টেকনাফে ১ ডাক্তার এবং ২ শিক্ষার্থী ডেঙ্গু আক্রান্ত

প্রকাশ: ৮ আগস্ট, ২০১৯ ১১:৪৮ : অপরাহ্ণ

 

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ … টেকনাফে ১ জন ডাক্তার এবং ২ ছাত্রের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। ছাত্র ২ জন হচ্ছে টেকনাফ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড জালিয়াপাড়া এলাকার মো. হোসেনের ছেলে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্র মাহবুবুর রহমান (১৭) এবং নতুন পল্লানপাড়া এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে পল্লানপাড়া মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র মো. রাশেদ (১১)। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ডাক্তার হলেন টেকনাফ হাসপাতালেই কর্মরত সুলতানা রাজিয়া সুমি (২৪)। সুমি বগুড়া জেলা সদর এলাকার শাকিল আহমদের স্ত্রী।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষার পর ৩ জনের শরীরে ডেঙ্গুর অস্থিত্ব ধরা পড়ে। এনিয়ে টেকনাফে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৬ জনে। টেকনাফে এর আগে আরও ৩ জনের শরীরে ডেঙ্গু ধরা পড়েছিল। মৃত্যুবরণ করেছেন একজন।
দুই ছাত্রের অভিভাবক জানান, অসুস্থতার কারণে বুধবার থেকে দুইজনই ২য় সাময়িক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারেননি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্যাথলজি সেন্টারে পরীক্ষা করে তাদের শরীরে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।
এদিকে সুলতানা রাজিয়া সুমি (২৪) নামে এক উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বৃহস্পতিবার ৮ আগস্ট বিকালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে পরীক্ষায় ধরা পড়ে। সুলতানা রাজিয়া সুমি ইউনিসেফের সহায়তায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোরে আইএমজিআই কর্ণারে কাজ করেন এবং হাসপাতাল কোয়ার্টারে বসবাস করেন। বর্তমানে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ প্রণয় রুদ্রের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মেডিকেল অফিসার ডাঃ প্রণয় রুদ্র বলেন, ‘বর্তমানে সুলতানা রাজিয়া সুমি নরমাল পজিশনে রয়েছেন। সুলতানা রাজিয়া সুমি বগুড়া জেলা সদর এলাকার শাকিল আহমদের স্ত্রী’।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুমন বড়–য়া সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রাথমিক ভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন পাওয়া গেছে। আরো পরিক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। অবস্থা বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে’। ##


সর্বশেষ সংবাদ