টেকনাফ হাতিয়ারঘোনা মসজিদ নিয়ে জঘন্য মিথ্যা অপপ্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশ: ৩০ মে, ২০২০ ১১:১২ : অপরাহ্ণ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের প্রাচীণতম হাতিয়ারঘোনা জামে মসজিদ নিয়ে জঘন্য মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মুতুওয়াল্লী হাজী আবুল বশর। তিনি জানান, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ারঘোনা জামে মসজিদটি অত্র এলাকার প্রাচীণতম ধর্মীয় প্রতিষ্টান। প্রায় দেড়শত বছর পূর্বে মসজিদটি স্থাপিত। বর্তমানে জামে মসজিদ ছাড়াও সংলগ্ন মক্তব, নুরানী ও হেফজ বিভাগ চালু রয়েছে। প্রতিষ্টার পর থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে প্রতিষ্টানটি পরিচালিত হয়ে আসছে।
কিন্ত অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, অতি সম্প্রতি আশেকুল্লাহ ফারুকী নামে এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে উক্ত মসজিদ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রæপ আল-ইয়াকীনের আস্তানা ও ঘাঁটি হিসাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে। যা খুবই মারাতœক নিন্দনীয় ও পবিত্র ধর্মীয় প্রতিষ্টান অবমাননার শামিল। একান্তই মহান আল্লাহু তা’য়ালার জন্য ইবাদের ঘর মসজিদ কোনদিন এবং কখনও জঙ্গী গোষ্টির আস্তানা হতে পারেনা। অথচ অনেকে সত্যতা যাচাই না করে সেখানে বিরুপ মন্তব্য করেছেন। যা আরও দুঃখজনক।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে চাই, মহান আল্লাহু তা’য়ালার অফুরন্ত মেহেরবাণীতে পরিচালনা কমিটির তত্বাবধানে মসজিদ-মাদ্রাসা অত্যন্ত সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে। একটি স্বাধীন রাস্ট্রে এতগুলো আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতার মাঝে ব্যস্ততম সড়কের সন্নিকটে অবস্থিত ধর্মীয় উপসনালয় মসজিদকে তিনি কি উদ্দেশ্যে এবং কার প্ররোচনায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রæপ আল-ইয়াকীনের আস্তানা ও ঘাঁটি হিসাবে প্রচারণা চালানো হয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রæপ আল-ইয়াকীনের তৎপরতা তো দুরের কথা, কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং কর্মরত শিক্ষকগণ সমাজ ও রাস্ট্র বিরোধী কোন ধরণের কাজের সাথে সামান্যতমও জড়িত নেই এবং ছিলনা। আমাদের ধারণা হয়ত কোন অসৎ ব্যক্তির প্ররোচনায় প্রভাবিত হয়ে এ ধরণের জঘন্য মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে।
আমরা উক্ত জঘন্য মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি এ ব্যাপারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রশাসনসহ সর্বমহলের প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি।

পরিচালনা কমিটির পক্ষে প্রতিবাদকারী:
হাজী আবুল বশর
সভাপতি ও মুতওয়াল্লী হাতিয়ারঘোনা জামে মসজিদ ও তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসা, টেকনাফ।


সর্বশেষ সংবাদ