টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ১৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফ:::: টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত ২২ আগষ্ট থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত  ৫ হাজার ১৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান- মিয়ানমার আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ আমদানির অপোয় খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। বন্দরের শ্রমিক সংকট এবং ট্রলারের অভাবে পিঁয়াজ আমদানীতে ব্যবসায়ীরা বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন। এসব সমস্যর কারনে পিঁয়াজ ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে তিগ্রস্থ হচ্ছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। দেশ এবং জাতির স্বার্থে পিঁয়াজের চাহিদা পূরণের ল্েয পিঁয়াজ দ্রুততম আমদানী করা প্রয়োজন বলে পিঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান। উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তবর্তী বাজার সমূহে এর প্রভাব পড়ছেনা। গত ৯ অক্টোবর টেকনাফ পৌর শহর বাজার সমূহে পরিদর্শন করে জানা যায়, পিঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। বাজারে প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কমিটি থাকলেও তা নামে মাত্র। এ কমিটি কাগজে কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে এর কোন প্রতিফলন নেই। ভোক্তারা এর কোন সুফল  পাচ্ছেননা। ব্যবসাীদের  দোকানে পণ্য তালিকা টাংগানোর নিয়ম থাকলেও এ নিয়ম ব্যবায়ীরা কোন মতেই মানছেননা। ফলে ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের কাছ থেকে নিত্য পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছেন। রমজানে পিঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ছিল ৩০/৩৫ টাকা ছিল এবং এক মাস পর হঠাৎ  পিঁয়াজের মূল্য হয়ে যায় ৮০টাকা। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের এক প্রতিনিধি টেকনাফ স্থল বন্দরে ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক বৈঠক হয়। দেশে পিঁয়াজের চাহিদা পূরনের ল্েয ব্যবসায়ীদেরকে মিয়ানমার থেকে ৩ হাজার মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি করার জন্য বলেন। এর পর থেকে টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্যের ব্যবায়ীরা মিয়ানমার থেকে পিঁয়াজ আমদানি প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ প্রতিনিধি গত ৯ অক্টোবর (বুধবার) সকালে টেকনাফ স্থল বন্দরে গিয়ে দেখা যায়- প্রচুর পরিমাণ পিঁয়াজ ট্রাকে লোডিং হচ্ছে। টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশনের কাষ্টমস্ সুপার হুমায়ুন কবিরের সাথে পিঁয়াজ আমদানি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ১ শত ৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গড়ে ১৫০ থেকে ২ শত মেঃ টন পিয়াজ দৈনিক আমদানি হচ্ছে বলে কাস্টমস্ সূত্রে জানা গেছে। সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত ছাড়াই পিঁয়াজ টেকনাফ স্থল বন্দর হতে আমদানি হচ্ছে। তবে বন্দর কর্তৃপ প্রতিকেজি পিয়াজ ৬০ পয়সা বন্দর চার্জ নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন-আখতার ফারুক, মোঃ কাসেম, মোঃ শওকত, মোঃ আবদুল মান্নান, আলহাজ্ব মোঃ হাসেম মেম্বার ও মোঃ কামাল উদ্দিন চৌধুরী সীমান্ত বানিজ্য ব্যবসায়ী এসব পিঁয়াজ আমদানির করছেন। পেঁয়াজের চাহিদা পূরণ ও মূল্য স্থীতিশীল রাখার ল্েয স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে শুল্কমুক্ত ছাড়াই পিঁয়াজ আমদানি করলেও আমদানিকৃত পিঁয়াজ বাজারে তেমন প্রভাব পড়ছেনা। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট এবং পিঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পিঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যার কারনে ভোক্তারা অতিরিক্ত মূল্যে পিঁয়াজ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন। সম্পূর্ণরূপে শুল্কমুক্ত ছাড়াই আমদানি হলেও  পিঁয়াজের দাম কমছেনা, তা নিয়ে টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় সচেতন ভোক্তাদের মধ্যে এসব প্রশ্ন জাগ্রত হচ্ছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে বেখবর। এদিকে অতিসম্প্রতি টেকনাফ স্থলবন্দর মিলনায়তনে স্থলবন্দর কর্তৃপ ও পিয়াজ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। বোট ও শ্রমিক সংকটের কারণে আমদানীকৃত পিঁয়াজ দ্রুত আমদানী ও খালাস করা যাচ্ছে না।   স্থল বন্দরে পিঁয়াজ বোঝায় জাহাজের জট এবং শ্রমিক সংকট এর কারণে পিঁয়াজ আমদানীতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। ####

আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ আমদানীর অপোয় টেকনাফ বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ১৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফ টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত ২২ আগষ্ট থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত  ৫ হাজার ১৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান- মিয়ানমার আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ আমদানির অপোয় খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। বন্দরের শ্রমিক সংকট এবং ট্রলারের অভাবে পিঁয়াজ আমদানীতে ব্যবসায়ীরা বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন। এসব সমস্যর কারনে পিঁয়াজ ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে তিগ্রস্থ হচ্ছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। দেশ এবং জাতির স্বার্থে পিঁয়াজের চাহিদা পূরণের ল্েয পিঁয়াজ দ্রুততম আমদানী করা প্রয়োজন বলে পিঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান। উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তবর্তী বাজার সমূহে এর প্রভাব পড়ছেনা। গত ৯ অক্টোবর টেকনাফ পৌর শহর বাজার সমূহে পরিদর্শন করে জানা যায়, পিঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। বাজারে প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কমিটি থাকলেও তা নামে মাত্র। এ কমিটি কাগজে কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে এর কোন প্রতিফলন নেই। ভোক্তারা এর কোন সুফল  পাচ্ছেননা। ব্যবসাীদের  দোকানে পণ্য তালিকা টাংগানোর নিয়ম থাকলেও এ নিয়ম ব্যবায়ীরা কোন মতেই মানছেননা। ফলে ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের কাছ থেকে নিত্য পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছেন। রমজানে পিঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ছিল ৩০/৩৫ টাকা ছিল এবং এক মাস পর হঠাৎ  পিঁয়াজের মূল্য হয়ে যায় ৮০টাকা। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের এক প্রতিনিধি টেকনাফ স্থল বন্দরে ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক বৈঠক হয়। দেশে পিঁয়াজের চাহিদা পূরনের ল্েয ব্যবসায়ীদেরকে মিয়ানমার থেকে ৩ হাজার মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি করার জন্য বলেন। এর পর থেকে টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্যের ব্যবায়ীরা মিয়ানমার থেকে পিঁয়াজ আমদানি প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ প্রতিনিধি গত ৯ অক্টোবর (বুধবার) সকালে টেকনাফ স্থল বন্দরে গিয়ে দেখা যায়- প্রচুর পরিমাণ পিঁয়াজ ট্রাকে লোডিং হচ্ছে। টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশনের কাষ্টমস্ সুপার হুমায়ুন কবিরের সাথে পিঁয়াজ আমদানি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ১ শত ৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গড়ে ১৫০ থেকে ২ শত মেঃ টন পিয়াজ দৈনিক আমদানি হচ্ছে বলে কাস্টমস্ সূত্রে জানা গেছে। সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত ছাড়াই পিঁয়াজ টেকনাফ স্থল বন্দর হতে আমদানি হচ্ছে। তবে বন্দর কর্তৃপ প্রতিকেজি পিয়াজ ৬০ পয়সা বন্দর চার্জ নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন-আখতার ফারুক, মোঃ কাসেম, মোঃ শওকত, মোঃ আবদুল মান্নান, আলহাজ্ব মোঃ হাসেম মেম্বার ও মোঃ কামাল উদ্দিন চৌধুরী সীমান্ত বানিজ্য ব্যবসায়ী এসব পিঁয়াজ আমদানির করছেন। পেঁয়াজের চাহিদা পূরণ ও মূল্য স্থীতিশীল রাখার ল্েয স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে শুল্কমুক্ত ছাড়াই পিঁয়াজ আমদানি করলেও আমদানিকৃত পিঁয়াজ বাজারে তেমন প্রভাব পড়ছেনা। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট এবং পিঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পিঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যার কারনে ভোক্তারা অতিরিক্ত মূল্যে পিঁয়াজ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন। সম্পূর্ণরূপে শুল্কমুক্ত ছাড়াই আমদানি হলেও  পিঁয়াজের দাম কমছেনা, তা নিয়ে টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় সচেতন ভোক্তাদের মধ্যে এসব প্রশ্ন জাগ্রত হচ্ছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে বেখবর। এদিকে অতিসম্প্রতি টেকনাফ স্থলবন্দর মিলনায়তনে স্থলবন্দর কর্তৃপ ও পিয়াজ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। বোট ও শ্রমিক সংকটের কারণে আমদানীকৃত পিঁয়াজ দ্রুত আমদানী ও খালাস করা যাচ্ছে না।   স্থল বন্দরে পিঁয়াজ বোঝায় জাহাজের জট এবং শ্রমিক সংকট এর কারণে পিঁয়াজ আমদানীতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। ####

আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ আমদানীর অপোয় টেকনাফ বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ১৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফ টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত ২২ আগষ্ট থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত  ৫ হাজার ১৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান- মিয়ানমার আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ আমদানির অপোয় খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। বন্দরের শ্রমিক সংকট এবং ট্রলারের অভাবে পিঁয়াজ আমদানীতে ব্যবসায়ীরা বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন। এসব সমস্যর কারনে পিঁয়াজ ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে তিগ্রস্থ হচ্ছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। দেশ এবং জাতির স্বার্থে পিঁয়াজের চাহিদা পূরণের ল্েয পিঁয়াজ দ্রুততম আমদানী করা প্রয়োজন বলে পিঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান। উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তবর্তী বাজার সমূহে এর প্রভাব পড়ছেনা। গত ৯ অক্টোবর টেকনাফ পৌর শহর বাজার সমূহে পরিদর্শন করে জানা যায়, পিঁয়াজের কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। বাজারে প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কমিটি থাকলেও তা নামে মাত্র। এ কমিটি কাগজে কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে এর কোন প্রতিফলন নেই। ভোক্তারা এর কোন সুফল  পাচ্ছেননা। ব্যবসাীদের  দোকানে পণ্য তালিকা টাংগানোর নিয়ম থাকলেও এ নিয়ম ব্যবায়ীরা কোন মতেই মানছেননা। ফলে ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের কাছ থেকে নিত্য পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছেন। রমজানে পিঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ছিল ৩০/৩৫ টাকা ছিল এবং এক মাস পর হঠাৎ  পিঁয়াজের মূল্য হয়ে যায় ৮০টাকা। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের এক প্রতিনিধি টেকনাফ স্থল বন্দরে ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক বৈঠক হয়। দেশে পিঁয়াজের চাহিদা পূরনের ল্েয ব্যবসায়ীদেরকে মিয়ানমার থেকে ৩ হাজার মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি করার জন্য বলেন। এর পর থেকে টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্যের ব্যবায়ীরা মিয়ানমার থেকে পিঁয়াজ আমদানি প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ প্রতিনিধি গত ৯ অক্টোবর (বুধবার) সকালে টেকনাফ স্থল বন্দরে গিয়ে দেখা যায়- প্রচুর পরিমাণ পিঁয়াজ ট্রাকে লোডিং হচ্ছে। টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশনের কাষ্টমস্ সুপার হুমায়ুন কবিরের সাথে পিঁয়াজ আমদানি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার ১ শত ৬৯.৮৭৫ মেঃ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গড়ে ১৫০ থেকে ২ শত মেঃ টন পিয়াজ দৈনিক আমদানি হচ্ছে বলে কাস্টমস্ সূত্রে জানা গেছে। সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত ছাড়াই পিঁয়াজ টেকনাফ স্থল বন্দর হতে আমদানি হচ্ছে। তবে বন্দর কর্তৃপ প্রতিকেজি পিয়াজ ৬০ পয়সা বন্দর চার্জ নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন-আখতার ফারুক, মোঃ কাসেম, মোঃ শওকত, মোঃ আবদুল মান্নান, আলহাজ্ব মোঃ হাসেম মেম্বার ও মোঃ কামাল উদ্দিন চৌধুরী সীমান্ত বানিজ্য ব্যবসায়ী এসব পিঁয়াজ আমদানির করছেন। পেঁয়াজের চাহিদা পূরণ ও মূল্য স্থীতিশীল রাখার ল্েয স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে শুল্কমুক্ত ছাড়াই পিঁয়াজ আমদানি করলেও আমদানিকৃত পিঁয়াজ বাজারে তেমন প্রভাব পড়ছেনা। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট এবং পিঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পিঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যার কারনে ভোক্তারা অতিরিক্ত মূল্যে পিঁয়াজ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছেন। সম্পূর্ণরূপে শুল্কমুক্ত ছাড়াই আমদানি হলেও  পিঁয়াজের দাম কমছেনা, তা নিয়ে টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় সচেতন ভোক্তাদের মধ্যে এসব প্রশ্ন জাগ্রত হচ্ছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে বেখবর। এদিকে অতিসম্প্রতি টেকনাফ স্থলবন্দর মিলনায়তনে স্থলবন্দর কর্তৃপ ও পিয়াজ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দরে ৩০ হাজার বস্তা পিঁয়াজ খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। বোট ও শ্রমিক সংকটের কারণে আমদানীকৃত পিঁয়াজ দ্রুত আমদানী ও খালাস করা যাচ্ছে না।   স্থল বন্দরে পিঁয়াজ বোঝায় জাহাজের জট এবং শ্রমিক সংকট এর কারণে পিঁয়াজ আমদানীতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। ####

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT