টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফে চাউলসহ নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এটিএন ফায়সাল, টেকনাফ (উত্তর)। আর ক’দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আযহা। এ ঈদকে সামনে রেখে মসল্লার পাশাপাশি চাউল সহ নিত্য পন্যের দাম বৃদ্ধি এমনকি তরকারীর দামও বেড়ে গেছে। মিয়ানমার থেকে ৫ হাজার মেঃ টনের অধিক পেয়াজ আমদানী করা হলেও এখনও পর্যন্ত প্রতি কেজি পিয়াজের দাম ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১১ অক্টোবর টেকনাফ উপজেলার হ্নীলাবাজার, মৌলভীবাজার, খারাংখালী, নয়াবাজার, মিনাবাজার, কানজর পাড়া, উনছিপ্রাং, লম্বাবিল, তেচ্ছিব্রিজ, হোয়াইক্যং, কাটাখালী, উলুবনিয়া, শামলাপুর, শীলখালী, জাহাজপুরা, মাঠ পাড়া, মুন্ডার ডেইল, কচ্ছপিয়া, নোয়াখালী, মিঠাপানিরছড়া, টেকনাফ সদর, মৌলভী পাড়া, সাবরাং, নয়াপাড়া, শাহরীপরদ্বীপসহ সেন্টমার্টিন বাজারে পরিদর্শনে গিয়ে জানা যায়- বর্তমানে রমজানের তুলনায় চাল, মসল্লাসহ কাঁচা তরকারীর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পিয়াজ ও আদার দাম কল্পনার বাহিরে বেড়েছে। যেখানে রমজানে প্রতি কেজি পিয়াজ ২৫-৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও কয়েকদিন পূর্বে পিয়াজের দাম ছিল ৬৫-৮০ টাকা। কিন্তু ২/১ দিনের মধ্যে বেড়ে বৃদ্ধি পেয়ে ৯০-১০০ টাকা হয়েছে। এমনকি টেকনাফে কয়েকটি খুচরা বাজারে দেখা যায়- প্রতি কেজি পিয়াজ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজার পরিদর্শনে আরো জানা যায়- চালসহ কাঁচা তরকারীর দাম বৃদ্ধি পেলেও মসল্লার দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে মিনিকেট সিদ্ধ চাউল প্রতি বস্তা ২৪শ Ñ২শ ৮০ টাকা, মিনিকেট ১৮শ-১৮শ ৫০ টাকা, বেতী ১৬শ ৫০-১৭ শ টাকা, গাজী ১৫শ ২০-১৫শ ৭০ টাকা, পাইজাম ১৯শ ৫০-২ হাজার টাক ও ব্লক ১৫শ Ñ ১৫শ ৫০ টাকা, প্রতি কেজি মরিচ, ১৮০-২০০ টাকা, হলুদ ৮০- ৯৫ টাকা, প্রতি কেজি লং ১৫শ ৫০-১৬শ টাকা, এলাচি ৯শ-৯শ ৫০ টাকা, গুল মরিচ ৮শ ২০-৯শ টাকা, ডাল চিনি ২শ ২০-২শ ৪০ টাকা, তেজ পাতা, ১শ ২০- ১শ ৩৫, চিকন জিরা ২শ’ ৯০ থেকে ৩শ ১০ টাকা, মিঠা জিরা ১শ ২০- ১শ ৩৫ টাকা, ভেন্ডি ৫০-৬০ টাকা, তিত করলা ৬০-৬৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, মুলা ৫০-৫৫ টাকা, বেগুন ৪০-৪৫ টাকা, সিম ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ১২৫-১৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হলেও আদা ও পিয়াজের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। আদা খুচরা বাজারে ১৩০-১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ জাবেদ সওদাগর জানান- চাহিদার তুলনায় পেয়াজের সরবরাহ নেই। তাই পিয়াজের দাম একটু বেশী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা জানান- ঈদ ও পূজাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পিয়াজ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের জরুরী হস্তপে কামনা করেছেন।

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT