টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফের সমুদ্র সৈকত থেকে অবৈধভাবে চিংড়ী পোনা নিধন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নুর হাকিম আনোয়ার,টেকনাফ ### teknaf pic 23-8-13 (s) 1 (2)টেকনাফ উপকূলীয়  সমুদ্র সৈকত থেকে চিংড়ী পোনা আহরণের নামে জুড়ে অবৈধ মশারী জাল ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত সাগরের প্রকৃতির সৃষ্টি বিভিন্ন প্রজাতির কোটি কোটি পোনা নিধন চলছে। চিংড়ী পোনা বাছাই করে বাদ-বাকী বিভিন্ন প্রজাতির পোনা সাগরে অবমুক্ত না করে প্রাণহানী করা হচ্ছে। টেকনাফের  মহেশখালীয়াপাড়া, তুলাতুলী, লম্বরী, বাহারছড়া, শাপলাপুর, শাহপরীরদ্বীপ জুড়ে প্রায় ১২০ কিলোমিটার এলাকায় ভ্রাম্যমান পোনা আহরণকারীরা নির্বিচারে মশারীর জাল ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক ল পরিমাণ চিংড়ী পোনা ধরছে। চিংড়ী পোনার সাথে থাকা অন্য প্রজাতির মাছের পোনাগুলো আহরণকারীরা মাটিতে পুঁতে ফেলে। এতে করে সাগর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য পোনা নিবৃত্তে ধ্বংস হচ্ছে। তার সাথে ব্যাপক ঝুঁকির সম্মুখিন হচ্ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র। এ অবৈধভাবে চিংড়ী পোনা নিধনের কাজে জড়িত এলাকাবাসীর সাথে বেকার রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ সম্পৃক্ত রয়েছে। এ রোহিঙ্গারা কোন রকম কয়েকটি মশারীর তৈরী জাল জোগাড় করে বিনা মূলধনে সাগর হতে চিংড়ী পোনা সংগ্রহ করে প্রতিদিন ৬০০/৮০০ টাকা আয় করছে। প্রতিদিন ভোর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত আহরণকারী এলাকবাসীসহ রোহিঙ্গা নারী পুরুষেরা কয়েক কোটি পোনা নিধন করছে। তবে সচেতন মহলের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না ধারনা সচেতন মহলের।টেকনাফ মহেশখালীয়পাড়ার চিংড়ী পোনা আহরণকারী  গফুর মিয়া জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে চিংড়ী পোনা বেশি ধরা পড়ে। কারণ এ সময় মা মাছ ডিম ছাড়ে। জোয়ারের সময় প্রতি ঢেউয়ের সাথে মশারী জালে ২৫০-৩৫০ টি চিংড়ী পোনা ধরা আটকা পড়ে। প্রতি পোনার পাইকারি মূল্য ৫০/৬০ পয়সা। তবে এ চিংড়ী পোনা ধরার সময় বাকী বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা মারা যাওয়ার কথাও স্বীকার করেন। হ্যাচারি শিল্প এসোসিয়েশনের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, এভাবে নির্বিচারে সাগর  হতে চিংড়ী পোনা সংগ্রহের সাথে অন্য প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস করা হলে একদিকে চাহিদা অনুযায়ী মাছ উৎপাদন হবে না ঘাটতি দেখা যাবে। অপরদিকে অপরিকল্পিত ভাবে চিংড়ী পোনা আহরণ করা না হলে হ্যাচারি শিল্প অচিরই বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। পরিবেশ সংরণ কমিটির সভাপতি ফজলুল করিম জানিয়েছেন-
সমুদ্র উপকুলে পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ পোনা নিধনের ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র ধ্বংস হচ্ছে। ইতিমধ্যে এ পোনা  আহরণের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযানও চালানো হয়েছে। তবে  উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহায়তা করলে এ অভিযান আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সৈয়দ হুমায়ুন মোর্শেদ বলেন-  এব্যাপারে  আইন শৃংখলাবাহিনী ও ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT