টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ-শামলাপুর এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
  • ২৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহাড়ছড়ার টেকনাফ-শামলাপুর এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা।
বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন জনদূর্ভোগ চরমেপ্রবল বর্ষণে ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শাপলাপুর-টেকনাফ সড়কের দরগারছড়া কবরস্থান রাস্তা-ফিলারসহ ভেঙ্গে একাকার হয়ে গেছে।
টেকনাফ থেকে শামলাপুর এলাকার ৫-৬ হাজার জনগনের যাতার মাধ্যম শামলাপুর সড়ক দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারের অভাবে যানচলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়লেও তা সংস্কারের ব্যাারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা না থাকায় গত ২ মাস আগের বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে এই সড়কের ৫টি অংশ সম্পুন্ন বিচ্ছিন্নসহ সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জুমপাড়া,মিঠাপানির ছড়া,রাজার ছড়া,শামলাপুর ইউনিয়নের শীলখালী,উলুবনিয়া,বাঘঘোনা নোয়াখালী,বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী,মারিচবন্যা,মাথাভাঙ্গা প্রভৃতি স্থানে সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ার পাশাপাশি গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সরাসরি যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। যার ফলে ওই সড়কের হাজারো জনগনের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শামলাপুর থেকে টেকনাফ সড়ক বিভিন্ন এলাকার সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গেছে ,
টেকনাফ উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহাড়ছড়ার টেকনাফ-শামলাপুর এলজিইডি সড়কে কালভার্ট মাঝখান ভেঙ্গে গর্তে পরিণত হয়েছে। নোয়াখালীপাড়া এলাকার ওই কালভার্টটির মাঝখানে গর্ত হওয়ায় যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে স্থানীয়দের। এই কালভার্ট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শত শত যানবাহন চলাচল করে থাকে। দীর্ঘ দুই বছর ধরে ব্রিজটি এ অবস্থায় রয়েছে। যে কোন মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটি ধসে পড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের কালভার্টের পাশ এতই ছোট যে দুটি রিক্সাও এক সঙ্গে চলাচল করতে পারে না। ইতিপূর্বে এই কালভার্টে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনাও ঘটেছে? জানা যায়, বাহাড়ছড়া ইউনিয়নের বেশির ভাগ মানুষ পান, সুপারি ও মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই প্রতিদিন পান, সুপারি ও মৎস্য পরিবহনের গাড়ি আনাঘোনা হয় এ সড়কে। পান-সুপারি ও মাছ বোঝাই এসব গাড়িগুলো এ কালভার্ট দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। নোয়াখালীপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আমরা স্থানীয় লোকজন নিজ উদ্যোগে মাঝে মধ্যে কালভার্টের ভাঙ্গনের অংশ গাছ, বাঁশ ও বালু দিয়ে মেরামত করি। কয়েক দিন পর সেগুলো আবারও ভেঙ্গে যায়। বাহাড়ছড়া ইউপির মেম্বার মোঃ ইলিয়াছ বলেন, বিগত দু’বছর যাবত উপজেলা বিভিন্ন দফতরে কালভার্টটি সংস্কারের জন্য একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে শামলাপুর, শামলাপুর থেকে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কের সাথে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সড়ক পথে যাতায়াতের াপ্রধান প্রধান এখন মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে । এছাড়াও এড়লাকার লোকজন ৫টি স্থানে গাাড়ি চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুকি নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সীমাহীন দূর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মোহাম্মদ নূর ও শামলাপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ হারুন অভিযোগ করে বলেন,সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি এবং সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে এখন পড়ায় সরাসরি গাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দীন জানান,মানুষ প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে। এ সড়ক সংস্কারের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনেকবার বলা হলেও কোন কাজ হয়নি।
টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রশিদ বলেন,ঠিকাদারের অনিয়মের কারণে শামলাপুর- টেকনাফ সড়কের প্রায় ৩০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্নস্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে এবং দীর্ঘদিন ধরে কাজ না করায় যাতায়াত করতে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইতোমধ্যে এ ভাঙ্গা রাস্তায় দিয়ে যাতায়াত করতেগিয়ে অনেককে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT