টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপে পাউবোর বাঁধ নির্মানে অনিয়ম: বরাদ্দ দেয়া বিপুল টাকা পানি: বাঁধ নির্মানের পর জোয়ারের ধাক্কায় বিলীন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৩
  • ১৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রমজান উদ্দিন পটল,টেকনা…
বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের পানিতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ উপকূলীয় এলাকায় প্রতিরক্ষা বাধ নির্মান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্বাগরের অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে ক্রমে উপক’লীয় রক্ষাবঁধ ও বিশাল জনপদ তলিয়ে যাচ্ছে। দ্বীপের পশ্চিমাংশে চলছে পাউবোর রিং বাধ র্নিমানের কাজ।এ কাজে চলছে ব্যাপক অনিয়ম বাণিজ্য। সৈকতের বালি দিয়ে এবং বাঁধের পাশ কোড়ে নেয়া মাঠি দিয়ে দুর্বল রিংবাধ নির্মানের ফলে নির্মিত বাঁধ ভেঙ্গে বিলীন হয়ে পড়ে। এছাড়া অনিয়মের কারণে  বাধের ভাঙ্গাংশে বিভিন্ন সময় পুনঃ বাঁধ নির্মানের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারের কোটি কোটি টাকা পানি হয়ে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার টেকনাফের উপকূলীয় এলাকা শাহপরীরদ্বীপ জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে ব্যাপক ঝুকির মুখে পড়ে। ক্রমে সাগরের জোরের তোড়ে  উপকুলীয় বাঁধ ভেঙ্গে রাক্ষুসে সাগর বক্ষে বিলীন হচ্ছে বিশাল জনপদ। উন্নয়ন সম্ভাবনা ও সরকারের পরিকল্পনাধীন পর্যটন জোন এলাকা টি একর পর সাগর বক্ষে বিলীন হওয়ার কারণে এখন অস্থিত্ব সংকটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান- ১৯৯১-১৯৯৪এর প্রলয়ন্কারী ঘুর্ণিঝরে এক সময়কার বাণিজ্য কেন্দ্র বদর মোকাম ঘোলাপাড়া বিলীন হওয়ার পর বিগত ৩০ বছরে এ উপকূলীয় দ্বীপের প্রায় ১০ হাজার বর্গ মিটার ভুখন্ড সাগরে তলীয়ে যায়। এলাকাবাসী ধারাবাহিক ভাঙ্গন রোধে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের দাবী জানিয়ে আসে। কিন্তু পাউবোর পত্র প্রেরণে দিন যাচ্ছে বছরের পর বছর। মন্ত্রণালরেয় প্রেরণ করা হয় একাধিক নকশা ও ১০৭কোটি টাকার প্রকল্প। এর মধ্যে পাউবোর ভুল আর অনিয়মের বিগত বিভিন্ন সময় ভাংগা  অংশে বাধ নির্মানের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা অপচয় করে। পাউবোর অসাধু কর্মকত্ া,ঠিকাদার, রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি এ ৩ স্থরে মিলে বাঁধ নির্মানের সরকারী অর্থ লুটপাট করে বলেও অভিযোগ উঠে। এ ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ভাঙ্গাংশে নির্মিত বাধ স্থানীয় জনৈক রাজনৈতিক ব্যাক্তি গোপন চুক্তি মতে দায়িত্ব নিয়োতি হয়্ এবং অনিমের মাধ্যমে লোক দেখানো কাজ সারায় নির্মানের পর পরই জোয়ারের পানিতে বিলীন হয়ে পড়ে বলে স্থানীয় রা  অভিমত ব্যাক্ত করেন। তবে বকসবাজার পাউবো কর্তপক্ষ ফান্ড না থাকায় বাঁধ নির্মান পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছেনা বলে জানান এবং ভুলে ভরা মান্দাতা ডিজাইন পরিবর্তন করে সংলিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ১০৭কোটি টাকার পরিকল্পনা প্রেরণ করা হয় বলে জানান। টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিক মিয়া জানান- পাউবোর এক চুক্তি মতে দ্বীপের পশ্চিমাংশে রিংবাঁধ নিমান কাজ চলছে। স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে তিনি এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বাধ নির্মানে পাউবো কোন প্রকার বরাদ্দ দেয়নি। আগামীতে কোন ফান্ড আসলে বর্তমান ব্যায় পুচিয়ে দেবে পাউবো। পাউবো ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়ার কথা জানালেও উপজেলা চেয়ারম্যান আদৌ কোন প্রকার বরাদ্দ দেয়া হয়নি এবং ভাংগাংশে বর্তমান রিংবাধ নির্মান কাজে আনুমানিক ৭০ লাখ টাকা ব্যায় হবে বলে জানান।  শাহপরিরদ্বীপ রক্ষা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম সিআইপি জানান- আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই দীর্ঘমেয়াদী বাঁধ নির্মান করা না হলে পুরো দ্বীপ সাগরে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এ আশংকায় চরম আতংকে রয়েছে দ্বীপবাসী। সরকার যদি শীগ্রই টেকসই বাধ নির্মান কাজ শুরু না  করে ভাংগন কবলিত মানুষ দ্বীপ রক্ষার দাবীতে আন্দোলন গড়ে তোলবে। তিনি বর্তমান নির্মিত বাধ দ্বারা রাক্ষুসে সাগরের আগ্রাসন রোধ সম্ভব নয় বলে অভিমত প্রকাশ করেন। চলতি নতুন অর্থ বছরে নতুন ডিজাইনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে শংসয় দেখা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাঁধ নির্মানে কোন প্রকার বিলম্ব করা মানে “রোগী আসিবার আগে রোগী মারা গেল”এমন পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে অভিমত প্রকাশ করেন। #################################

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT