টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে ৪ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড টেকনাফ হাসপাতালে ‘মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ’ বান্দরবানে রোহিঙ্গা ‘ইয়াবা কারবারি বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত রামুতে পাহাড় ধসে ২ জনের মৃত্যু দেশের ১০ অঞ্চলে আজ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না: গ্রেডিং বিহীন সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে রোহিঙ্গা বিষয়ক বৈঠক বৃহস্পতিবার মেজর সিনহা হত্যা মামলা বাতিল চাওয়া আবেদনের শুনানি ১০ নভেম্বর মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ক্যাশ আউট চার্জ কমানোর উদ্যোগঃ নগদ’এ ক্যাশ আউট হাজারে ৯.৯৯ টাকায় ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন

পরকিয়া সামাজিক এক মরণব্যাধি…স্বামীর পরকিয়ায় গৃহহারা গৃহবধূ রাশেদা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ জুলাই, ২০১২
  • ৩৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এমরান ফারুক অনিক…প্রবাদে আছে- সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, সংসার ধ্বংস হয় নারীর কারণে। প্রবাদটি যুগ যুগ ধরে সত্য হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে- সংসার সুখের হয় শরীয়ত মত চলনে, আর সংসার ধ্বংস হয় পরকিয়ার কারণে। বিভিন্ন এলাকার তথ্য সুত্রে জানা যায়, বর্তমান সমাজে অধিকাংশ সংসার ভাঙছে কিংবা সংসারে অশান্তি সৃষ্টির মূল কারণ হচ্ছে পর প্রেমে আসক্তি। এ পরকিয়াতে স্বামী অথবা স্ত্রী যে কোন কেউ জড়িয়ে যেতে পারে। সমাজে দেখা যায়, সংসারের ছেলে-মেয়ে এবং স্ত্রীর সুখের আশায় স্বামী পাড়ি জমায় দেশ ছেড়ে বিদেশে। কিন্তু বাড়িতে রেখে যাওয়া সুন্দরী স্ত্রী নিজের ছেলে-মেয়ে বা তার স্বামীর কথা না ভেবে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে তার খালাত কিংবা ফুফাত অথবা পাশের কোন ছেলে বা মোবাইল ক্রস কানেকশনের মাধ্যমে পরিচিত কোন একজনের সাথে। অপরদিকে একই ভাবে মেয়েদের চেয়ে পুরুষরাও পিছিয়ে নেই সে পরকিয়া প্রেম থেকে। ছেলেরাও ঘরে সুন্দরী রমনী রেখে আসক্ত হয় অপর নারীর প্রতি। ফলে উভয় কারণে অশান্তি নেমে আসে সোনার সংসারে। এভাবে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে অহরহ সংসার। ছেলে-মেয়ে হারাচ্ছে তাদের পিতা-মাতার সূখ। সামাজিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ওই কোমলমতি সন্তানরা। তাদের জীবনে নেমে আসছে ঝড় ঝাপটা। একই ভাবে স্বামীর পরকিয়ায় সংসারের সূখ হারাতে বসেছে শহরের বাঁচা মিয়ার ঘোনা এলাকার গৃহবধূ অসহায় রাশেদা বেগম। তার পিতার বাড়ি শহরের পাহাড়তলি এলাকায়। স্বামীর উপর্যপুরি নির্যাতনের শিকার হয়ে স্বামীর ঘর ছেড়ে বর্তমানে একটি ভাড়া বাসায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে ওই রাশেদা। ২০০০ সালে মুসলিম শরীয়ত মোতাবেক ৫০ হাজার টাকার কাবিননামা মুলে জনৈক ফেরদৌস আলমের সাথে রাশেদা বেগমের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের সংসারে ১০ বছরের ফুটফুটে মোঃ ফরহাদ নামের পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর কিছুদিন তাদের সংসার সুখের চললেও পরবর্তিতে তার স্বামী পরকিয়া প্রেমে আসক্ত হলে তার উপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন। তার কাছ থেকে দুরে সরে যায় স্বামী নামের সুখ। তখন তাদের সংসারে নেম আসে অশান্তির কালো ছায়া। দিন দিন বাড়তে থাকে তার উপর নির্যাতনের চাপ। সে নির্যাতন নিরবে রাশেদা সহ্য করে স্বামীর একটু সুখের আশায় দীর্ঘ সময় স্বামীর সংসারে কাটিয়ে দেয়। এরই মাঝে স্বামীর পরকিয়া প্রেমিকা কামরুন নাহারকে বিয়ে করে তার স্বামী অন্যত্রে শুরু করে তার নতুন জীবন। মাঝে মধ্যে বাড়িতে এসে রাশেদার উপর চালায় মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। এক পর্যায়ে রাশেদাকে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়। পাশাপাশি কেড়ে নেয় তার একমাত্র সম্বল সন্তানটি। বর্তমানে ওই অসহায় গৃহবধু একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। ছেলের সুখে কাতর হয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে রাশেদা গতকাল এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার ছেলে আমি চাই। আমার ছেলের পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়েছে তার পাষণ্ড পিতা। রাশেদা জানান, সে লাইট হাউজ কিন্ডার গার্টেনে সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে কাজ করতেন। রাশেদা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, সংসার গড়ে ছিলাম সুখের আশায়। কিন্তু আল্লাহর সৃষ্ট কিছু মানব নামের দানবের কারণেন নষ্ট হল আমার সুখের সংসার। তিনি বলেন, তার বিয়ের ঘটক হিসাবে কাজ করেছে দক্ষিণ পাহাড়তলি এলাকার কাদির হোসেনের স্ত্রী লায়লা। তার স্বামী লায়লার ভাগিনা। লায়লা তাকে পছন্দ করে তার ভাগিনার সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সময় যেতে না যেথেই পুনরায় আবার তার গড়ে দেওয়া সংসার ভাঙ্গার পায়তারা শুরু করে। এরই মাঝে লায়লার দেবরের মেয়েকে লাগিয়ে দিল ফেরদৌসকে। সৃষ্টি করল তার সংসারে অশান্তি। পরে ওই মেয়েকে তার সাথে বিয়ে করিয়ে দিল। তার এ ঘটনার জন্য মুলত রাশেদা কয়েকজনকে দায়ী করেছেন। তারা হলেন- আলী হোসেন, তার স্ত্রী ফাতেমা, কাদির হোসেন, তার স্ত্রী লায়লা, নাদির হোসেন, তার স্ত্রী শামসুন নাহার ও তার কন্যা। এদিকে রাশেদা তার ছেলের সুখে পাথর হয়ে পাগলের মত ঘুরছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলর চম্পা উদ্দিনসহ বিভিন্নজনকে বলেও কিছুই হয়নি বলে জানান। তিনি প্রশাসনের তড়িৎ হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

One response to “পরকিয়া সামাজিক এক মরণব্যাধি…স্বামীর পরকিয়ায় গৃহহারা গৃহবধূ রাশেদা”

  1. Mohammad Noman says:

    Ader beffere sotorko thakun.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT