ঈদগাঁও’র একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখঃ ২২-০৮-১৩ ইং পাহাড় কাটার অপরাধে চট্টগ্রাম পরিবেশ আদালতে কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও’র একাধিক জনের বিরুদ্ধে শীঘ্রই মামলা হচ্ছে। কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম কতৃক পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহন ব্যতিরেকে পাহাড় কাটা প্রসঙ্গে সরেজমিন প্রতিবেদন মতে, কক্সবাজার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে বেশ কয়ের বছর যাবত ধরে সবুজ পাহাড় সাবাড় করে জনবসতি গড়ে তোলা হয়েছে। যারা পাহাড় কাটার সাথে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালকের কাছে এ প্রতিবেদন প্রেরন করা হয়। পাহাড় কাটার অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। জড়িতরা হল- ভারুয়াখালীর মৃত রশিদের পুত্র আব্দুল হাকিম, ফরিদের পুত্র ইমরুল কায়েস, ফরিদের স্ত্রী ছকিনা, ইসলামাবাদ গজালিয়ার মৃত ছৈয়দের পুত্র ছুরুত আলম, ছুরুত আলমের পুত্র মিজান, ইসলামপুর উত্তর নাপিতখালীর মৃত ইউছুপ আলীর পুত্র নুরুন্নবী, সিরাজের স্ত্রী মমতাজ, মৃত ইউছুপ আলীর পুত্র গিয়াস, ভারুয়াখালীর মোরা পাড়ার মৃত কালামিয়ার পুত্র হারুন, কামাল, আবুসামার পুত্র সুমন, রিপন, নুরুল আলম, মৃত আলী হোসনের পুত্র আবুসামা, দিল মোহাম্মদের পুুত্র সৈয়দ হোসন, মৃত মখলেছুর রহমানের পুত্র মকবুল। উল্লেখিত ব্যক্তিরা- পাহাড় কেটে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬ধারা লংঘন করেছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT