পাখি শিকার করা যার নেশা

প্রকাশ: ১৭ জুলাই, ২০১২ ৮:১৪ : অপরাহ্ণ

নজির আহমেদ সীমান্ত    জীববৈচিত্র সংরক্ষণ করতে সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট দফ্তর ও সংস্থাগুলোর চেষ্টার কমতি নেই। তারা মানুষকে ওই বিষয়ে সচেতন করে তুলতে প্রয়োজনী ও জরুরি কাজগুলো করছে বলে মনে হয়। এমনকি সরকার জীববৈচিত্র ধবংসকারিদের বিরোদ্ধে শাস্তির বিধান করেও অবাধে জীববৈচিত্র ধবংস করছে একশ্রেণীর মানুষ। তারা বরাবরই পাখি শিকার বনউজাড় পাহাড় কাটায় ব্যস্ত রয়েছে।ধলু মিয়া এক জন উল্লেখযোগ্য পাখি শিকারি। সে পাখি শিকার করেই তার সংসারের জীবিকা নিবাহ করত প্রতিদিন। একসময় পাখি শিকার করা তার নেশায় পরিণত হয়।  কোন না কোনভাবে ধলু মিয়া পাখি শিকার করবেই। স্থানীয় সচেতন মানুষ ও এনজিওকর্মীরা পাখি শিকারের বিরোদ্ধে নানান প্রচারনায় সে প্রতিদিনের আর পাখি শিকারে বের হতে পারছে না আগের মত অবাধে। এখন সে সচেতন সমাজের কাছে অনেকটা চোরের মত সবার নজর আড়াল করে  পাখি শিকারে বের হয়। এসব পাখি শিকারিদের কারণে কিছু মানুষ পাখির মাংস তাদের খাবার ম্যানুতে রেখেছে। ওই মানুষগুলো আবার সমাজের সরদার- মতব্বর শ্রেণীর। পরিবেশবাদীদের বাধার মুখে অবাধে পাখি শিকার করতে একটু বেকাদায় পড়লেও ধলু মিয়া। স্থানীয় প্রভাবশালীদের খাবার ম্যানু ঠিক রাখতে প্রতিদিন ধলু মিয়া পাখিশিকার করতে হয়। পরিবেশবাদিরা প্রভাবশালীদের খাবার ম্যানুতে পাখির মাংসের ঘাটতি করতে সহস করছে না। গত ১৩ জুলাই দুপুর আড়াইটা । ধলু মিয়া দুইটি পানকউড়ি পাখি হাতে ঝুলিয়ে আসছে। এসময় তার সামনের দিক থেকে আগত ক্যামরা হাতে এক সংবাদ কর্মী । তা  বুঝতে পেরে বেকায়দায় পড়ে ধলুমিয়া। তার পরও সে দাপটের সাথে বলে দেয়। এ পাখি শিকার করেছে স্থানীয় বিদেশ ফেরত একপ্রভাবশালীর জন্য। কিছু বলার আগেই বলে দেয় ভাই আমি আপনাদের জ্বালায় ছেড়ে দিয়েছি পাখি শিকার করা। আমার পুরাতন মানুষ যিনি প্রতিদিন বেশি টাকায় পাখি কিনত । তিনি র্দীঘদিন পর দুবাই থেকে এসেছে। তার বিশেষ অনুরোধে না গিয়ে পারিনি। পাখিশিকার বন্ধ করতে হলে শিকারিদের ভয়ে রাখলে কাজ হবে না, পাখিখেকুদেরও সচেতন করতে হবে। আসুন আর পাখিকে খাদ্যের তালিকায রাখা থেকে সর্ম্পুনভাবে বাদ দিই।  উড়হিষড়ধফ ঃযব ড়ৎরমরহধষ ধঃঃধপযসবহঃ

পাখি শিকার করা যার নেশা

নজির আহমেদ সীমান্ত

জীববৈচিত্র সংরক্ষণ করতে সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট দফ্তর ও সংস্থাগুলোর চেষ্টার কমতি নেই। তারা মানুষকে ওই বিষয়ে সচেতন করে তুলতে প্রয়োজনী ও জরুরি কাজগুলো করছে বলে মনে হয়। এমনকি সরকার জীববৈচিত্র ধবংসকারিদের বিরোদ্ধে শাস্তির বিধান করেও অবাধে জীববৈচিত্র ধবংস করছে একশ্রেণীর মানুষ। তারা বরাবরই পাখি শিকার বনউজাড় পাহাড় কাটায় ব্যস্ত রয়েছে।

ধলু মিয়া এক জন উল্লেখযোগ্য পাখি শিকারি। সে পাখি শিকার করেই তার সংসারের জীবিকা নিবাহ করত প্রতিদিন। একসময় পাখি শিকার করা তার নেশায় পরিণত হয়।  কোন না কোনভাবে ধলু মিয়া পাখি শিকার করবেই। স্থানীয় সচেতন মানুষ ও এনজিওকর্মীরা পাখি শিকারের বিরোদ্ধে নানান প্রচারনায় সে প্রতিদিনের আর পাখি শিকারে বের হতে পারছে না আগের মত অবাধে। এখন সে সচেতন সমাজের কাছে অনেকটা চোরের মত সবার নজর আড়াল করে  পাখি শিকারে বের হয়। এসব পাখি শিকারিদের কারণে কিছু মানুষ পাখির মাংস তাদের খাবার ম্যানুতে রেখেছে। ওই মানুষগুলো আবার সমাজের সরদার- মতব্বর শ্রেণীর। পরিবেশবাদীদের বাধার মুখে অবাধে পাখি শিকার করতে একটু বেকাদায় পড়লেও ধলু মিয়া। স্থানীয় প্রভাবশালীদের খাবার ম্যানু ঠিক রাখতে প্রতিদিন ধলু মিয়া পাখিশিকার করতে হয়। পরিবেশবাদিরা প্রভাবশালীদের খাবার ম্যানুতে পাখির মাংসের ঘাটতি করতে সহস করছে না। গত ১৩ জুলাই দুপুর আড়াইটা । ধলু মিয়া দুইটি পানকউড়ি পাখি হাতে ঝুলিয়ে আসছে। এসময় তার সামনের দিক থেকে আগত ক্যামরা হাতে এক সংবাদ কর্মী । তা  বুঝতে পেরে বেকায়দায় পড়ে ধলুমিয়া। তার পরও সে দাপটের সাথে বলে দেয়। এ পাখি শিকার করেছে স্থানীয় বিদেশ ফেরত একপ্রভাবশালীর জন্য। কিছু বলার আগেই বলে দেয় ভাই আমি আপনাদের জ্বালায় ছেড়ে দিয়েছি পাখি শিকার করা। আমার পুরাতন মানুষ যিনি প্রতিদিন বেশি টাকায় পাখি কিনত । তিনি র্দীঘদিন পর দুবাই থেকে এসেছে। তার বিশেষ অনুরোধে না গিয়ে পারিনি। পাখিশিকার বন্ধ করতে হলে শিকারিদের ভয়ে রাখলে কাজ হবে না, পাখিখেকুদেরও সচেতন করতে হবে। আসুন আর পাখিকে খাদ্যের তালিকায রাখা থেকে সর্ম্পুনভাবে বাদ দিই।


সর্বশেষ সংবাদ