টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ শামলাপুরে এরা কারা?

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

mozammel pic, shamlapur, teknaf, 13,10,2013 (1)  শামলাপুর,বাহারছড়া প্রতিনিধি:::::::::: টেকনাফ শামলাপুর গুচ্ছগ্রাম হতে উত্তরে মনখালী খাল পর্যন্ত সাগর পাড়ের ঝাউ বাগানে বসবাসরত বার্মাইয়া তথা রোহিঙ্গারা কোন সরকারের অধীনে বা পৃষ্টপোষকতায় বসবাস করছে? সাম্প্রতিক সময়ে অপরিচিত বিভিন্ন মানুষের আনাগোনা এলাকার সচেতন মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে। যা চোখে পড়ার মত।  ঝাউবাগানের ভিতরে প্রতি ১০০ কিলোমিটারের মাথায় একটি পাকা মসজিদ ও কয়েকটি ফোরকানীয়া মাদ্রাসা। উন্নত মানের টয়লেট ও নিয়মিত ত্রাণ সামগ্রী। কেন এতগুলো স্থাপনা ও অন্যান্য কর্মকান্ড? এগুলো কি বর্তমান সরকারের কোন পরিকল্পিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা কাজ? নাকি সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে কোন মুখোশধারী জঙ্গি সংগঠণের কাজ। এগুলির উৎস কোথায়? কে বা কারা এগুলোর বাস্তবায়নকারী? কেন এগুলো হচ্ছে? সরকার তা করার অনুমতি প্রদান করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা কি সরকার তথা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা? এলাকাবাসিদের সন্দেহ আফগানিস্থান হতে প্রশিণপ্রাপ্ত  মুখোশধারী তালেবান সদস্যরা অত্র এলাকায় সাহায্য সহযোগিতার নামে জঙ্গিদের গোপন আস্তানা তৈরী করতেছে। আলেম নামের কিছু মুখোশধারী জঙ্গি সংগঠণের সংশিষ্ট লোক বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে দলের মতার দাপট খাটিয়ে অতি গোপনীয় রা করে উক্ত জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বার্মাইয়া লোকদের সাহায্য সহযোগিতার নামে মধ্যপ্রাচ্যের একটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠণের মদদ ও অর্থায়নে রোহিঙ্গাদের একত্রিত ও প্রশিতি করছে। শামলাপুরের কিছু নামিদামি নেতা তথা একই চেহরার সাদৃশ দুই ভাই ১৯৮৯ সালের দিকে উপজেলার একটি কওমী মাদ্রাসা থেকে লেখাপড়া শেষ করে পটিয়া আরেকটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার পর বাংলাদেশের বেনাপোল বর্ডার হয়ে ভারত পাকিস্তান হয়ে সুদূর আফগানিস্থান চলে গিয়ে তালেবান জঙ্গি সংগঠনে যোগদান করে। উলেখ্য যে, তখন বার্মা ও বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসার হাজার হাজার ছাত্র গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিল বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠণের মদদে। তাদের সাথে ছিল তারা দুই সহোদর। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত তিন বৎসর যাবৎ ভাসমান রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য প্রায় একশত কোটি টাকারও অধিক টাকা বিতরণ করেছে।  পেছন থেকে অর্থায়ন করছে দুবাই ভিত্তিক একটি আন্তজার্তিক সংগঠন। রোহিঙ্গাদের প্রতিনিয়ত এরকম সাহায্য সহযোগিতা করার কারণে একদিকে তাদের সাহস ক্রমশ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে এলাকায় বেড়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। অপর দিকে সরকারী বনের গাছ-গাছালি কেটে সাবাড় করা সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়ে দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে । বিদেশ থেকে আসা টাকাগুলোর তিন ভাগের দুই ভাগ অর্থ বিলিনকারীরা আতœসাৎ করে নেয়। এদিকে ঘটনা আড়াল করার জন্য কোন নেতার নির্বাচনী প্রচারণার নাম দিয়ে উক্ত অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রীগুলো বিলিন করে। নিষিদ্ধ হওয়া সত্বেও প্রতি রমজানের ঈদের পূর্বে উক্ত রোহিঙ্গাদের জন্য চাল,ডাল, তৈল, চিনি, সেমাই, আটা, সুজি, বিস্কুট, দুধ ও প্রতি কোরবানির ঈদে গরু-মহিষ ও চাল, তেল- মসলা দিয়ে আসছে। যার প্রমাণ; গত কোরবান ঈদের পূর্বে গোপনে রোহিঙ্গাদের গরু বিতরণ করার সময় তৎকালিন টেকনাফ থানার ওসি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫০টি গরু আটক করেছিল। এবারেও এরকম চাল,তেল ও শত-শত গরু রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করেছে। উক্ত দুই সহোদরের পাশাপাশি শামলাপুরের আরেকজন ব্যক্তি (এটিআইবি) অঞওই নামক আরেকটি সংস্থা থেকে অবৈধ গরু এনে গোপনে হুবহু রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করছে। এখন এলাকার মানুষের একই প্রশ্ন, দেশের প্রশাসন কি তাদের হাতে জিম্মি? না হয় কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা কেন?

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT