টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ উপজেলা পিআইও দপ্তরটি অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৩
  • ১০৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জিয়াবুল হক,টেকনাফ ::::টেকনাফ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরটি অনিয়ম ও দুর্নীতির এক আখড়ায় পরিনত হয়েছে। এ দপ্তরের চেইন অব কমান্ড একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ দপ্তর থেকে কাংখিত সেবা পাচ্ছেননা। পাচ্ছেন শুধু হয়রানী বঞ্চনা ও লাঞ্চনা। বলতে গেলে এ দপ্তরে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের কোন মূল্য নেই। এ দপ্তরে যে সব অনিয়ম, দুর্নীতি ও মতা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাবিখা ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় গ্রামীন অবকাঠানো খাতে বিভিন্ন প্রকল্প ও অতিদ্ররিদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্প ইত্যাদি। জানা যায়, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার ৬ ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দের কাবিখা কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় যে সব প্রকল্প এবং অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজনের ৪ হাজার ৭৩ জন শ্রমিকের আওতায় ৩ কোটি টাকা সহ অন্যান্য প্রকল্পের অধীনে গেল অর্থ বছরে প্রায় ৫ কোটি বরাদ্ধ দিয়েছিল। এ সব প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ এ দপ্তর কর্তৃক ব্যাপক হরিলুটের শিকার হয়েছে এতে সৌদি দুববার মাংস ও খেজুর পর্যন্ত রেহায় পায়নি। যদি ও এসব হতদরিদ্রের জন্য আসলে ও পেয়েছেন বিত্তবান লোকেরা। আজ এসব বিষয় নিয়ে সীমান্ত এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এখানে যোগদান করার পর থেকে অনিয়ম দুর্নীতি ও মতার অপব্যবহার নিয়মে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় এমপির নাম ভাংগিয়ে সে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায় করছে। উল্লেখ্য, উক্ত কর্মকর্তা তার পূর্বের চাকুরীর জীবনে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির স্বার্থে জড়িত হয়ে তাকে শাস্তিমূলক এখানে বদলী করেন। কিন্তু এ বদ অভ্যাস তিনি এখনো ছাড়েননী। প্রশ্ন উঠেছে কার খুটির জোরে তিনি জনগণের হক নিয়ে অপকর্ম করে যাচ্ছেন? অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসূজন প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ৭৩ শ্রমিকের শ্রমের ন্যায্য অধিকার প্রায় ৩ কোটি টাকা সিংহভাগ টাকা জনপ্রতিনিধি আমলা ও দলীয় লোকদের পকেটে চলে গেছে। এ কাজ তদারকী করার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় (ইজিপি) অধীনে ফিল্ড সুপারভাইজার জনৈক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিলে ও তিনি ও একই অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। এ দুই কর্তার কারনে টেকনাফে গ্রামীন অবকাঠামোর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ভেস্তে গেছে। যার কোন দূষ্টান্ত খুজে পাওয়া যাবেনা, এমন মন্তব্য করছেন সীমান্ত এলাকার সচেতন মহল। যেমন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ার ঘোনা এলাকায় প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যায়ে ব্রীজটি অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় শেষ হয়েছে। যাহা নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদপত্রে লেখালেখি হলে ও এতে কোন কাজ হয়নি। টেকনাফ উপজেলা আঃ লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর কাছে এ প্রসংগে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ দপ্তরটি অনিয়মও দুর্নীতির আখড়া নয় বরং মহোৎসবে পরিনত হয়েছে। জনগণের হক তাদের পকেটে চলে গেছে। সরকারের বদনাম ও বেকায়দায় ফেলার জন্য এ দপ্তরটি অনেকাংশে দায়ী। কেননা সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প এ দপ্তর বাস্তবায়ন করে থাকেন। ####

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT