হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারিরা হুশিয়ার: পুলিশ সুপার

জসিম মাহমুদ::

কক্সবাজারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি জেলার বাঘাইছড়ির ঘটনা কেউ পুনরাবৃত্তির কোন চিন্তা করলে সেটা হবে মারাত্মক ভুল। এধরনের চিন্তা করার আগেই আইনের কঠিন পরিণতি ভোগ করার জন্য তাদের তৈরী থাকতে হবে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যে কোন ধরণের সন্ত্রাস সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীদের উদ্দ্যেশে এই হুশিয়ারী প্রদান করেন। তিনি বলেন, গত ১৮ মার্চ চকরিয়া উপজেলায় যে ভাবে নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে- জেলার অন্যান্য উপজেলা গুলোতেও অনুরূপ পরিবেশে ভোট গ্রহন করা হবে ইনশাল্লাহ্।

শুক্রবার ২২ মার্চ বিকেলে টেকনাফ উপজেলার বাহারছরা ইউনিয়নের শামলাপুর বাজারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বিপিএম-বার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাদক, জঙ্গী ও সন্ত্রাস বিরোধী এক সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম ইয়াবাবাজ, ইয়াবাবাজদের পৃষ্টপোষকতাকারী, ইয়াবাবাজদের আত্মীয়স্বজন, যে কোনভাবেই হোক ইয়াবাবাজদের সহায়তাকারীদের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী থাকলে তাদের ভোট নাদেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন-তারা দেশ ও জণগণের শত্রু। ইয়াবাবাজদের ভোট দেয়া মানেই নিজের দেশের সাথে নিজেই শত্রুতা করা। তিনি ইয়াবা ও হুন্ডিবাজদের আবারো আত্মসমর্পনের আহবান জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ নাকরলে তাদের চুড়ান্ত পরিনতি ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন-টেকনাফের দু’লক্ষাধিক মানুষ রয়েছে। তারমধ্যে, সর্বোচ্চ মাত্র দু’হাজার মানুষ ইয়াবাবাজী ও হুন্ডিবাজীতে জড়িত। দেশের ১৬ কোটি মানুষ ও রাষ্ট্র মাত্র এই ২ হাজার মানুষের কাছে কখনো জিম্মি থাকতে পারেনা। এখানে ইয়াবাবাজ ও হুন্ডিবাজদের সুষ্ঠুভাবে এখানে বসবাস করতে দেয়া হবেনা। কারণ ভালমানুষ আর ইয়াবাবাজ একসাথে থাকতে পারেনা। তিনি বলেন- এখানে হয়, ভাল মানুষ থাকবে-নাহয় ইয়াবা ও হুন্ডিবাজ থাকবে। এখানকার অনেক নামীদামী মানুষ মুখোশ পড়ে ইবাবাবাজী ও হুন্ডিবাজি করছে। তাদের হাড়ির খবরও পুলিশের কাছে রয়েছে। এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম বলেন-স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তার এলাকার মানুষ কে কি কাজ করে, কোথায় যায়, কিজন্য যায়-সবই জানে। তাদের অনেকেই ভোট ও আর্থিক সুবিধা পাওয়ার লোভে ইচ্ছে করেই ইয়াবা ও হুন্ডিবাজদের তথ্য দিচ্ছেনা। জনপ্রতিনিধিরা যদি ইয়াবা ও হুন্ডিবাজদের বিষয়ে রাষ্ট্রকে তথ্য দিয়ে সহায়তা নাকরে তাহলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন-টেকনাফের মানুষ এখন নিজেদের টেকনাফের নাগরিক হিসাবে পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করে। আর যদি টেকনাফ ও আশেপাশের এলাকাকে ইয়াবা, হুন্ডি ও মাদকমুক্ত করা যায়-তাহলে ইয়াবানগরী হিসাবে টেকনাফের দুর্নাম অনেকটা ঘুুছে যাবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.