হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদরোহিঙ্গা

টেকনাফে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নারীসহ নিহত ৩

নুরুল হক, টেকনাফ :::  টেকনাফে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নারীসহ ৩ ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছেন। রবিবার (৩১ র্মাচ) ভোর রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার ও দমদমিয়া ওমরখাল এলাকায় পৃথক এই ঘটনা ঘটে।

টেকনাফস্থ ২ ব্যাটলিয়ান বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার ও মডেল থানার অফিসার ইনচাজ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ এ সব তথ্য জানিয়েছেন।

বিজিবি অধিনায়ক জানান, রবিবার ভোর রাতে হ্নীলা দমদমিয়া ওমরখাল এলাকায় একটি বিশেষ টহল অবস্থান নেয়। ওই সময় নাফ নদী অতিক্রম করে নৌকায় কয়েকজন লোককে ওমরখালে অনুপ্রবেশ করতে দেখে থামার নির্দেশ দিলে তারা বিজিবির উপর অতর্কিত গুলি বর্ষন ও আক্রমন করে। এসময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের গুলি বিনিময়ে অস্ত্রধারী চোরাকারবারীরা খালের কিনারা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নৌকায় পড়ে থাকা এক রোহিঙ্গা নারীকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, গুলিবিদ্ধ নারীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে তার পরিচয় মিলেছে। সে মিয়ানমার মংডু রাম্বীবিল এলাকার বদরুল ইসলামের স্ত্রী রুমানা আক্তার (২০)। বতর্মানে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের সি/৬ ব্লকের ৪০ নাম্বার রুমে তার বসবাস করছিল। তার ব্যাগে ১০ হাজার পিছ ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনাস্থল থেকে ৩টি লোহার কিরিচ উদ্ধার করা হয়। নিহত রোহিঙ্গা নারীর লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন পুলিশ। এ ব্যাপারে পরবতীতে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

এছাড়া টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, একইদিন ভোর রাতে হ্নীলা মৌলভী বাজার এলাকায় ইয়াবা বিক্রির সংবাদে অভিযানে গেলে ইয়াবা বিক্রেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এসময় পুলিশও আত্মরক্ষাথে পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির একপর্যায়ে তারা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই জনকে উদ্ধার করা হয়।  গুলিবিদ্ধরা হলেন, টেকনাফের হ্নীলা মৌলভী বাজার আলী আকবর পাড়া এলাকার মিয়া হোছনের ছেলে মাহামুদুর রহমান(২৮) ও হোয়াইক্যং নয়াপাড়া এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আফছার (২৫)। পরে গুলিবিদ্ধ ইয়াবা বিক্রেতাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করেছেন। নিহতের লাশ দুইটি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, এই ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ টি দেশীয় এলজি, ১৮ রাউন্ড কাতুজ ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.