টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপের মানুষের ঈদ আনন্দ নিষ্ফল :বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৩
  • ২০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

teknaf pic 25-5-2013 (1)নুর হাকিম আনোয়ার, টেকনাফ####বেড়িবাঁধের ভয়াবহ ভাঙ্গন ও শাহপরীরদ্বীপ -টেকনাফ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপের ৪০ হাজার মানুষ তৃতীয় বারের মত এবারেও ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত রয়েছে। সত্যিকার অর্থে ঈদ উৎসব বা বছর ঘুরে আশা ঈদের আনন্দ বলতে যা বোঝায়, তা শাহপরীরদ্বীপবাসীর মধ্যে নেই। দ্বীপবাসীর রাত-দিন কাটচ্ছে ঈদের আনন্দে নয়, ভাঙ্গন আতংকে। সেই সাথে যুক্ত হয়েছে গত এক বছর ধরে জোড়া না লাগা চরম ভোগান্তির আরেক নাম শাহপরীরদ্বীপ -টেকনাফ সড়ক। বছর ঘুরে ঈদ আসে। ঈদের আনন্দ ও উৎসব পালনে মানুষ একবছর ধরেই প্রস্তুতি ও অপোয় থাকে। কিন্তু শাহপরীরদ্বীপ ঘুরে দেখা গেছে- কারো মূখে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি নেই। সর্ববয়সী মানুষের মূখে বেদনার এই করুনচিত্র স্বচে না দেখলে বুঝা কঠিন। গতবছর ৩ জুলাই শাহপরীরদ্বীপের পশ্চিম অংশে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্থ হয়ে সাগরের পানি ঢুকে ঢেউয়ের আঘাতে শাহপরীরদ্বীপ -টেকনাফ সড়কটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙ্গে গিয়ে যানবাহন চলাচল বিচ্ছিন্ন  হয়ে গিয়েছিল। এরপর গত একবছর ধরে এ সড়ক পথে শাহপরীরদ্বীপের মানুষ যাতায়াত করেছে নৌকা ও স্পীডবোট যোগে। বিধ্বস্থ বেড়িবাঁধ পূনঃ নির্মাণ ও বিচ্ছিন্ন সড়ক সংস্কারের দাবীতে শাহপরীরদ্বীপের মানুষ বিভিন্ন সংগঠন সর্বদলীয় ব্যানারে আবেদন, স্মারকলিপি পেশ, মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ইত্যাদির মাধ্যমে দাবী আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। কিন্তু গত এক বছরে এই আন্দোলনের কোন সুফল শাহপরীরদ্বীপ বাসী দেখেনি। শাহপরীরদ্বীপ বাসিন্দাদের একটাই কথা-“ যেখানে ঠিকমত ইফতারী-সেহরী খেতে পারছিনা, সেখানে আবার ঈদের আনন্দ কিসের? আমাদের জন্য ঈদের আনন্দ বলতে কিছুই নেই”। শাহপরীরদ্বীপের পশ্চিমের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগের একমাত্র সড়কটি ভেঙ্গে এটি এখন দ্বীপে পরিণত হয়েছে।  যোগাযোগের  সড়কটি প্রায় ৬ ফুট পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় মানুষ নৌকা যোগে পারাপার করছে । বর্তমানে শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া এলাকার মানুষের মানবেতর জীবন  যাপন করছে এবং খুবই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারী কোন ত্রাণ ব্যবস্থা না থাকায় নিজ উদ্যোগে বাঁধ নিমাণ করতে দেখা যায়। ডাংগার পাড়া ও উত্তর পাড়া বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে জালিয়া পাড়া এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার পানিতে নিমজ্জিত । অমাবস্যা জো মৌসুমে পানি বৃদ্ধির ফলে জালিয়া পাড়াসহ ৫টি গ্রাম পানিতে ডুবে যায়। এতে এলাকার জানমালের ব্যাপক তি হয়। সরেজমিন গতকাল ৭আগস্ট শাহপরীরদ্বীপের কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে- জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন স্থানে বসতবাড়ি, শিাপ্রতিষ্টান, রাস্তা-ঘাট, চিংড়ি ঘের, পানবরজ, সুপারি বাগান ও ফসলির বীজতলা ডুবে গেছে। বিশেষ করে, টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মাঝেরপাড়া, দণিপাড়া, ঘোলাপাড়া, টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়ক জোয়ারের পানিতে ভরাখাল -উত্তরপাড়া পর্যন্ত ডুবে আছে। এমনকি শাহপরীরদ্বীপ-টেকনাফ সড়ক প্রায় ৬ ফুট পানিতে নিমজ্জিত। সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে অসংখ্য বাড়ি ঘর ভেঙ্গে সাগরে বিলীন হয়ে গিয়েছে। ফলে গৃহহারা হয়ে লাধিক মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া পাড়া এলাকা যেন এখন মানবশূন্য এলাকায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মাটি তেরি ঘর গুলো ধ্বসে পড়ে যাচ্ছে। এখনো পর্যন্ত সরকারী ভাবে কোন ত্রান বিতরণ করা হয়নি। তবে স্থানীয় এমপি ত্রাণ বিতরণ করেছেন। শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া গ্রামের জেলে আবদু শুক্কুর হতাশ হয়ে বলেন, “রমজান মাসের শেষে ঈদের  আনন্দ বলতে  আমাদের কাছে কিছুই নেই। ঘরে জোয়ারের পানি ঢুকে রান্না-বান্না করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে সঠিক সময় সেহেরী-ইফতার করা দুসাধ্য হয়ে পড়েছে। আবার ভাটার সময় সেই পানি নেমে যায়। তাই স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঘরের ভেতর মাঁচা বেঁধে বসবাস করছি।’ এ দুদর্শা থেকে আমরা কবে মুক্ত হব। একই গ্রামের ছৈয়দ আলম বলেন, ‘ কদিন আগেও এখানে আরও ২০-৩০টি বসতবাড়ি ছিল। বেড়িবাধ ভাঙ্গণের কারণে তারা অন্যত্রে চলে যায়। অনেকের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। নৌকাই একমাত্র বাসস্থান। দিনের বেলায় জোয়ারে পানি কোনোমতে সামলানো যায়। কিন্তু রাতে জোয়ার এলে কোথায় আশ্রয় নেব সেটা বুঝে উঠতে পারছি না। এদিকে ইউপি সদস্য সনজিদা বেগম জানিয়েছেন- শাহপরীরদ্বীপে এমপির তহবিল থেকে প্রায় ৩ হাজার পরিবারের মাঝে তেল, চিনি, দুধ, সেমাই,১০কেজি করে  চাল বিতরন করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র থেকে জানা যায়, বঙ্গোপসাগর ও নাফনদীর দুইটি পৃথক স্থানে বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে জোয়ারের পানিতে শাহপরীরদ্বীপ এলাকার অধিকাংশ গ্রামের বসতবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় আরও একাধিক স্থানে নতুন করে বেড়িবাঁধ ও সড়ক ভেঙ্গে গেছে। এতে করে এসব এলাকায় অসংখ্য বসতবাড়ি,রাস্তাঘাট, ফসলি জমি, ধানের বীজতলা ও চিংড়িঘের পানিতে ডুবে গেছে। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়ার ইউপি সদস্য আবদুস সালাম বলেন, বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বেড়িবাঁধের ভাঙনকৃত অংশ  দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে মসজিদ ও বসতবাড়িসহ ১০০-১৫০টি বাড়ী সাগরের বিলিন হয়ে গেছে। পাশাপাশি জোয়ারের পানিতে অধিকাংশ বাড়িঘর ডুবে থাকায় অন্য এলাকার আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। এ বর্ষা মৌসুমে অধিকাংশ এলাকা বঙ্গোপসাগরের করাল গ্রাসে বিলিন হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ এলাকায় পশ্চিমের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় এটি এখন দ্বীপে পরিণত হয়েছে।  যোগাযোগের  সড়কটি প্রায় ৬ ফুট পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় মানুষ নৌকা যোগে পারাপার করছে এবং জালিয়া পাড়ার পূর্ব পাশের একটু বেড়িবাঁধ ভাঙ্গলে গোটা শাহপরীর দ্বীপ বিলীন হওয়ার পথে। বর্তমানে শাহপরীরদ্বীপ জালিয়া এলাকার মানুষের মানবেতর জীবন  যাপন করছে এবং খুবই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারী কোন ত্রাণ ব্যবস্থা না থাকায় নিজ উদ্যোগে বাঁধ নিমাণ করতে দেখা যায়।  একমাত্র ডাংগার পাড়া ও উত্তর পাড়া বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে জালিয়া পাড়া এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার পানিতে নিমজ্জিত । অমাবস্যা জো মৌসুমে পানি বৃদ্ধির ফলে জালিয়া পাড়া এলাকা পানিতে ডুবে যায়। এলাকার জানমালের ব্যাপক তি হয়। সরেজমিন গতকাল ৭আগস্ট শাহপরীরদ্বীপের কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে- জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন স্থানে বসতবাড়ি, শিাপ্রতিষ্টান, রাস্তা-ঘাট, চিংড়ি ঘের, পানবরজ, সুপারি বাগান ও ফসলির বীজতলা ডুবে গেছে। বিশেষ করে, টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মাঝরপাড়া, দণিপাড়া, ঘোলাপাড়া, টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়ক জোয়ারের পানিতে “ভরাখাল -উত্তরপাড়া ” পর্যন্ত ডুবে আছে। এমনকি শাহপরীরদ্বীপ-টেকনাফ সড়ক প্রায় ৬ ফুট পানিতে নিমজ্জিত ও ছিড়ে যাওয়ায় যোগাযোগ এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। প্রয়োজনের তাগিদে স্থানীয় বাসিন্দারা নৌকা নিয়ে দূর্ভোগের মধ্যে পারাপার করছে। এদিকে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামগুলোতে পানি ঢুকায় অধিকাংশ লোকজন উচু স্থানে আশ্রয় ও কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন আতœীয়স্বজনদের বাড়ীতে চলে গেছে।  যার ফলে অর্ধ লাধিক মানুষের বসবাস অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।  জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে অংসখ্য বাড়ি ঘর ভেঙ্গে সাগরে তলিয়ে যাচ্ছে। ফলে গৃহহারা হয়ে লাধিক মানুষ মানবতর জীবন যাপন করছে। মূল্যবান জিনিসপত্র ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। লাখ লাখ টাকার জিনিস পত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়া এলাকা যেন এখন মানবশূন্য এলাকায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মাটি তেরি ঘর গুলো ধ্বসে পড়ে যাচ্ছে। এখনো পর্যন্ত সরকারী ভাবে কোন ত্রান বিতরণ করা হয়নি। তবে স্থানীয় এমপি ত্রাণ বিতরণ করেছে। মূল্যবান জিনিস পত্র হারিয়ে সকলের চোখে যেন কান্নার রুল।  আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকলে ও লোকসংখ্যা অনুপাতে  জায়গা সংকোলান হচ্ছেনা। স্ইাকোন শ্লেন্টারের দেিণ বেড়িবাঁধ ব্যাপক ভাঙ্গণ ধরেছ্ ে। জালিয়া পাড়া মসজিদ, মাদাসা, আনন্দ স্কুল সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে বিলীন হয়ে গেছ্ ে।  চলাচলের কোন রাস্তা নেই। টেকনাফের জনসাধারণ আশন্বিত ছিল মহাজোট সরকার মতায় আছে অবশ্যই আমাদের বেড়িবাঁধে কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে এলাকাবাসি আশাবাদি ছিল। কিন্তু সবকিছু এক নিমিষে তলিয়ে দিল অত্র এলাকার মানুষের মনের আশা। শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া গ্রামের জেলে আবদু শুক্কুর হতাশ হয়ে বলেন, “রমজানে মাসের শেষে ঈদ আনন্দ আমাদের কাছে নিস্ফল হয়েছে । এদিনে  ঘরে জোয়ারের পানি ঢুকে রান্না-বান্না করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে সঠিক সময় সেহেরী-ইফতার করা দুসাধ্য হয়ে পড়েছে। আবার ভাটার সময় সেই পানি নেমে যায়। তাই স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঘরের ভেতর মাঁচা বেঁধে বসবাস করছি।’ এ দুদর্শা কবে আমাদের কপাল থেকে মুছে যাবে এ প্রশ্ন । একই গ্রামের ছৈয়দ আলম বলেন, ‘ কদিন আগেও এখানে আরও ২০-৩০টি বসতবাড়ি ছিল। বেড়িবাধ ভাঙ্গণের কারণে তারা অন্যত্রে চলে যায়। অনেকের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। নৌকাই একমাত্র বাসস্থান। দিনের বেলায় জোয়ারে পানি কোনোমতে সামলানো যায়। কিন্তু রাতে জোয়ার এলে কোথায় আশ্রয় নেব সেটা বুঝে উঠতে পারছি না। ’           এদিকে ইউপি সদস্য সনজিদা বেগম জানিয়েছেন- শাহপরীরদ্বীপে এমপির তহবিল থেকে প্রায় ৩ হাজার পরিবারের মাঝে তেল, চিনি, দুধ, সেমাই,১০কেজি চাল করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র থেকে জানা যায়, বঙ্গোপসাগর ও নাফনদীর দুইটি পৃথক স্থানে বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে জোয়ারের পানিতে শাহপরীরদ্বীপ এলাকার অধিকাংশ গ্রামের বসতবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় আরও একাধিক স্থানে নতুন করে বেড়িবাঁধ ও সড়ক ভেঙ্গে গেছে। এতে করে এসব এলাকায় অসংখ্য বসতবাড়ি,রাস্তাঘাট, ফসলি জমি, ধানের বীজতলা ও চিংড়িঘের পানিতে ডুবে গেছে। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়ার ইউপি সদস্য আবদুস সালাম বলেন, বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বেড়িবাঁধের ভাঙনকৃত অংশ  দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে মসজিদ ও বসতবাড়িসহ ১০০-১৫০টি বাড়ী সাগরের বিলিন হয়ে গেছে। পাশাপাশি জোয়ারের পানিতে অধিকাংশ বাড়িঘর ডুবে থাকায় অন্য এলাকার আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। এ বর্ষা মৌসুমে অধিকাংশ এলাকা বঙ্গোপসাগরের করাল গ্রাসে বিলিন হয়ে যাবে। পূর্বের একমাত্র বেড়িবাঁধটি সামান্য ভাঙ্গন ধরলে গোটা জালিয়া পাড়া এলাকা বিলীন হয়ে যেতে পারে।   শাহপরীরদ্বীপ উত্তরপাড়ার ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান, বেড়িবাধ ভাঙ্গনের ফলে শাহপরীরদ্বীপের বিভিন্ন অংশ যেভাবে বঙ্গোপসাগরে বিলিন হয়ে যাচ্ছে, এতে তারা চরম দুচিন্তায় আছে কোন সময় সম্পূর্ণ শাহপরীরদ্বীপ বঙ্গোপসাগর গ্রাস করে ফেলে।  পাউবো টেকনাফ অঞ্চলের উপ-সহকারি প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন বলেন, এখন বর্ষা মৌসুমে বেড়িবাধে কোন সংস্কার কাজে হাত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বেড়িবাঁধে নতুন নতুন ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় নাফনদী ও বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়াদি উল্লেখ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিক মিয়া বলেন, এ উপকূলীয় উপজেলায় মানুষকে দীর্ঘ সাত বছর ধরে পূর্ণিমা, অমাবস্যার জোয়ার ও পাহাড়ি ঢলের সাথে যুদ্ধ করে আসছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার তিনটি স্থানে বেড়িবাধ ভেঙ্গে অন্তত আট হাজার পরিবারের প্রায় অর্ধলাধিক মানুষকে প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটায় বসবাস করতে হচ্ছে। কারণ মহাজোট সরকার মতায় আসার পর বর্তমান মতাসীন দলের একজন নেতার প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন ইন্টারন্যশনার উক্ত কাজ পায়। মাত্র দুই থেকে তিন ল টাকার বালু দিয়ে কাজ করে ও লোক দেখানোর জন্য সামান্য বালু পাথর দিয়ে বল্লি তৈরি করেছে এবং বালু দিয়ে ভাঙ্গাংশ গুলো করার শেষ করার  ফলে বালু সরিয়ে নির্মিত বেড়িবাধ ভেঙ্গে সাগরের পানি ঢুকে আগের তুলনায় য়তি এএলাকায় আরো বেশি হয়েছে। উক্ত বেড়িবাঁধে কর্তৃপরে সঠিক তদারকি না থাকায় উক্ত ঠিকাদার কোম্পানি বেড়িবাধটির কাজ করে এক মাস বাঁধটির স্থায়ী রাখতে পারল না। যার ফলে আবারও কস্টের মধ্যে পড়তে হয়েছে শাহপরীরদ্বীপের জনসাধারণকে। এইভাবে কোটি কোটি টাকার দূর্নীতি করে অল্প পরিমাণ কাজ করে শুধু বেড়িবাধ নই প্রতি বছর ৫০/৬০ একর জমি ভেঙ্গে সাগরে তলিয়ে যাচ্ছে।

#########

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT