টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
প্রাথমিকে কমছে শিক্ষার্থী, বাড়ছে নুরানী মাদ্রাসায় বাংলাদেশীদের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করছে ১৭ লাখ রোহিঙ্গা, বাড়ছে অপরাধ পাচার হচ্ছে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য বাংলাদেশি এনআইডি ও রোহিঙ্গা শিবিরে নিরাপত্তা করোনা সংক্রমণে রেড জোনে ১২ জেলা: হলুদ জোন ঝুঁকিতে কক্সবাজার জেলা টেকনাফে আইন শৃঙ্খলা সভায়: সাংসদ শাহিনা বদি বিজিবির অভিযানে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার রোজার ঘোনায় তথ্য আপার উঠান বৈঠক সেন্টমার্টিন সাগর থেকে মালিক বিহীন ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৬’শত পিস ইয়াবা ও বিদেশী অস্ত্র উদ্ধার শাহপীরদ্বীপে ৩৫ হাজার ইয়াবা জব্দ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ৩৪ হাজার ৮০০ ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফে ভাড়াটিয়ারা বাড়িওয়ালার কাছে জিম্মি…চলছে গলাকাটা বাণিজ্য

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১৭৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আমিনুল ইসলাম,হ্নীলা…
টেকনাফ পৌর এলাকার ভাড়াবাসার মালিকের কাছে ভাড়াটিয়ারা জিম্মি। ভাড়াবাসার নিয়ম কানুন এবং শর্তাদী ভাড়াবাসার মালিকেরা মানছেনা কোন মতে। এমতাবস্থায় ভাড়াবাসার মালিকেরা বিভিন্ন অজুখাত খাড়া করে তাদের ইচ্ছামত বছরের মধ্যখানে ভাড়াবাসা বৃদ্ধি করে দেয়। যাহা ভাড়াটিয়াদের দেওয়ার ক্ষমতা রাখেনা। দিতে না পারলে ভাড়াবাসার মালিকেরা কথায় কথায় বলে থাকেন, অন্যত্রে চলে যান। আজ এমন নাজুক অবস্থা এবং জুলুমের শিকার হয়ে আসছেন, টেকনাফ পৌর এলাকার ভাড়াটিয়ারা । এভাবে প্রতি মাসে ভাড়াবাসার মালিকেরা নীরবে ভাড়াটিয়াদের উপর চালাচ্ছে, গলাকাটা বাণিজ্য। ভাড়াবাসার মালিকের কাছে ভাড়াবাসা প্রতিবছর ভাড়া বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাকস্ ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে বাসাভাড়া দাম বৃদ্ধির একমাত্র কারণ বলে জানান। এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সচেতন ভাড়াটিয়া জানায়, টেকনাফ পৌর এলাকায় বর্তমানে সর্বনিন্ম ২ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকার বাসাভাড়া চলছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ভাড়াবাসাসমূহ মান সম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এসব ভাড়াবাসা সমূহ স্বাস্থ্য সম্মত এবং পরিবেশের উপরে তৈরী হয়নি। ঔসব বাড়াবাসা সমূহ প্রতিবছরের মধ্যবর্তী সময়ে ভাড়াবাসার মালিকেরা অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে ইচ্ছা মতভাবে বাসাভাড়া বাড়িয়ে দেয়। যাহা ভাড়াটিয়াদের দেয়ার ক্ষমতা রাখেনা। তার পরও ইচ্ছার বিরুদ্ধে জিম্মি করে নিয়ে যাচ্ছে। এক জরীপে জানা যায় টেকনাফ এলাকায় প্রায় ৩ শতাধিক ছোট ও বড় ভাড়াবাসা রয়েছে। এর অধিকাংয়শ ভাড়াবাসার ভাড়াটিয়া রোহিঙ্গা ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা। ভাড়াবাসা বৃদ্ধির একমাত্র কারণ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা এবং এনজিও সংস্থা সমূহ। অপরদিকে ভাড়াবাসার মালিকেরা ভাড়বাসা রোহিঙ্গাদের ভাড়া দিতে বেশী আগ্রহী, কারণ বাসাভাড়ার মালিকেরা রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে যোগসাজশে চোরাচালানী ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে পড়ে। নাইট্যং পাড়া, পুরাতন পল্লান পাড়া, ইসলামবাদ, কে,কে পাড়া, অলিয়াবাদ, জালিয়া পাড়া, খুনকার পাড়া, শীলবনিয়া পাড়া, ডেইল পাড়া, কলেজ পাড়ায় বেঙের ছাতার ন্যায় ভাড়াবাসা গড়ে উঠেছে। এর অধিকাংশ মালিক ইয়াবা ব্যবসায়ী ও রোহিঙ্গা প্রেমিক। ভাড়াটিয়াদের অভিযোগ, ভাড়াবাসার মালিকেরা বাসাভাড়া চুক্তিনামা ও ভাড়ার রশিদ প্রদান করেন না। কোন কারণ ও অকারণে বাসার মালিকেরা ভাড়াটিয়াদের বলে থাকেন, বাসাভাড়া বেশী হলে অনত্র চলে যান। নিয়মিত বাসাভাড়ার দাম দিতে ভাটিয়াদের দেরী হলে বিদ্যুৎ ও পানি সরবারহ বন্ধ করে হয়রানীর মধ্যে রাখে। অর্থ্যাৎ ভাড়াবাসার মালিকের ধ্যানধারনা যেন, ভাড়াটিয়ারা তাদের প্রজারমত। বর্তমানে ২৫০০টাকার কমে কোন বাসাভাড়া পাওয়া যায়না। তবে ৫০০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা হারে কাঁচাঘর ভাড়া পাওয়া যায়। বাড়িভাড়া নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রনের দেশে একটি আইন রয়েছে। এ আইনের অধীনে একজন নিয়ন্ত্রক ও রয়েছেন। ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালা নির্বিশেষে কেউ এসবের খবর রাখেন না। বাড়িওয়ালা ও ভাড়টিয়াদের মধ্যে বিরোধ তা মীমাংস করতে ১৯৯১ সালে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন নামে একটি আইন করা হয়। আইনের ৭নং ধারায় বলা হয়েছে কোনো বাড়ির মালিক মানসম্মত ভাড়ার অধিক বৃদ্ধি করলে ওই অধিক ভাড় ভিন্নরুপ কিছু থাকা সত্বেও আদায় যোগ্য হবেনা। মানসম্মত ভাড়া অপেক্ষা অধিক হারে ভাড়া কোন অবস্থাতেই আদায় করা যাবেনা। আইনের ১০ নং ধারায় বলা হচ্ছে ভাড়া দেয়া বা ভাড়া সমাধান করা বা ভাড়া মেয়াদ বৃদ্ধি করার কারণে ভাড়ার অতিরিক্ত কোনো প্রিমিয়াম, সালামি, জামানত বা অনুরুপ কোনো অর্থ দাবি বা গ্রহণ করতে বা দেয়ার জন্য বাড়িওয়ালা বাড়াটিয়াকে বলতে পারবেনা। আইনের ১৩নং ধারায় বলা হয়েছে ভাড়াটিয়া কর্তৃক ভাড়া পরিশোধ করা হলে বাড়ির মালিক তৎকনাৎ ভাড়া প্রাপ্তির একটি রশিদ বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফরমের স্বাক্ষর করে ভাড়াটিয়াকে দেবেন এবং বাড়ির মালিক ভাড়ার রশিদের একটি চেকমুড়ি সংরক্ষণ করবেন। বর্তমানে সীমান্ত পর্যটন টেকনাফ শহেরর বাড়িওয়ালারা এ আইনের কোনো ধারই মানে না বলে অভিযোগ
করেছেন বাড়াটিয়ারা।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT