টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে কোস্টগার্ড স্টেশনের প্রশাসনিক ভবন অফিসার্স মেস ও নাবিক নিবাস উদ্বোধন টেকনাফে সার্জিক্যাল ডটকম এর পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রাজারবাগের পীরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার নির্দেশ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ১০ হাজার ৮৪০ প্যাকেট চাইনিজ সিগারেটসহ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ হাইকোর্টের সেকশন থেকে রাজারবাগ পীরের বিরুদ্ধে করা মামলার নথি গায়েব জাওয়াদে উত্তাল সমুদ্র: সেন্টমার্টিনে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : প্রভাব বাংলাদেশে, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রবালদ্বীপের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালম ইন্তেকাল আজ সোমবার সূর্যগ্রহণ বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা ৭ মিনিট পর্যন্ত

টেকনাফে হঠাৎ পাহাড় ফেটে দু’ভাগ: অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল অর্ধশতাধিক মানুষ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১২
  • ২৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মমতাজুল ইসলাম মনু টেকনাফ
মধ্যরাত তখন। প্রতিদিনের মতো ক্লান্ত শরীর নিয়ে বিছানায় নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমে আচ্ছন্ন সবাই। ঠিক ওই সময় দুনিয়া ফাঁটা হঠাৎ এক বিকট শব্দে তাৎক্ষণিক ঘুম ভেঙ্গে যায় গ্রামবাসীর। ঘর থেকে বেরিয়ে এসে দেখে তাদের বিশাল টিলা পাহাড়টি বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেটে দু’ভাগ হয়ে আছে। কিন্তু কি করে এটি হলো। পাশের একই রকম পাহাড় তার জায়গায় সকাল দুপুরে যেমনই ছিল তেমনই আছে। কিন্তু অদৃশ্যমান প্রকৃতির লীলায় পাহাড় হয়ে যায় দু’ভাগ। আর পাহাড়ে বসবাসকারী শত শত মানুষ প্রাণে বেঁচে যায় কুতরতের ইশারায়। দুর্ঘটনাটি ঘটে ১৪ নভেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টায় টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা পশ্চিম সিকদারপাড়ার  মোরা পাড়ার আবু শামার পুত্র ফকিরের নির্জন পাহাড়ে। ঘটনাস্থলের অবস্থান হ্নীলা ষ্টেশন থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন- বুধবার গভীর রাতে বিকট শব্দে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। এমনি পাহাড়বাসীদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। রাত ব্যাপী এক অজানা আতংক বিরাজ করছিল গ্রাম জুড়ে। পরের দিন ভোরে দুর্ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকার শতশত লোক দেখতে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান-পুরো পাহাড় ফেটে দু’ভাগ হয়ে গেছে। পাহাড়ের পাদদেশে উত্তর ও পুর্ব পাশে দশটি পরিবারের বসতি রয়েছে। এতে নারী শিশুসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক লোক বসবাস করে। পাহাড় ধ্বসের এ ঘটনায় এসব বাসিন্দারা প্রাণে বেঁচে গেলেও এক ভয়াবহ ঝুঁকিতে বসবাস করছে বর্তমানে তারা। স্থানীয় আরো জানায়, বহুদিন থেকে টেকনাফে কোন ঝড়,বৃষ্টি কিংবা ভূমিকম্প অনুভূত হয়নি। কিন্তু প্রকৃতির কোন বিপর্যয় ছাড়া একটি পাহাড় এভাবে দু’ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণ খোঁজে পাচ্ছেন না তারা। পাহাড় ধ্বসের চৌচিরময় দৃশ্য দেখে অনেকে ধারণা করছেন-এখানে যে কোন সময় বড় ধরনের বিপদের আশংকা রয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। ===

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT