টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে

টেকনাফে ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় ৪’শ পরিবার জিম্মি:গুলিতে শিশুর চোখ নষ্ট

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৩
  • ৪৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ### wyvvvvvvvvvvvvvvvvvটেকনাফে ঈদের নামাজ শেষে ভূট্রো বাহিনীর প্রকাশ্য এলোপাথারি গুলিতে নিহা মনি(৪) নামে এক শিশু কন্যার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। শিশুটি হচেছ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার কন্যা। ঈদের পর থেকে এ ঘটনায় এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় এখনো জিম্মি হয়ে রয়েছে। এমনকি পরিবারগুলো ঈদের আনন্দ ভোগ করতে পারেনি। প্রতিনিয়ত ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়া দেখে লোকজন বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকা দুইটি সমাজে বিভক্ত হওয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে দুই সমাজ পৃথক ব্যবস্থা নেয়। একটি মসজিদে অন্যটি মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে ঈদের নাযাজ আদায় করে। নামায শেষে স্থানীয় মোঃ ইসলামের ছেলে কামাল পার্শবর্তী কবর জিয়ারত করতে গেলে ভূট্টো বাহিনীর প্রধান এলাকার ত্রাস নুরুল হক ভুট্টো ও গুরা মিয়া অর্তকিত আগ্নেয়াস্ত্র হামলা করলে প্রাণ রার্থে বাড়ির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাকে ল্য করে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ করলে নাজিরপাড়ার এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার ৪ বছরের শিশু কন্যা নিহা মনি গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ নিহা মনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করা হলে একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।  বর্তমানে শিশুটি চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনার সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলেও অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম আতংকে ভুগছে। এদিকে ঈদের দিন ভূট্রো ও গুরা মিয়া বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মহড়ায় ঘটনায় এলাকার ৪’শ পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা বিরাজমান থাকলে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটবে বলে আশংকা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী অবৈধ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনী একের পর এক অপরাধ সংঘঠিত করে আসলেও তারা কোনদিন পুলিশের আওতায় আসেনি। এছাড়া ৫ জুলাই ভুট্টো বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ও লাঠিসোটা নিয়ে টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপ সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে ১৫/২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ, লোকজনকে মারধর ও কার ভাংচুর করে। এসময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ব্যবহারের টেকনাফের কয়েকজন সংবাদকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদেরকে ধাওয়া করে। এর আগেও ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনীর নেতৃত্বে শিলবুনিয়াপাড়ার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত, একই এলাকার কালুর বসত বাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও হাতের আঙ্গুল কেটে নিয়ে ফেলা হয়, একই এলাকার জাফর নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের মাথা ও আরেকজনের কান কেটে নেয়। সাবরাং’র এর এক ব্যক্তির হাতের কব্জি কেটে নেয় এবং  দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার পুতুইন্যার পুত্র মোঃ ইসমাইলকে মাথায় ছুরিকাঘাত সহ একের পর এক নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘঠিত করেছে। এছাড়া এবাহিনীর আয়ত্তে রয়েছে ইয়াবার বিরাট বাজার। এমনকি বিজিবি সদস্যরা এলাকায় ইয়াবা অভিযানে গেলেও এবাহিনী তাদেরকে ধাওয়া করার ঘটনাও ঘঠিয়েছে। একদিকে ইয়াবার অবৈধ টাকা অন্যদিকে অস্ত্রধারী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না ।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গুলিতে শিশুর চোখ নষ্ট
টেকনাফে ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় ৪’শ পরিবার জিম্মি
নিজস্ব প্রতিবেদক ###
টেকনাফে ঈদের নামাজ শেষে ভূট্রো বাহিনীর প্রকাশ্য এলোপাথারি গুলিতে নিহা মনি(৪) নামে এক শিশু কন্যার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। শিশুটি হচেছ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার কন্যা। ঈদের পর থেকে এ ঘটনায় এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় এখনো জিম্মি হয়ে রয়েছে। এমনকি পরিবারগুলো ঈদের আনন্দ ভোগ করতে পারেনি। প্রতিনিয়ত ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়া দেখে লোকজন বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকা দুইটি সমাজে বিভক্ত হওয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে দুই সমাজ পৃথক ব্যবস্থা নেয়। একটি মসজিদে অন্যটি মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে ঈদের নাযাজ আদায় করে। নামায শেষে স্থানীয় মোঃ ইসলামের ছেলে কামাল পার্শবর্তী কবর জিয়ারত করতে গেলে ভূট্টো বাহিনীর প্রধান এলাকার ত্রাস নুরুল হক ভুট্টো ও গুরা মিয়া অর্তকিত আগ্নেয়াস্ত্র হামলা করলে প্রাণ রার্থে বাড়ির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাকে ল্য করে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ করলে নাজিরপাড়ার এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার ৪ বছরের শিশু কন্যা নিহা মনি গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ নিহা মনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করা হলে একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।  বর্তমানে শিশুটি চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনার সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলেও অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম আতংকে ভুগছে। এদিকে ঈদের দিন ভূট্রো ও গুরা মিয়া বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মহড়ায় ঘটনায় এলাকার ৪’শ পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা বিরাজমান থাকলে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটবে বলে আশংকা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী অবৈধ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনী একের পর এক অপরাধ সংঘঠিত করে আসলেও তারা কোনদিন পুলিশের আওতায় আসেনি। এছাড়া ৫ জুলাই ভুট্টো বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ও লাঠিসোটা নিয়ে টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপ সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে ১৫/২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ, লোকজনকে মারধর ও কার ভাংচুর করে। এসময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ব্যবহারের টেকনাফের কয়েকজন সংবাদকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদেরকে ধাওয়া করে। এর আগেও ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনীর নেতৃত্বে শিলবুনিয়াপাড়ার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত, একই এলাকার কালুর বসত বাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও হাতের আঙ্গুল কেটে নিয়ে ফেলা হয়, একই এলাকার জাফর নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের মাথা ও আরেকজনের কান কেটে নেয়। সাবরাং’র এর এক ব্যক্তির হাতের কব্জি কেটে নেয় এবং  দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার পুতুইন্যার পুত্র মোঃ ইসমাইলকে মাথায় ছুরিকাঘাত সহ একের পর এক নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘঠিত করেছে। এছাড়া এবাহিনীর আয়ত্তে রয়েছে ইয়াবার বিরাট বাজার। এমনকি বিজিবি সদস্যরা এলাকায় ইয়াবা অভিযানে গেলেও এবাহিনী তাদেরকে ধাওয়া করার ঘটনাও ঘঠিয়েছে। একদিকে ইয়াবার অবৈধ টাকা অন্যদিকে অস্ত্রধারী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না ।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গুলিতে শিশুর চোখ নষ্ট
টেকনাফে ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় ৪’শ পরিবার জিম্মি
নিজস্ব প্রতিবেদক ###
টেকনাফে ঈদের নামাজ শেষে ভূট্রো বাহিনীর প্রকাশ্য এলোপাথারি গুলিতে নিহা মনি(৪) নামে এক শিশু কন্যার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। শিশুটি হচেছ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার কন্যা। ঈদের পর থেকে এ ঘটনায় এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় এখনো জিম্মি হয়ে রয়েছে। এমনকি পরিবারগুলো ঈদের আনন্দ ভোগ করতে পারেনি। প্রতিনিয়ত ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়া দেখে লোকজন বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকা দুইটি সমাজে বিভক্ত হওয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে দুই সমাজ পৃথক ব্যবস্থা নেয়। একটি মসজিদে অন্যটি মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে ঈদের নাযাজ আদায় করে। নামায শেষে স্থানীয় মোঃ ইসলামের ছেলে কামাল পার্শবর্তী কবর জিয়ারত করতে গেলে ভূট্টো বাহিনীর প্রধান এলাকার ত্রাস নুরুল হক ভুট্টো ও গুরা মিয়া অর্তকিত আগ্নেয়াস্ত্র হামলা করলে প্রাণ রার্থে বাড়ির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাকে ল্য করে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ করলে নাজিরপাড়ার এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার ৪ বছরের শিশু কন্যা নিহা মনি গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ নিহা মনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করা হলে একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।  বর্তমানে শিশুটি চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনার সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলেও অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম আতংকে ভুগছে। এদিকে ঈদের দিন ভূট্রো ও গুরা মিয়া বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মহড়ায় ঘটনায় এলাকার ৪’শ পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা বিরাজমান থাকলে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটবে বলে আশংকা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী অবৈধ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনী একের পর এক অপরাধ সংঘঠিত করে আসলেও তারা কোনদিন পুলিশের আওতায় আসেনি। এছাড়া ৫ জুলাই ভুট্টো বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ও লাঠিসোটা নিয়ে টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপ সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে ১৫/২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ, লোকজনকে মারধর ও কার ভাংচুর করে। এসময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ব্যবহারের টেকনাফের কয়েকজন সংবাদকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদেরকে ধাওয়া করে। এর আগেও ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনীর নেতৃত্বে শিলবুনিয়াপাড়ার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত, একই এলাকার কালুর বসত বাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও হাতের আঙ্গুল কেটে নিয়ে ফেলা হয়, একই এলাকার জাফর নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের মাথা ও আরেকজনের কান কেটে নেয়। সাবরাং’র এর এক ব্যক্তির হাতের কব্জি কেটে নেয় এবং  দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার পুতুইন্যার পুত্র মোঃ ইসমাইলকে মাথায় ছুরিকাঘাত সহ একের পর এক নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘঠিত করেছে। এছাড়া এবাহিনীর আয়ত্তে রয়েছে ইয়াবার বিরাট বাজার। এমনকি বিজিবি সদস্যরা এলাকায় ইয়াবা অভিযানে গেলেও এবাহিনী তাদেরকে ধাওয়া করার ঘটনাও ঘঠিয়েছে। একদিকে ইয়াবার অবৈধ টাকা অন্যদিকে অস্ত্রধারী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না ।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গুলিতে শিশুর চোখ নষ্ট
টেকনাফে ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় ৪’শ পরিবার জিম্মি
নিজস্ব প্রতিবেদক ###
টেকনাফে ঈদের নামাজ শেষে ভূট্রো বাহিনীর প্রকাশ্য এলোপাথারি গুলিতে নিহা মনি(৪) নামে এক শিশু কন্যার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। শিশুটি হচেছ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার কন্যা। ঈদের পর থেকে এ ঘটনায় এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় এখনো জিম্মি হয়ে রয়েছে। এমনকি পরিবারগুলো ঈদের আনন্দ ভোগ করতে পারেনি। প্রতিনিয়ত ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়া দেখে লোকজন বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকা দুইটি সমাজে বিভক্ত হওয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে দুই সমাজ পৃথক ব্যবস্থা নেয়। একটি মসজিদে অন্যটি মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে ঈদের নাযাজ আদায় করে। নামায শেষে স্থানীয় মোঃ ইসলামের ছেলে কামাল পার্শবর্তী কবর জিয়ারত করতে গেলে ভূট্টো বাহিনীর প্রধান এলাকার ত্রাস নুরুল হক ভুট্টো ও গুরা মিয়া অর্তকিত আগ্নেয়াস্ত্র হামলা করলে প্রাণ রার্থে বাড়ির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাকে ল্য করে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ করলে নাজিরপাড়ার এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার ৪ বছরের শিশু কন্যা নিহা মনি গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ নিহা মনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করা হলে একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।  বর্তমানে শিশুটি চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনার সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলেও অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম আতংকে ভুগছে। এদিকে ঈদের দিন ভূট্রো ও গুরা মিয়া বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মহড়ায় ঘটনায় এলাকার ৪’শ পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা বিরাজমান থাকলে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটবে বলে আশংকা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী অবৈধ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনী একের পর এক অপরাধ সংঘঠিত করে আসলেও তারা কোনদিন পুলিশের আওতায় আসেনি। এছাড়া ৫ জুলাই ভুট্টো বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ও লাঠিসোটা নিয়ে টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপ সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে ১৫/২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ, লোকজনকে মারধর ও কার ভাংচুর করে। এসময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ব্যবহারের টেকনাফের কয়েকজন সংবাদকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদেরকে ধাওয়া করে। এর আগেও ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনীর নেতৃত্বে শিলবুনিয়াপাড়ার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত, একই এলাকার কালুর বসত বাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও হাতের আঙ্গুল কেটে নিয়ে ফেলা হয়, একই এলাকার জাফর নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের মাথা ও আরেকজনের কান কেটে নেয়। সাবরাং’র এর এক ব্যক্তির হাতের কব্জি কেটে নেয় এবং  দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার পুতুইন্যার পুত্র মোঃ ইসমাইলকে মাথায় ছুরিকাঘাত সহ একের পর এক নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘঠিত করেছে। এছাড়া এবাহিনীর আয়ত্তে রয়েছে ইয়াবার বিরাট বাজার। এমনকি বিজিবি সদস্যরা এলাকায় ইয়াবা অভিযানে গেলেও এবাহিনী তাদেরকে ধাওয়া করার ঘটনাও ঘঠিয়েছে। একদিকে ইয়াবার অবৈধ টাকা অন্যদিকে অস্ত্রধারী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না ।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গুলিতে শিশুর চোখ নষ্ট
টেকনাফে ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় ৪’শ পরিবার জিম্মি
নিজস্ব প্রতিবেদক ###
টেকনাফে ঈদের নামাজ শেষে ভূট্রো বাহিনীর প্রকাশ্য এলোপাথারি গুলিতে নিহা মনি(৪) নামে এক শিশু কন্যার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। শিশুটি হচেছ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার কন্যা। ঈদের পর থেকে এ ঘটনায় এলাকার প্রায় ৪’শ পরিবার ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়ায় এখনো জিম্মি হয়ে রয়েছে। এমনকি পরিবারগুলো ঈদের আনন্দ ভোগ করতে পারেনি। প্রতিনিয়ত ভুট্টো ও গুরা মিয়ার অস্ত্রের মহড়া দেখে লোকজন বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকা দুইটি সমাজে বিভক্ত হওয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে দুই সমাজ পৃথক ব্যবস্থা নেয়। একটি মসজিদে অন্যটি মাঠে আলাদা প্যান্ডেলে ঈদের নাযাজ আদায় করে। নামায শেষে স্থানীয় মোঃ ইসলামের ছেলে কামাল পার্শবর্তী কবর জিয়ারত করতে গেলে ভূট্টো বাহিনীর প্রধান এলাকার ত্রাস নুরুল হক ভুট্টো ও গুরা মিয়া অর্তকিত আগ্নেয়াস্ত্র হামলা করলে প্রাণ রার্থে বাড়ির দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাকে ল্য করে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণ করলে নাজিরপাড়ার এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার ৪ বছরের শিশু কন্যা নিহা মনি গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ নিহা মনিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করা হলে একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।  বর্তমানে শিশুটি চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনার সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলেও অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম আতংকে ভুগছে। এদিকে ঈদের দিন ভূট্রো ও গুরা মিয়া বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মহড়ায় ঘটনায় এলাকার ৪’শ পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা বিরাজমান থাকলে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটবে বলে আশংকা রয়েছে। তাই এলাকাবাসী অবৈধ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনী একের পর এক অপরাধ সংঘঠিত করে আসলেও তারা কোনদিন পুলিশের আওতায় আসেনি। এছাড়া ৫ জুলাই ভুট্টো বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ও লাঠিসোটা নিয়ে টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপ সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে ১৫/২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ, লোকজনকে মারধর ও কার ভাংচুর করে। এসময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, কিরিছ ব্যবহারের টেকনাফের কয়েকজন সংবাদকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদেরকে ধাওয়া করে। এর আগেও ভুট্টো ও গুরা মিয়া বাহিনীর নেতৃত্বে শিলবুনিয়াপাড়ার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত, একই এলাকার কালুর বসত বাড়ি, মোটর সাইকেল ভাংচুর ও হাতের আঙ্গুল কেটে নিয়ে ফেলা হয়, একই এলাকার জাফর নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের মাথা ও আরেকজনের কান কেটে নেয়। সাবরাং’র এর এক ব্যক্তির হাতের কব্জি কেটে নেয় এবং  দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার পুতুইন্যার পুত্র মোঃ ইসমাইলকে মাথায় ছুরিকাঘাত সহ একের পর এক নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘঠিত করেছে। এছাড়া এবাহিনীর আয়ত্তে রয়েছে ইয়াবার বিরাট বাজার। এমনকি বিজিবি সদস্যরা এলাকায় ইয়াবা অভিযানে গেলেও এবাহিনী তাদেরকে ধাওয়া করার ঘটনাও ঘঠিয়েছে। একদিকে ইয়াবার অবৈধ টাকা অন্যদিকে অস্ত্রধারী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না ।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরহাদ জানান, শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT