টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

দলীয় ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

কামরাঙ্গীরচরের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দীন মোহাম্মদের বড় ভাই রমজান আলী ওই এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার প্রভাব পুরো কামরাঙ্গীরচরে। অবশ্য কামরাঙ্গীরচরের মুসলিমবাগে রয়েছে ইয়াবার আরেক বড় ডিলার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক। রমজান প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও ফারুক গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে থেকেই নাড়েন মাদক ব্যবসার কলকাঠি। পুলিশের খাতায় এই দু’জনের নামই রয়েছে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে মাদক আইনের মামলা।
সমকালের অনুসন্ধানে জানা গেছে, পুরান ঢাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দলীয় প্রভাবে তারা নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এখনও প্রকাশ্যেই বিকিকিনি হয় ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। মাঝেমধ্যে মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতারা গ্রেফতার হলেও রাঘববোয়ালরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুরান ঢাকায় মাদকাসক্ত হয়ে অনেক মেধাবী সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট হলেও প্রশাসন নির্বিকার। আর দিন দিন উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের।র্পুিলশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার ইব্রাহিম খান সমকালকে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর
অবস্থান নিয়েছেন। সম্প্রতি ২৪টি মাদকবিরোধী সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন এলাকায়। তালিকা তৈরি করে প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালানো হচ্ছে। অনেকে আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছে। তারা যেন আবার এলাকায় ঢুকে মাদক ব্যবসা করতে না পারে, সে জন্য এলাকাবাসীর কাছ থেকে তাদের ব্যাপারে তথ্য আহ্বান করেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা সমকালকে বলেন, পর্যাপ্ত লোকবল, লজিস্টিক সাপোর্ট ও প্রটেকশনের জন্য সরঞ্জাম না থাকার কারণে অনেকক্ষেত্রে অভিযান চালাতে সমস্যা হয়। এরপরও যা আছে তাই দিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে।
পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিলারদের কাছ থেকে কয়েক হাত ঘুরে খুচরা বিক্রেতার কাছে পেঁৗছায় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য। পাইকারি বিক্রেতারা দামি প্রাইভেট গাড়িতে, মোটরসাইকেলে এবং সিএনজি অটোরিকশায় করে খুচরা বিক্রেতার কাছে পেঁৗছে দেয় চালান। ফেরিওয়ালা সেজেও মাদক সরবরাহের কথা জানা গেছে। খুচরা বিক্রেতা মাদক সেবনকারীদের কাছে বিক্রি করে আরও সব অভিনব কৌশলে।
বংশালে ৩০ স্পট :সরেজমিন অনুসন্ধানে বংশালে অন্তত ৩০টি মাদক স্পটের তথ্য পাওয়া গেছে, যেখানে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা হয়। সুযোগ করে দেওয়া মাদক সেবনেরও। আবাসিক এলাকার মধ্যেই এসব স্পট। সপ্তাহে তিনদিন সন্ধ্যার পর সিএনজি অটোরিকশায় হাজি আব্দুল্লাহ সরকার লেনে ইয়াবার একটি চালান নেওয়া হয়। সেখান থেকে কয়েকটি স্থানে সেই ইয়াবা সরবরাহ করা হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, ফারুক নামে পুলিশের এক সোর্স ওই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আগে বংশাল থানায় কর্মরত ছিল এমন একজন এসআই সেখান থেকে একটি কমিশন পান বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কেপি ঘোষ স্ট্রিটের ইয়াবা ও নেশা জাতীয় ইনজেকশনের অন্যতম ডিলার আফসানা খান সামা। গত ২২ ফেব্রুয়ারি ৬০০ পিস ইনজেকশনসহ বংশাল থানা পুলিশ এই সামাকে গ্রেফতার করে। বিকে গাঙ্গুলী লেনে নেশা জাতীয় ইনজেকশনের আরেকজন ডিলারের নাম সঙ্গীতা আক্তার। ২৪ ফেব্রুয়ারি এক হাজার ৪০০ ইনজেকশনসহ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। আগাসাদেক রোডের মাহি উদ্দিন ওরফে মাহিন ইয়াবা নিয়ে আসে কক্সবাজার থেকে। বংশালসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহের মূল হোতা এই মাহিন। গত ২৩ মার্চ ৫০০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মাহিন। আরমানিটোলার বড় মাদক ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম, বাগডাসা লেনের মাদক ডিলার সামউল্লাহ, নর্থ সাউথ রোডের কামাল ও লালমোহন সাহা স্ট্রিটের ইয়াবা ডিলার আবুুল কালাম পুলিশের খাতায় তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশ জানায়, এসব মাদক ডিলারের অধীনে কমপক্ষে ৫০ জন খুচরা মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। আনন্দবাজারে বিক্রি করে করিম, সুমন ও কানা লিটন। বাবুবাজার বালুর মাঠে মনির, কসাইটুলীর চুন্নু মিয়া ও সগুমী আক্তার, শামসাবাদে ইয়ার মোহাম্মদ, নয়াবাজারে লিটন, রমজান, মোয়াজ্জেম, জাহাঙ্গীর ও স্বপন ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়াও বংশালের পুকুরপাড়, হাজি আব্দুর রশিদ লেন, নাজিরা বাজার, মালিটোলা, মিরজল্লা বাজার, সিমসিম নামা ও দপ্তরপাড় মাদকের অন্যতম স্পট হিসেবে পরিচিত।

কোতোয়ালিতে বর্জ্যের মধ্যে মাদক :কোতোয়ালি এলাকায় মাদকের খুচরা বিক্রেতারা নানা কৌশলে ক্রেতার হাতে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও নেশাজাতীয় ইনজেকশন পেঁৗছে দেয়। সশরীরে তারা সেবনকারীর হাতে মাদকদ্রব্য দেয় না। মাদকাসক্তের চাহিদা অনুযায়ী কোনো একটি স্থানে ইটের নিচে, ড্রেনের পাশে বা বর্জ্যের স্তূপের মধ্যে মাদকদ্রব্য রেখে দেওয়া হয়। সেখান থেকে মাদকসেবী সেটি সংগ্রহ করে। কোতোয়ালি থানা পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়ে বলেন, সম্প্রতি কয়েকজন মাদক বিক্রেতা গ্রেফতারের পর মাদক বিক্রির এই কৌশলের কথা জানিয়েছে। গ্রেফতার এড়াতে তারা এই পদ্ধতি অবলম্বন করছে।

অনুসন্ধানকালে জানা যায়, কোতোয়ালির ইয়াবা ডিলারের নাম মন্টি। সে কোতোয়ালি ছাড়াও আশপাশ এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে। তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। জিন্দাবাদ এলাকার মানিক এলাকায় ইয়াবা, ফেনসিডিল ও নেশাজাতীয় ইনজেকশন সরবরাহ করে। তাঁতীবাজার ও শাঁখারীবাজার এলাকার ইয়াবা বিক্রেতা অসিদ মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেলে রয়েছে। তবে তার লোকজন এলাকায় মাদক ব্যবসায় সক্রিয়। রাজারদেওরী এলাকার পারুল ফেনসিডিল ও নেশাজাতীয় ইনজেকশন ব্যবসায়ী। গত ২৭ নভেম্বর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী সখিনা দীর্ঘদিন ধরে ওয়ারীসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে এলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার স্বামীর নাম হযরত আলী। নেশা জাতীয় ইনজেকশন ও ইয়াবার বড় ডিলার সে। প্রাইভেটকারে করে তার লোকজন পাইকার বিক্রেতাদের কাছে এসব মাদক পেঁৗছে দেয়।

গেণ্ডারিয়ার রহিমার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী :সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, গেণ্ডারিয়ায় রহিমা নামে এক নারী মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে চিহ্নিত। সে ইয়াবা ও হেরোইনের ডিলার। তার একটি নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী রয়েছে, যারা মাদক ব্যবসা দেখভাল করে। রহিমার স্বামীর নাম হযরত। বাসা নামাপাড়া ছোবাপট্টি। তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে রয়েছে মাহিনুর নামে এক নারী। মাহিনুর সেলস ম্যানেজার তার। রহিমা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। দাসরোড লেনের আরেক ইয়াবা সম্রাটের নাম বাবু। স্বামীবাগের আমির হোসেন, এসকেদাস রোডের রানা ও মোরশেদ, ঘুণ্টিঘরের কানা খোকন, ডিস্ট্রিলারি রোডের মুনসুর আলী, বেগমগঞ্জ লেনের জামান, শরৎগুপ্ত রোডের নজরুল, নামাপাড়া রেললাইন বস্তি ও দয়াগঞ্জ বাজার রেললাইন বস্তির রবিন, সুবাপট্টির হযরত ও সুমন পাইকারি ইয়াবা ব্যবসায়ী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সূত্রাপুরের ভুসির গলি, বানিয়ানগর ঠাকুর দাশ লেন, কুলুটোলা, শিংটোলা, আরএম দাশ রোড ও তনুগঞ্জের কয়েকটি বাড়িতে অবৈধভাবে বাংলা মদ তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে মাদক ব্যবসায়ীরা। সূত্রাপুরের ফেনসিডিলের ডিলার হিসেবে চিহ্নিত জসিম উদ্দিন, বাংলা মদের গডফাদার মরিয়ম আক্তার, ইয়াবার ডিলার রুবেল ও রুক্সি। রূপচান লেনে ইয়াবা বিক্রি করে জাহাঙ্গীর হোসেন বনা ও কানু মিয়া।

লালবাগ, মাদকসেবীর কাছে পেঁৗছে দেওয়া হয় : অনুসন্ধানে জানা যায়, খুচরা বিক্রেতারা মাদকসেবীর দোরগোড়ায় মাদকদ্রব্য পেঁৗছে দেয়। ফলে সহজেই মাদক পেয়ে যায় মাদকাসক্তরা। ললিত মোহন দাস লেনের আজমল, নবাবগঞ্জের জাকির, ব্যাঙ্গী মহিলা, শহীদনগরের সিরাজ, বালুঘাটের হারুন-উর রশিদ, সেলিম ও জামাল ইয়াবার পাইকারি বিক্রেতা। শ্যামল রনি ও শাহাবুদ্দিন ফেনসিডিল সম্রাট হিসেবে চিহ্নিত। খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে এরশাদ কলোনির পাশের ট্যাংকিঘাট রোডে খোরশেদ, সেন্টু, জনি ও হাফিজ, আজিমপুরের জোনায়েদ, শহীদনগর এলাকার সিরাজ, রসুলবাগে শিপলু, গোর-এ শহীদ এলাকায় কামাল, আজিমপুর পুরনো কবরস্থানের গেট থেকে রহমতউল্লাহ স্কুল ও নবাবগঞ্জ এলাকায় আনু, সাকের ও জাকির অন্যতম।

কামরাঙ্গীরচর :স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘনবসতি এলাকা কামরাঙ্গীরচরের অলি-গলিতে ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও গাঁজার স্পট রয়েছে। বেশিরভাগ স্পটে শিশু-কিশোর ও নারীদের ব্যবহার করে মাদক বিক্রি করা হয়। রাজনৈতিক কিছু নেতাকর্মী সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এ ছাড়া কিছু নেতার স্বজনরাও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আহমেদ ফেনসিডিল ও গাঁজার বড় ডিলার। সম্প্রতি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস মোল্লার ছেলে শামীম মোল্লা চান মসজিদ এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে। শামীম মোল্লার বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর থানায় মাদক মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে ফেরদৌস মোল্লা অবশ্য সমকালের সঙ্গে আলাপে ছেলেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, তার ছেলের বন্ধুরা একস্থানে বসে মাদক সেবন করছিল। তাদের পাশে তার ছেলেও বসেছিল। এ কারণে ছেলেকে পুলিশ ধরেছে। কামরাঙ্গীরচরের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দীন মোহাম্মদের বড় ভাই রমজান এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। ইয়াবাসহ গত ২০ নভেম্বর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে রমজান। দীন মোহাম্মদ সমকালকে বলেন, ভাই রমজান মাদক ব্যবসায়ী হওয়ায় তিনি তাকে প্রশ্রয় দেন না। তিনি নিজেই কয়েকবার রমজানকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা আক্তারের ছেলে ইমরান নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ গত ৩ অক্টোবর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ ৫টি মামলা রয়েছে। নাছিমা আক্তার সমকালকে বলেন, ‘নাটক সাজিয়ে আমার ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়। আমার পরিবারের কেউ মাদকের সঙ্গে জড়িত নয়। মাদক বিক্রেতারা ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেকে ফাঁসিয়েছে।’ মুসলিমবাগে ইয়াবার বড় ডিলার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক। আত্মগোপনে থেকে তিনি মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। মাতবরবাজার এলাকায় মাদক বিক্রি করে বিএনপি নেতা কানা কাদির ও সাক্কু। পুলিশ জানিয়েছে, ফারুক, মোরশেদ, কাদির ও সাক্কুর বিরুদ্ধে থানায় মামলা থাকায় তারা প্রকাশ্যে এলাকায় থাকে না। মাঝেমধ্যে এলাকায় আসে। লোকজন দিয়ে তারা এলাকায় মাদক ব্যবসা করাচ্ছে।
হাজারীবাগ :হাজারীবাগের মাদকের বড় হাট গণকটুলি সুইপার কলোনিতে। হাজারীবাগ মডেল টাউনের বাসিন্দা জমিলা ও হাজারীবাগের হাসু নামে এক ব্যক্তি কলোনির মাদক ব্যবসার গডফাদার। খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে, হাফেজ, সাবানা, রুমানা, শাহিদা, জলিল মিয়া, বুড়ি খালা, আফসানা, রিনা, মাসুম, হবজুল ও পারভীন। তাদের মধ্যে কেউ ইয়াবা, কেউ হেরোইন-গাঁজা বিক্রি করেন। গণকটুলি এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ী আপন দুই বোন রোখসানা ও সোনিয়া। অ্যাপেক্সের মাঠ এলাকার ইয়াবা ছড়িয়ে দিচ্ছে সজল। –

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT