হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

টেকনাফে আজ শুরু হচ্ছে ‘ভোটার হালনাগাদ’

 

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ … রোহিঙ্গা অধ্যুষিত সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে আজ শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বহুল প্রতিক্ষিত ‘ভোটার হালনাগাদ’। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বাদ পড়াদের মধ্যে চলছে চাহিত ১৮ প্রকারের কাগজপত্র সংগ্রহে চরম ব্যস্ততা। টাকার বিনিময়ে মানুষের সেবা দিতে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে রাতদিন বিরামহীন কাজ। এ যেন এক মহাযজ্ঞ। পরিষদগুলোতে উদয়াস্ত সেবা গ্রহীতা মানুষের ভীড় লেগেই রয়েছে। অনেক মেম্বার, কাউন্সিলর ও চেয়ারম্যান পলাতক এবং জেলখানায় রয়েছেন। তাঁদের দস্তখত নিতে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। উপরন্ত ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দেখা দিয়েছে ২ বছর আগে থেকেই ‘অনলাইন সার্ভার বন্দ’। এবারে রোহিঙ্গা ভোটার হওয়া ঠেকাতে অরজিন্যাল ১৭ ডিজিটের জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। ‘অনলাইন সার্ভার বন্দ’ থাকায় নতুন করে ১৭ ডিজিটের জন্মনিবন্ধন সনদ নেয়াও সম্ভব হচ্ছেনা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ বেদারুল ইসলাম জানান, টেকনাফ উপজেলায় বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮০৮ জন। হালনাগাদে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হবে ১০% হারে মাত্র ১৪ হাজার ৫৮০ জন। নতুন হালনাগাদের কাজে পুরো উপজেলায় ৭৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১৭ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। টেকনাফ উপজেলায় ভোটার হতে গেলে ১৮ প্রকারের কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এসব ১৮ প্রকারের কাগজপত্র আবার ‘বিশেষ কমিটি’ কতৃক যাচাই-বাছাই করা হবে। ১৮ প্রকারের কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে (১) পিতা, মাতা, ভাই, বোন, চাচা, ফুফু এবং স্বামী-স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি। (২) পিতা-মাতার মৃত্যু হলে মৃত্যু সনদ এর ফটোকপি। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (ইউনিয়ন পরিষদ) বিধিমালা ২০০৬ এর বিধি ৯ ও ১২ অনুযায়ী সনদ অবশ্যই ইপজমনি ফরম-৩ ও ইপজমনি ফরম-৬ অনুযায়ী হতে হবে। (৩) স্বামী-স্ত্রীর বিয়ের কাবিন নামার ফটোকপি। (স্ত্রী যদি স্বামীর ঠিকানায় ভোটার হন সেক্ষেত্রে)। (৪) স্ত্রী-স্বামী মৃত্যু হলে মৃত্যু সনদ এর ফটোকপি। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (ইউনিয়ন পরিষদ) বিধিমালা ২০০৬ এর বিধি ৯ ও ১২ অনুযায়ী সনদ অবশ্যই ইপজমনি ফরম-৩ ও ইপজমনি ফরম-৬ অনুযায়ী হতে হবে। (৫) ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম সনদ এর ফটোকপি ও জন্ম সনদের ভেরিফিকেশন কপি পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক সীলসহ স্বাক্ষরিত)। (৬) জাতীয়তা সনদের ফটোকপি। (৭) ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ/টেলিফোন/গ্যাস/পানি) ইত্যাদি বিলের ফটোকপি (যদি থাকে)। (৮) বাড়ির হোল্ডিং নম্বরের কাগজের ফটোকপি। (৯) বিদেশ ফেরৎ হলে বৈধ পাসপোর্টের ফটোকপি (পুরাতন পাসপোর্ট ও টিকেটের কপিসহ)। যারা পূর্বে ভোটার হননি। (১০) যাদের পাসপোর্ট দেশে প্রত্যাবর্তন কালীন সময়ে পাওয়া যায়নি তারা আউট পাসের ফটোকপি ও মেয়র/চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়ন প্রদান করবেন। (১১) ড্রাইভিং লাইসেন্স/ঞ ও ঘ সনদের ফটোকপি (যদি থাকে)। (১২) বসবাসের ক্ষেত্রে নিজ/পিতা/দাদা/স্বামীর নামে জমির মালিকানার দলিল-খতিয়ানের ফটোকপি। ভূমিহীনদের ক্ষেত্রে স্বারক নং ও তারিখসহ পৌরসভার মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক ইস্যুকৃত ভূমিহীন সনদ। (১৩) ভাই, বোন, চাচা, ফুফু, না থাকলে বা ভোটার না হয়ে থাকলে পিতার/দাদার ওয়ারিশ/উত্তারাধিকার/পারিবারিক সনদের ফটোকপি (বয়স উল্লেখসহ)। (১৪) পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি/এইসএসসি/¯œাতক পাশের সনদের ফটোকপি (যদি থাকে)। (১৫) বাদ পড়ার কারণ উল্লেখ পূর্বক স্থানীয় মেয়র/চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্রের ফটোকপি। (বাদ পড়া ভোটার এর জন্য)। (১৬) রক্তের গ্রæপ পরীক্ষার ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট (যদি থাকে)। (১৭) পেশাগত সনদ (যদি থাকে) সত্যায়িত কপি। (১৮) যাদের জন্ম ০১-০১-২০০৪ ইংরেজীর পূর্বে তারাই ভোটারের তথ্য ফরম পূরণ করতে পারবে।
(বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশী নাগরিক নয় এমন কেউ তথ্য গোপন করে ভোটার হওয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরূদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে)। ##

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.