টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

পাহাড় ধসের আশঙ্কায় টেকনাফে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে সরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৩
  • ১০৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

banটেকনাফ প্রতিনিধি: টেকনাফের পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসরত পরিবারকে সরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন । উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে নয়টি দল এ অভিযান পরিচালনা  করেন এবং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এখনও ঝুঁকিপূণ স্থানে বসবাসরতদের সরিয়ে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারি আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বলেন, রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত টেকনাফে ২১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে। এতে করে ভূমি ধসের আশঙ্কা দিয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানায়, ২০১০সালের ১৫ জুন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে ৩৪জন। ২০১১ সালের ১৯ জুলাই হোয়াইক্যংএ পাহাড় ধসে একজন। ২০০৯ সালের ৪ ও ৬ জুলাই টেকনাফের ফকিরামোরা ও টুন্যার পাহাড়ধসে একই পরিবারের চারজনসহ ১৩জন ও ১৯৮৯ সালে ফকিরামোরায় এক পরিবারের সাতজনসহ ১১জন মারা যায়। এদিকে, গত চারদিন ধরে টেকনাফে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় পর পাহাড় ধসের নাশকতা এড়াতে উপজেলা প্রশাসন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
ফকিরামুরা বাসিন্দা ফরিদা বেগম (৩৪) ও টুন্যার পাহাড়ের বাসিন্দা নবী হোসেন (৪৮) বলেন, মাইকিং করে আমাদের প্রতিবছর পাহাড়ের পাদদেশ সরিয়ে ফেলা হলেও  কিছুদিন পর পুনরায় ঝুকিপূণ স্থানে গিয়ে বসবাস করতে হয়।
জেলা দক্ষিণ সহকারি বন সংরক্ষক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থানরত লোকের অধিকাংশরা মিয়ানমারের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা। ৬৩০টির পরিবারের লোককে নিরাপদে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরিয়ে দেওয়া পরিবারের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়নি। কারণ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হলে তাঁরা পুনরায় পাহাড়ে উঠে যাবে তাই।
টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকতা ইউএনও শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, টানা চারদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলা পরিষদসংলগ্ন ফকিরামোরা, ধুমপেরাংঘোনা, গিলাতলি, বৈদ্যরঘোনা, নাজিরঘোনা, শিয়াইল্যারঘোনা, উরুমেরছড়া, পল্লানপাড়া, নাইট্যংপাড়া, কেরুনতলি, বরুইতলি, জাহালিয়াপাড়া, রোজারঘোনা, রঙ্গিখালী, উলুচামারী, লেচুয়াপ্রাং, পানখালী, সিকদারপাড়া, রোজারঘোনা, মিনাবাজার, রক্ষ্যইম, আমতলিসহ বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ে পাদদেশে বসবাসকারী ঝুকিপূর্ণ পরিবারকে পাহাড় ধসের ঘটনা এড়াতে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত আরও কিছু পরিবারকে অন্যত্রে সরিয়ে যেতে পুরো উপজেলায় মাইকিং করা হচ্ছে। নতুন করে কেহ যাতে পাহাড়ে ঝুঁকিপূণ স্থানে থাকতে না পারে সেই জন্য দুটি মনিটরীং কমিটি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT