হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদসাহিত্য

নাফ গোলাপের সমাধি

এম.এরশাদুর রহমান: নাফ মোহনা সাহিত্য নিলয়: টেকনাফ ,কক্সবাজার/

                  শোক পদাবলী

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

কারা মারল কেন মারল

সকলে  সবকিছু জানে ।

অথচ খুনীরা ঘুরে বেড়ায়

দেশের বামে ডানে ।

পুলিশ তাদের ধরেনা কেন

পুলিশ কি তাদের ভাই ?

কে মারল কে বাচঁল

টাকা পেলে ভুলে যায় ।

দিন দুপুরে প্রফেসর কে

মেরে মেরে করছে লাশ ।

মানুষ নামের পশু বলে

করছে পশুর কাজ।

আমরা তার বিচার চাই

জননেত্রীর কাছে ।

পাশে এসে দাড়াঁবেন

শামসুর মায়ের পাশে ।

 

প্রফেসর শামসুর কাছে

আমরা আজ লজ্জিত ।

তারঁ খুনীদের কাছে

আমরা হয় বলে ভীত ।

 

শামসুর কথোপকথন

খুবই ছিল মিষ্টি।

ছোট বড় সবার প্রতি

ছিল তারঁ দৃষ্টি ।

মর্সিয়া করে করে

মা করে দিনাতিপাত ।

নিশি রজনীতে

তুলে দুই হাত ।

 

আজো আমার হয়না মনে

প্রফেসর শামসু নাই ।

যেখানে যায় সেখানে

তারঁ স্মৃতি খুজেঁ পাই ।

প্রফেসর শামসু কে না মেরে

মারতা যদি আমাকে ।

খুব ভালো বলতাম

আমরা সে দিন তোমাকে ।

সন্ত্রাসীরা প্রফেসর কে

মেরে ঝাঝরা করে দিল ।

দেহ থেকে প্রাণ পাখিটা

বের করেই নিল ।

 

চাচা হারা বেদনা

আমরা ই বুঝি ।

তাইত প্রতিদিন

চাচু কে ই খুজিঁ ।

বাবা হারা বেদনা

তানবীর বুঝবে ।

তাসনিয়া বড় হলে

বাবাকে ই খুজঁবে ।

 

১০

প্রফেসরের কথা ভাবলে

স্বজন হারা মানুষের শোক ।

মায়ের বুক ফাটা কান্নায়

মলিন হয়ে  যায়  মুখ ।

১১

আহাজারি হাহাকার

প্রতিনিয়ত কানে বাজে ।

বিবেকের ক্রন্দনে

হাত দিতে পারিনা কাজে ।

১২

দিলের সাধ দিলেই রইল

হলো না যে পুণ।

আশাহীন কোলো মেঘ

চারি দিকেই শুণ্য ।

তবু মাগো জাগতে হবে

পশ্রয় দেওয়া যাবেনা ।

খুনীরা খুনের আগে

পরিণতির কথা ভাবেনা ।

শোক পদাবলী

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

এম,এরশাদুর রহমান

 

১৩

মিশুক তুমি তাই বলেত

ভালোবাসা পেলে ।

তোমার অনেক স্মৃতি

নীরবে নয়নে খেলে ।

১৪

প্রফেসর খুনীদের চক্র

যতই হউক বড় ।

যে যেখানে যেভাবে পাও

তাদেরকে ই  ধর ।

১৫

খুন করার মানুষ পাওনা

প্রফেসরকে পেলে ।

খুনীদের পুড়িয়ে দাও

গায়ে পেট্রোল ঢেলে ।

১৬

কি অপরাধ ছিল তারঁ

প্রানে মারলে তাকে ।

কি বলে শান্তনা দেব

আমরা শামসুর মাকে ।

১৭

প্যতিবাদের ভাষা টুকু

আমরা পেলেছি হারিয়ে ।

মারার দৃশাবলি

বেড়ায় আমায়  তাড়িয়ে ।

১৮

চৌদ্দ সালের একত্রিশ আক্টোবর

লাল বষ পন্ঞিতে ।

শামসুর স্বজন সখারা

কাজে পারেনা মনদিতে ।

১৯

জমি জামা পাহাড় গাছ

সমাধীতে যায়না ।

জীবনের ভালো আমল

হবে জানি আয়না ।

 

২০

খুনের সংঘাতে

কেউ যখন জড়াবে ।

শয়তান তাকে দিয়ে

অনেক কিছু করাবে ।

২১

এই হাত এই পা

না যায় যেন খুনে ।

মা খুব  বেদনা পাই

সে সংবাদ শুনে ।

 

২২

আসুন আমরা শপথ করি

কারো শরীরে তুলবনা হাত ।

সৃষ্ঠিকে ভালোবাসলে

আসবে স্রষ্টার আশিবাদ।

২৩

বসবাসের অনুপযোগী

হয়ে গেছে নাফ পাড় ।

খুন রাহাজানি ছিনটাই

হচ্ছে     ই বারংবার ।

তাই বলেকি দেশ ছেড়ে

যাবে  তুমি পালিয়ে ।

ভালো কাজের দাওয়াত

যাও তুমি চালিয়ে ।

কে খুন হল কে গুম হল

কার হিসাব কে রাখে ।

মামলা করে কি হবে

পার পাই আইনের ফাকেঁ।

এই ভাবে দিনে দিনে

খুন খারাপী বাড়ছে ।

ভালো কথা বলতে গেলে

তাকে কি কেউ ছাড়ছে ?

২৪

আমার কলিজার ধন শামসু কে

আমাকে দাও ফিরিয়ে ।

কেন তোরা মারছ তাকে

চারদিকে ফেলে ঘিরিয়ে ।

 

 

 

 

 

 

 

 

নীরবে

এম.এরশাদুর রহমান

দিন দুপুরে এমনি ভাবে

মানুষ হলে খুন ।

বিশ্ব সভায় বাংলাদেশের

কমবে জানি গুণ ।

নাফ সীমান্তে প্রফেসরকে

পিটিয়ে হত্যা করল ।

বিশ্ববাসী ইন্টার নেটে

মন দিয়ে তা পড়ল ।

সুস্থ কি তার বিচার হবে

নাকি কাদঁবে নীরবে ।

বাদিকে নাকি হুমকি দেয়

করবে তাকে জবে ।

রক্তের বন্যা আমাদের

হবেই হবে রুখতে ।

খুনীদের চিনে রাখ

দিওনা তাদের লুকতে ।

 

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

 

 

 

 

 

 

 

মাগো

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

এম.এরশাদুর রহমান

আমি মাগো সূখে আছি

কবরের এই দেশে ।

দিবস রজনী কাটায়

ঘুমে হেসে খেলে ।

আমার তরে চিন্তার

নেই কোন কারণ ।

সন্তান ভাই বোনদের

কাদঁতে করিও বারণ ।

আল্লাহর ইচ্ছায় মানুষ আসে

আল্লাহর ইচ্ছায় যায় ।

আমি মাগো তোমাদের

কান্না শুনতে পাই ।

কালকে কিয়ামতে

দেখা হবে সবার সাথে ।

মা তুমি না কেঁদে

মন দিও কোরআন পাঠে ।

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

নীল নকশা

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এম.এরশাদুর রহমান

৩১শে অক্টোবর ২০১৪

নীল নকশা করেছে বাস্থাবায়ন।

সমাজের বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে

করেছে খুনীরা পলায়ন ।

হায়েনারা যেখানে টাকুক

সমূলে উৎপাটন কর ।

যেখানে পাও তোমরা

প্রফেসর খুনীদের ধর।

জাতির মেরুদন্ড ভেঙে

যারা যারা দিতে চাই ।

তাদের সবার হউক

বিচারে ফাসীঁর রায় ।

 

 

 

 

মাটির শহরে

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

 

এম.এরশাদুর রহমান

মরণের পর মাটির শহরে

সবকে হবে রাখা ।

মনের ভেতর কত স্মৃতি

তখন হয়ে যায় আকাঁ ।

চল্লিশ কদম দিতে না দিতে

আসবে মুনকির নকির ।

ধরাধামে ধনী হলেও

সেখানে পূণ্যের ফকির ।

যুগের পর যুগ সেখানে

কাটিয়ে দিবে বেলা ।

মাটির সেই শহরকে

করনা কভু হেলা ।

বাবা কখন আসবে

এম.এরশাদুর রহমান

তাসনিয়া তাহমিদের

কান্নাকি তুমি শোন?

তানবীর তাহসিনকে

নিয়ে কি স্বপ্ন বুন ?

তুমি ত অন্য এক মানুষ

না বলে গেলে চলে ।

ওরা এখনো কাদেঁ

দুই নয়নের জলে ।

দেখতে দেখতে আজ

বহু বছর পার হল ।

তাসনিয়া মাকে বলে

বাবা কখন আসবে বল ?

 

বেদনার কাব্য

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

তানবীর তাসনিয়া

বেদনার কাব্য ই পড়ে ।

বাবার কথা বললে

চোখের অশ্রু ঝরে ।

তাহসিন তাহমিদ

বাবা বাবা বলে ডাকে ।

কখন আসবেন বাবা

প্রশ্ন করেন মাকে ।

মা তাদের কি বলে

দিবেন শান্তনার বাণী ।

বাধঁ বানেনা মায়ের

দুই নয়নের পানি ।

 

 

 

কষ্ঠের নীল সাগর

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদু রহমান

দিলসাদ মাঝি হয়ে

চার মাল্লা দিয়ে ।

কষ্ঠের নীল সাগরে

ভাসে শুধু ই ভাসে ।

তা দেখে ঐ জানোয়ার

বর্রর নরাধম বদমায়েশ

খুনীরা খিল খিল করে হাসে ।

আমরা ঐ  ‍খুনীদের

ফাসীর নাট্যশালা তৈরী করছি ।

অতিসত্তর তাদের ফাঁসী দাও

বিনয়ের সহিত বলছি ।

তুমি ঘুমাও এখন

এম.এরশাদুর রহমান

অল্পকালে জীবন পালে

করছ বহু কিছু ।

সামনে ছিলে তুমি

অন্যরা ছিল পিছু ।

বিশ্রাম নেওয়ার সুয়োগ

পাওনি জীবন কালে ।

ঘুমাও এখন সেটাই ছিল

লেখা তোমার ভালে ।

তোমার তরে দোয়া পাঠাই

পাওকি কবর দেশে ?

হুর পরীরা তোমার সাথে

কথা বলে জানি হেসে ।

 

ভালোবাসার পতন হল

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এম.এরশাদুর রহমান

ভালোবাসার পতন হল

আজিকে এইদিন বেলায় ।

কেউ হাসে কেউ কাঁদে

এই জীবনের খেলায় ।

জীবন জীবন করে করে

গাই জীবনের জয়গান ।

চলতে ফিরতে চলতে

হাসিল করতে হয় ঞ্জান।

মানুষ তুমি বিবেকবান

জাগিয়ে তুলুন তাকে ।

ভালো কাজ করে যাও

জীবন বেলার ফাকেঁ ।

 

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

 

প্রতিবাদ লিপি

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

এমএরশাদুর রহমান

কালের চিন্তাবীদকে হারিয়ে

আমরা আজ বাকরুদ্ধ ।

প্রতিবাদ করে করে

তাদের করতে হবে শুদ্ধ ।

আসুন যার যা আছে তা নিয়ে

প্রতিবাদ করতে শিখি ।

যাদের হাতে কলম আছে

তারা প্রতিবাদী কবিতা লিখি ।

 

আত্নজিজ্ঞাসা

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

আমরা নিজেকে নিজে প্রশ্নকরি

আমরা কি মানুষ নাকি পশু ।

যদি মানুষ হই ,

তাইলে মানুষকে কেন মারতে পারি ?

নিশ্চয় আমি মানুষ নামের জানোয়ার ।

এইভাবে প্রতিজনে জনে যদি জিজ্ঞেস করা হয়

তাইলেই বেরিয়ে আসবে কারা মানুষ নামের

নরপশু ,সমাজে কি সেই সব মানুষের জায়গা হবে?

হয় তাদের জয়গা হয় অনেক অনেক উপরে ।

তারা সমাজের হর্তা কর্তা

সেই সব পশুদের আদেশ আমাদের মানতেই হয় ।

 

হারানো শামসু

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

হারানো শামসুকে ফিরে পেতে

কোথায় আমাদের যেতে হবে।

টেকনাফের গর্বের ধন

আবার ফিরে আসবে কবে ?

খুনীরা আমাদের যে ক্ষতি

করেছে তা পুরণ হবার নয় ।

 

৩১অক্টোবর আসলে

ঘিরে ধরে আজানা ভয় ।

 

তাসনিয়া কে

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

ছোট্র  মণি তাসনিয়াকে

শান্তনা দিতাম কি বলে ।

বাবার কথা বললে পরে

বুক ভাসায় নয়ন জলে ।

তাহমিদকে বলতে পারিনা

বাবা তোমার নাই ।

তাহসিনের দিকে তাকালে

অশ্রু এসে যায় ।

শান্তনা দেওয়ার ভাষা

আমরাও ফেলেছি হারিয়ে ।

আদর দান কারীকে

ধরা হতে দিল তাড়িয়ে ।

 

বিশ্বাস

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

আমরা বিশ্বাস করতে পারিনি

তোমার মৃত্যু হবে এইভাবে ।

এত তাড়াতাড়ি আমাদের রেখে

একলা তুমি যাবেই চলে ।

তবুত বিধির বিধান

আমাদের নিতে হয় মেনে ।

কান্না করা ছাড়া কিছুই নেই

মরণের কথা জেনে ।

 

 

 

হে প্রফেসর

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

হে প্রফেসর তুমি প্রতিদিন এসো

নাফমোহনার তীরে ।

আমরা তোমাকে খুজেঁ নেব

লাখো জনতার ভীড়ে ।

স্মৃতির কপাট আমাদের

থাকবে ই সদা খোলা ।

তোমার সেই স্মৃতি সম্ভার

যাবেনা কখনো ভুলা ।

মনের মসজিদে দৈনিক

তুমি নেড়ে যাও কড়া ।

তোমার স্মরণে আমাদের

সূরা ইখলাছ হয় পড়া ।

 

তুমি ই টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এমএরশাদুর রহমান

তুমিই আমাদের আগামী দিনের

সুন্দর সমাজের স্বপ্ন দেখালে ।

জীবনে কি ভাবে চলতে হয়

সেই কাজক্রম শেখালে ।

সৃজনশীল কাজ কর্মে

উৎসা উদ্দীপনা দিতে ।

যেখানে পাও সেখানে

হাত বুলাতেন পিঠে ।

প্রকৃত মানুষ হওয়ার

সুন্দর পরিবেশ করেছিলে সৃজন ।

আজি তোমাকে হারিয়ে

কাদে আমাদের মন ।

বিনম্র সালাম শ্রদ্ধা

তোমার তরে দোয়া পাঠাব।

কামনা করি জান্নাতেও

তোমার সাথে দিন কাটাব ।

বিপদগামী

 

এমএরশাদুর রহমান

বিপদগামী মানুষকে

সত্যের আলো দেখাও ।

কোরআন হাদিস নিয়ে

তাদেরকে শেখাও ।

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

ইসলামের পরশ পেলে

সোনার মানুষ হবে ।

তাগুদকে সবার সামনে

করে দিবেন জবে ।

কাওছারের তীরে

এম.এরশাদুর রহমান

ইমানের পথ ছেড়ে

বাতিলে কেন গেলে ?

তাগুদের পথে

কি বা তুমি পেলে ?

সত্যের পথে

এসো তুমি ফিরে ।

দেখা হবে রাসুল(সঃ)এর

কাওছারের তীরে ।

 

বিবেক

এমএরশাদুর রহমান

সব বিবেক ই জাগ্রত হোক

বিবেকে জলুক আলো ।

সকল খারাপ বিদায় দিয়ে

সবটাই হউক ভালো ।

সত্য সুন্দরের পথে

হাটুক মানব জাতি ।

সব মানবের হ্নদয়

সত্যের  হউক ঘাটি ।

মাটি

এম.এরশাদুর রহমান

মাটি হতে জন্ম তোমার

মাটিতে যাবে ফিরে ।

সকল কাজ হউক তোমার

সৃষ্ঠিকর্তাকে ঘিরে ।

কোরআন

এমএরশাদুর রহমান

কোরআন পড়ে কোরআন বুঝে

কোরআন নাও হাতে ।

জীবন যাপন হউক তোমার

আল কোরআনের সাথে ।

 

 

তাওহীদ

এম.এরশাদুর রহমান

তাওহীদি ধর্মের সাথে

মিলেনা মুশরিকী ধর্ম ।

আল্লাহ এক রাসুল এক

সে মতে হউক কর্ম ।

ভাগ্য

এম,এরশাদুর রহমান

ভাগ্যের দোষ দিয়ে লাভ কি

বিশ্বাসী হউন কাজে।

কাজের ভেতর ভাগ্য

লুকিয়ে লুকিয়ে আছে ।

নৈতিকতা

এম.এরশাদুর রহমান

আমাদের নৈতিকতায়

ধরেছে আজ পচন ।

শুনতে চাইনা আমরা

কোরআনের বচন ।

 

রক্তাক্ত ৩১ অক্টোবর

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এম.এরশাদুর রহমান

রক্তাক্ত ৩১ অক্টোবর

কেন তুমি রাখবে মনে ।

তুমি নও শুধু শুধুই

মনে রাখবে জনে জনে ।

হায়েনার তেড়ে এসে

এলো পাতারি মেরেছে বারী ।

জীবনে কখনো

সে কথাটি ভুলতে পারি?

হায়েনারা এতঅস্ত্র

পেল কোথা থেকে ।

ওরা খুনী ,খুনীরা প্রতিদিন

খুন খারাপী হতে শেখে ।

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

 

 

 

তোমার মৃত্যু

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

 

এম.এরশাদুর রহমান

তোমার মৃত্যু আমাকে

বড় বেশী পীড়া দেয় ।

তুমি আমার ভালোবাসার

ব্যক্তি ছিলে সেই ।

তোমার বিয়োগ সংবাদ

বাসাতে যখন পাই ।

তখন বুঝি আমার ভেতর

আমি আর  নাই ।

হুশ হারিয়ে রইলাম পড়ে

বেচেঁ থেকে কি লাভ ।

চেতনা পেয়ে দিতে শুরু করি

খুনীদের অভিশাপ।

তুমি ওগো কি বলবে

তুমি পড়ে আছ নিথর প্রাণহীন ।

কামনা করি সমাধী রাজ্যে

কাটুক তোমার ভালো দিন ।

 

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

 

 

কি বলে

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এম.এরশাদুর রহমান

কি হবে কি বলে

শামসুর মাকে দিতাম শান্তনা ।

বলি মা তুমি আর কেদঁনা

তার তরে কর খোদার কাছে প্রাথর্না ।

 

মাননীয় দেশ নেত্রী,গণতন্ত্রের মানস কন্যা  প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা টেকনাফ বাসীর অনুরোধ থাকবে ,টেকনাফের নয়নের মণি ,শুধু ই তোমার উপন্যাসের জনক ,টেকনাফ সরকারি কলেজের সাবেক স্বনাম ধন্য বাঙলা প্রফেসর শহীদ মুহাম্মদ শামসুল আলমের লাশ নিয়ে যেন কোন রাজনীতি না হয় ।

 

 

প্রফেসর শামসুল আলমকে মনে পড়ে

এম.এরশাদুর রহমান

আজ দুইটি বছর হল

তোমার বিদায়ের ।আজ এই দিনে তোমাকে

খুব বেশি মনে পড়ছে ।সেই দিন ছিল

৩১অক্টোবর ২০১৪ রোজ জুমাবার।

জুমার নামাজ শেষে বিচারের মজলিশে

ওরা তোমাকে তাড়াল ,,,,,,,,,,,,,,,,,,

মারল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

আর কি হল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

তোমাকে হাসপাতালে নেওয়া হল,,,,,,,,,,,,,,।

এর পর আজরাইল (আঃ) এসে তোমার প্রাণ খানি নিয়ে গেল ।

হাউ মাউ কান্না ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের লাশ ঘরে

তুমি পড়ে আছ নিথর দেহে ।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের লাশকাটা

ঘরের দিকে তাকালে নয়নের জল আর বাধঁ মানেনা ,

ঝরে শুধু ই ঝরে ,আর তোমার কথা মনে পড়ে ।

সেই নয়ন জলে তোমার অনেক স্মৃতি ভেসে উঠে ।

 

ভাবনা

এম.এরশাদুর রহমান

ভাবতে ভাবতে ভাবনায় পড়ে

নয়নে আসে ঘুম ।

খারাপ গুলো দংশন করে

ভালো কাজ দেয় চুম ।

খারাপ ভালো বুঝা যায়

বিবেক জাগ্রত হলে ।

খারাপ বেশি হয়ে গেলে

বুক ভাসাও নয়ন জলে ।

আমি আমার নয়ত  ভাই

আমার মালেক আছে ।

মারা গেলে তুমি আমি

যাব তারি কাছে ।

 

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তোমার মৃত্যু

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

 

এম.এরশাদুর রহমান

তোমার মৃত্যু আমরা

মেনে নেব কিভাবে ?

শনিবারে কলেজে

পড়াতে তুমি যাবে ।

তার আগে হায়েনারা

করছে কি এই সব ।

কি যে যন্ত্রণা কি ব্যাথা

হ্নদয়ে করি অনুভব ।

ছাত্র ছাত্রীরা কি বুঝবে

কাফনে তোমাকে দেখে ।

জাতি তোমার ঘটনা থেকে

অনেক কিছুই শেখে ।

 

 

 

 

 

 

 

 

তোমায় মনে পড়ে

টেকনাফ সরকারি কলেজের বাঙলা বিভাগের প্রফেসর শহীদ মোঃ শামসুল আলম এর স্মরণে নিবেদিত কবিতা

এম.এরশাদুর রহমান

আসমান থেকে রিমঝিম

বৃষ্টি যখন ঝরে ।

তোমায় মনে পড়ে ওগো

তোমায় মনে পড়ে ।

কলিজা ছেড়া কষ্ঠ পাই

হ্নদয় পোড়া গন্ধে ।

কেদেঁ উঠি বার বার

কবিতারই ছন্দে ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নাফ গোলাপের সমাধী

এম.এরশাদুর রহমান

আমাদের প্রিয় জন , নাফ গোলাপ খ্যাত, প্রফেসর মুহাম্মদ শামসুল আলম ,জন্ম গ্রহণ করেন ৮ই ফেব্রয়ারী ১৯৭০সালে ।কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ থানার মধ্যহ্নীলা,মহেশ খালীয়া পাড়া গ্রামে ।

তাঁর গর্বিত পিতার নাম হাজী ফজল করিম ,মায়ের নাম বদিউজ্জামাল তিন ভাই ৬ বোনের মধ্যে তিনি ৩য় । তিনি  চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে বাঙলা বিভাগ থেকে বি এ (অর্নাস ) ১৯৯৬ সনে এম,এ পাশ করেন । শাহাদাতের আগ পযন্ত তিনি টেকনাফ কলেজের বাঙলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন ।

২৩ জানুয়ারী ২০০০সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা দিলসাদ খানমের সাথে তাঁর শুভ বিবাহ সম্পান্ন হয় । তাঁর তিন ছেলে এক মেয়ে ,১ম তনয় মোঃ সাদিক মোব্বারাত তানবীর ,বতমানে কক্সবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে ১০শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ।২য় মুহাম্মদ রাগিব মুব্বারাত তাহসিন

৩য় ফাহমিদা তাবাসুম তাসনিয়া ,৪থ মুহাম্মদ আরিফ মোব্বারাত তাহমিদ ।

প্রকৃত পক্ষে তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ ভালা মানুষ । অত্যন্ত পরিশ্রমী এই মানুষটি যখন যাকে যেভাবে পেয়েছেন সেভাবে সহয়োগিতার হাত বাড়িয়েছেন । এলাকার শিক্ষা সাংস্কৃতি ক্রীড়া উন্নয়নে তিনি নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন ।  তিনি লেখালেখি করতেন তার প্রথম উপন্যাস (শুধু ই তোমার) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৬ইং তে প্রকাশিত হয় ।উপন্যাসটি পাঠক সমাদৃত হয়েছিল ।

২০১৪ সালের ৩১ শে অক্টোবর রোজ জুমাবার এলাকার কতিপয় খুনীদের হাতে তিনি নিহত হন। নাফ বাসীর কপালে চিরদিনের জন্য কলংকের

কালিমা রেখা একেঁ দিয়েছেন খুনীরা । আমরা স্বপ্নে ও ভাবিনাই তার এই পরিণতি হবে । মানুষের জীবন বড়ই নাট্যময় ,তারঁ মৃত্যুতে এলাকার মানুষ বাকরুদ্ধ হয়েছে ,নয়নের জলে বুক ভাসিয়েছে । এতে করে রচিত হল নাফ গোলাপের সমাধি ।আমাদের মনের ভেতরে তারঁ অনেক স্মৃতি উকিঁ মারছে ।

প্রফেসর শামসুর মত একজন শিক্ষাবীদকে আমরা নিরাপত্তা দিতে পারি নাই এটা আমাদের চরম ব্যর্থতা ।মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন আল্লাহ পাক যেন তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন ,আমিন ।

কবির পরিচয়

এম.এরশাদুর রহমান

বাড়ীঃখারাংখালী .টেকনাফ

01714168030

01845148649

 

 

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.