টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

টেকনাফ, রামু,বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রবারনা উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

01মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,টেকনাফ। টেকনাফ উপজেলায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের  ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দ মুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় প্রবারনার সমাপনী দিনে চৌধুরী পাড়া এলাকার ছিং ছু অং ও মংবুসে রাখাইন জানান-“সম্প্রীতি ফানুসের আলোয়,দূর হোক সাম্প্রদায়িক অন্ধকার”এ শ্লোগানে প্রবারনা বা ধর্মচক্র দিবস পালন উপল্েয টেকনাফের বৌদ্ধ ক্যাং গুলো আলোকসজ্জাসহ মনোরমভাবে সাজানো হয়েছে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন আকাশে ফানুস উড়িয়ে সাম্প্রদায়িক অন্ধকার দূর করার প্রত্যয় ঘোষণা করে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধর্মীয় উৎসবের সূচনা করে। মহান পূর্ণিমার দিনে ফানুস উড়ানো হয়। গত শনিবার ভোর হতে প্রভাত ফেরী সহকারে বৌদ্ধ বিহারে বুদ্ধপূজার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু করা হয়। সকাল ৮টায় বিহারে ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সাড়ে ৮টায় অষ্ট শীল গ্রহণ, সাড়ে ১১টায় পিন্ডদান, বিকেল ৪টায় বিহারে ধর্মীয় সভা, সন্ধ্যায় হাজার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফানুস উত্তোলন, সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ব শান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনার কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে টেকনাফ উপজেলায় বৌদ্ধ প্রবারনা পূর্ণিমার অনুষ্ঠান পালন করা হয়।

রামু বাকখালী নদীতে জাহাজ ভাসিয়ে মেতে উঠেছে বড়–য়া সম্প্রদায়—

মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি রামুর বাকখালী নদীতে শত বছরের ধারাবাহিকতায় এবছরও প্রবারণা পূর্ণিমা জাহাজ ভাসা উৎসব পালিত হয়। এ উৎসবকে ঘিরে বড়–য়া সম্প্রদায়সহ সকল সম্প্রদায় সম্পপ্রীতি ফিরে এসেছে বলে মনে করে সচেতন মহল। জানা যায়- ২০ অক্টোবর রবিবার দুপুর থেকে উৎসব মুখর নারী পুরুষের জাহাজ ভাসাকে ঘিরে আনন্দ উদ্বেল হয়ে পড়ে। প্রবররণা পূর্ণিমা ও জাহাজ ভাসা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন- সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ জাতিসংঘ ভিু মহাসভার ও সীমা বিহারের অধ্য পন্ডিত ভদন্ত সত্যপ্রিয় মহাথের। বক্তব্য রাখেনÑ প্রধান অতিথি ছিলেন- বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নুর এম.পি, বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, মোঃ রুহুল আমিন, রামু ৫০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল তানভীর আহমেদ জাইগীরদার, পুলিশ সুপার মোঃ আজাদ মিয়া, সাবেক সোনালী ব্যাংক পরিচালক- মহাজোট মনোনীত প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার কমল, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মোঃ মাসুদ হোসেন, রামু উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আবুল কালাম, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অপ্পেলা রাজু নাহা, সভাপতি বৌদ্ধ ঐক্য ও কল্যাণ পরিষদ এর প্রবীর বড়–য়া, বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়–য়া। সংবর্ধিত অতিথি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাচিত সদস্য বিজন বড়–য়া। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- রামু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহমেদুল হক (এম.এ), সাংবাদিক দর্পণ বড়–য়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি রামু শাখার স্বপন মেম্বার, সন্তোষ মেম্বার, সুরেশ বড়–য়া। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- পলক বড়–য়া (আপ্পু), দীপংকর বড়–য়া (ধীমান), জাহাজ ভাসা উৎসবের সদস্য সচিব মিথুন বড়–য়া বোথাম, যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব বড়–য়া। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- রামু গ্যারিসন ৫৭ ইবি লে: কর্ণেল মো: জায়েদ হোসেন, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আখতার, উখিয়া সার্কেল এর সহকারি পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ। কক্সবাজারের ডিবি ওসি মনজুর আলম প্রমূখ। সংবর্ধিত অতিথি- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাচিত সদস্য বিজন বড়–য়া, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত ভূষন বড়–য়া, অর্পন বড়–য়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন- কেন্দ্রীয় প্রবরণা পূর্ণিমা জাহাজ ভাসা উৎসব উদ্যাপন পরিষদ’১৩ জ্যোতির্ময় বড়–য়া রিগ্যান। বাকখালী নদীতে জাহাজ ভাসা উৎসবে অংশ নেন- পূর্ব রাজারকুল বড়–য়া পাড়া দ্বীপ শ্রীকুল বড়–য়া পাড়া, জাদী পাড়া, পূর্ব মেরংলোয়া, পশ্চিম মেরংলোয়া, হাজারীকুল, হাইটুপি। প্রেরক : মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, তারিখ ঃ ২০-১০-২০১৩ইং

 

রামুতে ২ দিনব্যাপী প্রবারণা পূর্ণিমা ও জাহাজ ভাসা উৎসবে হাজারো মানুষের মিলন মেলা             খালেদ হোসেন টাপু,রামু কক্সবাজারের রামু বাঁকখালী নদীতে গতকাল রোববার ২০ অক্টোরব প্রবারণা পূর্ণিমার দুইদিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিনে বিকেলে বাঁকখালী নদীর দু’তীরে হাজার হাজার বৌদ্ধ নর-নারীসহ সকল সম্প্রদায়ের লাধিক মানুষের মিলন মেলা বসে। সাম্প্রদায়িক সহিংসতার এক বছর পর আবার উৎসব মুখর হয়ে ওঠলো পুরাকীর্তি ও প্রতœতাত্তিক নিদর্শনের পুণ্যভুমি রামু।

বিকেল ৩ টায় রামু ফকিরা বাজারের পূর্ব পাশে বাঁকখালী নদী বালুচরে কেন্দ্রীয় প্রবারণা ও জাহাজ ভাসা উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক জ্যোতির্ময় বড়–য়া রিগ্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উদ্বোধক ছিলেন রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্য পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের, টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব ও রাজনীতিবদ আসাদুজ্জামান নুর এমপি, প্রধান আলোচক ছিলেন  জেলা প্রশাসক মোঃ রুহুল আমিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আজাদ মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার, ৫০ বিজিবি রামু’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল তানভীর আহমেদ জায়গীরদার, কক্সবাজার ডিবি ওসি মঞ্জুরুল আলম, লেঃ কর্ণেল এর প্রতিনিধি ফুয়াদ আল ফয়সাল, সোনালী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক  বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা সাইমুম সরওয়ার কমল,  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবুল কালাম, রামু থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের আবাসিক প্রধান প্রজ্ঞানন্দ ভিু, রামু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহমেদুল হক চৌধুরী, রামু প্রেস কাবের উপদেষ্টা দর্পণ বড়–য়া, রামু বৌদ্ধ ঐক্য ও কল্যান পরিষদের সভাপতি প্রবীর বড়–য়া, রামু কেন্দ্রীয় বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন বড়–য়া, নীতিশ বড়–য়া পলক বড়–য়া আপ্পু, দীপকংর বড়–য়া ধীমান, মিথুন বড়–য়া বোথাম, বিপ্লব, স্বপন বড়–য়া, সুরেশ বড়–য়া বাঙ্গালী, মৃনাল বড়–য়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মঙ্গল সূত্রপাঠ করেন , প্রজ্ঞাবোধি থের, চন্দ্র বংশ থের।  অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, সংবাদকর্মী অর্পন বড়–য়া।    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ,সকল ধর্মে শান্তির কথা বলা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পূণ্যভূমি পূরাকীর্র্তি সমৃদ্ধ এলাকা রামু উপজেলা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠানে অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উলেখযোগ্য উপস্থিতির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে রামুতে জাতিগত কোন ভেদাভেদ নেই। তারা  আরো বলেন একটি মাত্র সহিংসতা ঘটনায় রামুর শত বছরের সম্প্রীতি বিনষ্ট হবেনা। অনুষ্ঠানে সামাজিক রাজনৈতিক পারস্পরিক সম্পর্ক ও সম্প্রীতি রায়  সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT