হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদফিচারবিশেষ সংবাদ

সমাজ ভাবনা : টেকনাফের সংবাদকর্মী ও সাংবাদিকতা

এ,কে,এম মনজুরুল করিম :: বাংলাদেশের বিশেষ আকর্ষণীয়, গুরুত্বপূর্ণ জেলা কক্সবাজার। হাজার বছরের ইতিহাস আলোচনায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও আরাকান অঞ্চলের রয়েছে সুফিয়ানার মিশ্রণে সমৃদ্ধ
সাংবাদিকতা সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং জীবনাচারের ধারাবাহিকতা। সেকালের দৌলত কাজী
আজকের দিনে কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা।
জেলার গৌরবময় জীবনধারায় দৈনন্দিন অপরিহার্য হয়ে গণ-মানুষের প্রাপ্তি, প্রয়োজন,
অধিকারের, অনিয়মের কথা বলছে প্রায় ডজনখানেক স্থানীয় পত্রিকা।
ডিজিটালাইজেশনের সাথে পাল্লা দিয়ে এগুচ্ছে বেশ কিছু জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ
পোর্টাল। কদাচিৎ কিছু সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকা। ডজনের অধিক স্থানীয় দৈনিকের মধ্যে দু-চারটা ছাড়া বাকী দৈনিকসমূহের অর্থনৈতিক অবস্থা ও পরিচালন খবর খুব ভাল না হওয়ার কথা। কারণ একেকটি পত্রিকার ধারাবাহিক সুসুঙ্খল পথচলায় সময়-মেধা-শ্রম-ব্যয়ের সাথে আয়ের ব্যাপক পার্থক্য অবধারিত। তারপরও কক্সবাজারের গণতন্ত্র এবং গণ-মানুষের জন্য পত্রিকাসমূহের পরিচালক, সম্পাদকবৃন্দ ও সংবাদকর্মীদের মেধা, শ্রম ও অর্থনৈতিক ত্যাগ সচেতন জেলাবাসীকে কৃতজ্ঞ করেছে। কেউবা মানবতার দায় থেকে, কেউ সামাজিক-রাজনৈতিক কারণে, কেউ খ্যাতির জন্য, কেউ অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে এই শিল্পের পেছনে শ্রম দিচ্ছেন। সব উদ্দেশ্যকে ইতিবাচক ভাবার সুযোগ আছে।
উপরের এই মুখবন্ধ আনার উদ্দেশ্য হচ্ছে কক্সবাজার জেলার অন্যতম পর্যটন ও বাণিজ্য উপ-শহর টেকনাফ উপজেলায় স্থানীয় পত্রিকাসমূহের কারণে সাধারণ জনগণের উপকার ও ক্ষতির দিক আলোচনায় এনে সমাধানের পথ ঁেখাজা।
টেকনাফ উপজেলায় প্রেস ক্লাব, ফোরাম রিপোটার্স ইউনিটসহ বিভিন্ন সংবাদকর্মীদের সংগঠন চোখে পড়ে। এইসব সংগঠনে সংবাদকর্মীর সংখ্যা অর্ধশতকের কাছাকাছি। এত অধিক সংগঠন নিয়ে এলাকায় সচেতন মহলে মুখরোচক আলোচনা আছে। তা সত্ত্বেও মতাদর্শ, দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতায় সামাজিক প্রয়োজনে অধিক সংবাদকর্মীদের সংগঠন থাকতেই পারে। অধিক সংবাদকর্মীর ভিড়ে সিনিয়র দু-চারজন এবং উদীয়মান দু-চারজন সংবাদকর্মীর মেধা, প্রজ্ঞা, পেশাদারিত্ব এই সুমহান পেশায় সমীহ আদায় করেছে। আবার কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি তোফাইল আহমেদ এবং প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি আবদুল কুদ্দুস রানা কর্মদক্ষতায় নিজেকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। মোঃ ইদ্রিস একমাত্র সাংবাদিক যিনি সাংবাদিকতা বিষয়ে সম্মান, স্নাতকোত্তর হয়ে একটি বিখ্যাত জাতীয় পত্রিকায় কাজ করছেন। সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সংকটে টেকনাফের বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক যারা জাতীয় পত্রিকায় কাজ করেন উনারা বেশ দায়িত্বের সাথে বিশাল এই জাতীয় সমস্যাকে হাইলাইট করেছেন। তাদের পরিশ্রমকে সাধুবাদ জানাই। টেকনাফের এই বিশাল সংবাদকর্মীদের প্রায় অর্ধেকই মানহীন হলুদ সাংবাদিকতায় লিপ্ত আছেন। তাদের মধ্যে কেউবা এই সুমহান পেশাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজের আখেঁর গোছাতে ব্যস্ত আছেন।
প্রাসঙ্গিকভাবে সত্য ঘটনা অবলম্বনে ছদ্মনাম ব্যবহার করে এই জাতীয় কিছু কেস হিস্ট্রি আলোচনা করা হলোঃ-
কেস হিস্ট্রি-১ঃ জনাব “ক” কক্সবাজারের মাঝারি মানের স্থানীয় পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি। লেখাপড়া স্বশিক্ষিত, বকলম। কোমরে ঝোলানো পত্রিকার পরিচয়পত্র, কৌশলে সবার নজরকাড়াভাবে বাধা। ময়লা মোড়কের ক্যামেরা বাহক। সন্ধ্যাকালীন সময়ে সমীহ আদায়কারী সংবাদকর্মীর সহায়তায় সংবাদ এবং কিছু বিজ্ঞাপন পত্রিকার মেইলে পাঠান। রাত ৯টার পরে বুদবুদ চোলাই মদের গন্ধ নিয়ে কে, কে, পাড়ার রাখাইন পল্লী থেকে বের হন।
কেস হিস্ট্রি-২ঃ জনাব “খ” স্থানীয় পত্রিকার প্রতিনিধি। লেখাপড়া-স্নাতক। দুপুরের পর টেকনাফ পৌর এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে অস্থির পদচারণা। হঠাৎ ফোন দিলেন একজন আলহাজ্ব মেম্বারকে। বললেন আলহাজ্ব মেম্বারের বিরুদ্ধে জঘন্য সব অপরাধের খবর আছে। খরচ পাঠাতে হবে অন্যথায় পরদিন স্থানীয় দৈনিক নিউজ হবে। বেচারা মেম্বার তৃতীয় ব্যক্তি সাহায্য নিলেন আপদ বালা (নিউজ) থেকে বাঁচতে।
কেস হিস্ট্রি-৩ঃ জনাব “গ” একজন প্রবীণ প্রায় সংবাদকর্মী। জাতীয়, স্থানীয়, অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রেরণ করতে পারেন। লেখাপড়া স্নাতক। ভিন উপজেলা থেকে এসে টেকনাফে স্থায়ী হয়েছেন। স্পট-টেকনাফ ভূমি অফিস। সকাল ১১টা। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে গতি আনায় মনোযোগী। অত্র অফিসে টাকা ছাড়া ফাইল নড়েনা। উপরওয়ালাদের কিছু ফাইল টর্পেডো গতিতে সম্পন্ন হয়। নিজেদের পারস্পরিক বোঝাপড়ায় অত্র অফিসে একটা সিস্টেম গড়ে উঠেছে। একজন কর্মকর্তার কাছে দৈনিক আয়-ব্যয়-নিসাব থাকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মত। জনাব “গ” এসে উক্ত কর্মচারীর সাথে বিশেষ কথা বলতে চান। অপর কর্মকর্তা বিরক্ত হন এত সাত-সকালে সাংবাদিক জনাব “গ” কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছেন বলে। অপর কর্মচারী বললেন বাড়াবাড়ি করার দরকার নেই শ-খানেক দিলেই হবে জনাব “গ” কে। জনাব “গ” সন্তুষ্ট হয়ে ধীর পায়ে ভূমি অফিস ত্যাগ করলেন।
কেস হিস্ট্রি-৪ঃ জনাব “ঘ” তথাকথিক অনলাইন ক্রাইম পত্রিকার সম্পাদক। লেখাপড়া অষ্টম শ্রেণি কিন্তু মেধাবী। টেকনাফ উপজেলা গ্রাম ডাক্তার সমিতির সভাপতি ডাঃ জয় শংকর, দৈনিক হিসাবে টেকনাফের পল্লী চিকিৎসকদের মধ্যে স্পল্পমূল্যে বেশি রোগীকে সেবাদানকারীদের একজন। পল্লী অঞ্চলের যে সকল রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে পাস করা ডাক্তার দেখাতে পারেন না সে সকল দরিদ্র রোগীদের কাছে জয় শংকর বাবুরাই ভরসা। সবদিক বিবেচনায় সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ ও পল্লী চিকিৎসকদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। সংবাদকর্মী মিঃ “ঘ” জয় শংকর বাবুর কাছে পুলিশী স্টাইলে অনেক কিছু তদন্ত করলেন। পরিশেষে ৫০০ টাকা চেয়ে বসলেন। ডাঃ বাবু বিস্মিত এবং অপারগ। প্রস্থানকালে বলে গেলেন আগামীকাল নিউজ আসবে। যথারীতি ফেসবুক ও অনলাইনে ডাঃ বাবুর বিরুদ্ধে লেখা প্রচারিত হল।
কেস হিস্ট্রি-৫ঃ জনাব “ঙ” টেকনাফে সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, জাঁদরেল সাংবাদিক, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, জাতীয় পত্রিকা থেকে শুরু করে সর্বত্র তাঁর বিচরণ। লেখাপড়া স্নাতকোত্তর। তাঁর ঈগল চক্ষু এবং দূরদর্শিতার কারণে সীমান্তের অবৈধ ব্যবসায়ীরা দারণ সমীহ করেন। সময়চক্রের নির্ধারিত তারিখে অবৈধ ব্যবসায়িক আস্তানায় চক্কর মেরে আসলেই দায়িত্বশীলরা পকেটে গুজে দেন নির্ধারিত অংক। টেকনাফের বহুল আলোচিত গডফাদার যে মিডিয়া ম্যানেজ করে চলতে চায়-বিশ্বস্থ মাধ্যম দিয়ে মি “ঙ” সাহেবের ঘরে পাঠিয়ে দিলেন ভাল মানের চকচকে সবুজ ঢেউটিনের বান্ডিল। মি “ঙ” সাহেব অতি সঙ্গোপনে চালায় লাগিয়ে দিলেন চকচকে ঢেউটিন। শ্রাবণ মাসের বৃষ্টিতে টিনের চালায় রিমঝিম শব্দ করে বৃষ্টি পড়ে।
কেস হিস্ট্রি-৬ঃ জনাব “চ” জাতীয় পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি। একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় জড়িত আছেন বলে জানা যায়। সর্বদা স্পিকার হাতে মটর সাইকেলের আরোহী হিসেবে চলাফেরা করেন। উনার মটর বাইকের চালক কিন্তু মাঝারি গোছের ইয়াবা ব্যবসায়ী। তখন মি “চ” এর প্রতি অনেকেই সন্দিহান চোখে থাকান। উনি আবার সরকারদলীয় জেলাকেন্দ্রিক যুব সংগঠনের অন্যতম নেতা। সেই সূত্রে টেকনাফের বিভিন্ন রাজনৈতিক ফ্লোরে তিনি ইয়াবা এবং ইয়াবার গডফাদারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মুখরোচক বক্তব্য প্রসব করেন। গোপন অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত সংবাদকর্মী টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধি ইয়াবা ব্যবসা এবং সেবনে জড়িয়ে পড়েছেন। যথারীতি কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়ে সংবাদ শিরোনাম হলেন নিজেই।
কেস হিস্ট্রি-৭ঃ জনাব “ছ” স্পট- টেকনাফ থানা। মাথিনের কূপ এবং ইয়াবার কারণে বিখ্যাত এবং কুখ্যাত। মিঃ “জ”, মিঃ “ঝ”, মিঃ “ঞ”, মিঃ “প”, মিঃ “ফ” সহ বেশ ক’জন সংবাদকর্মী অফিসার ইনচার্জ এর সাথে গভীর আড্ডায় মগ্ন। তৎমধ্যে মিঃ “জ” সাংবাদিকতার আড়ালে সরাসরি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত এবং মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। সংবাদকর্মীদের এই গ্রুপটা খুব সচ্ছল, চলাফেরা বেশ পরিপাটি। প্রত্যেক দিন নিয়মিত টেকনাফ থানায় উনারা যাতায়াত করেন। দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময় থানাতেই কাটান এই সংবাদকর্মী গ্রুপ। পুলিশ, বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থার সাথে বেশি দহরম-মহরম। থানা কেন্দ্রিক এই গ্রুপের বিচরণে মনে হয়- টেকনাফ থানা-ই যেন বাসস বা প্রেস ক্লাব।
উপরের কেস হিস্ট্রির প্রত্যেক সংবাদকর্মী ব্যক্তিগতভাবে আমার পরিচিত, যাদের সাথে সামাজিক সম্পর্কও বিদ্যমান। কারো প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নয় বরং পরিশুদ্ধি পরিমার্জনের মাধ্যমে শুদ্ধ সমাজ ও গণতন্ত্রের অন্যতম উপাদান সংবাদপত্র এবং মহান পেশা সাংবাদিকতাকে বাঁচিয়ে রেখে টেকনাফের সামাজিত পরিবর্তনই এই লিখার উদ্দেশ্য। যে সকল সংবাদকর্মীদের প্রেরিত সংবাদে সক্রিয় থাকে সংবাদপত্র এবং যেই সংবাদপত্র হয় জাতির আয়না, তাদের প্রকৃত রূপ যদি উপরের ৭টি কেস হিস্ট্রির মত হয়, তবে কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় টেকনাফের সংবাদকর্মী এবং সাংবাদিকতার মান!
ঢালাওভাবে কাউকে বলার সুযোগ নেই। হাতেগোনা ভাল সংবাদকর্মীদের মাঝে অধিক সংখ্যক নীতি-নৈতিকতা এবং সাংবাদিকতার প্রাথমিক জ্ঞান শূন্য হলে এই সাংবাদিকতা সমাজের জন্য ব্যাপকভাবে ক্ষতিকর। এতে অনেক সাধারণ নাগরিক আক্রান্ত হচ্ছেন হলুদ সাংবাদিকতায়। যারা টেকনাফের শোষিত-বঞ্চিতদের কথা বলবেন তারাই যদি শোষকের ভূমিকায় এবং অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে যান তবে টেকনাফবাসীর আশার আলো কোথায়? এতে করে সাংবাদিকতা নামক মহান পেশাটির মান মর্যাদা ভূলুন্ঠিত হচ্ছে।
অতি সম্প্রতি টেকনাফ মডেল থানায় কর্মরত কয়েকজন চরিত্রহীন দূর্নীতিবাজ কতিপয় পুলিশ অফিসারদের কারণে জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও ফেসবুকে নিরীহ জনগনের প্রতি তাদের অনৈতিক আচরনের গল্প ভাইরাল হয়েছিল। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম সাহসিকতার সহিত এগিয়ে আসেন কক্সবাজার জেলার সিনিয়র সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় তোফাইল আহমেদ। এরপরে ফলোআপে আসেন হাতে গোনা একটি বা দু’টি স্থানীয় পত্রিকা। ভাবতে অবাক লাগে এত গুরুত্বপূর্ন একটি নিউজকে বাকী ডজন খানেক পত্রিকা এড়িয়ে গেলেন। সেই সব পত্রিকাদের যারা প্রতিনিধি আছেন তাদের কাছে জনস্বার্থের চেয়ে পুলিশি স্বার্থটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অথবা অনেকেই পুলিশের মিথ্যা হয়রানীর ভয়ে ভীত ছিল। কিন্তু মহান সংবাদকর্মীদের দূর্বৃত্ত্বায়নের কাছে মাথা নত করার নই।
টেকনাফ তথা বাংলাদেশের এই মুহুর্তে অন্যতম প্রধান সমস্যা মরণঘাতি মাদক ইয়াবা। টেকনাফ অঞ্চল দিয়ে প্রতিনিয়ত শত সহ¯্র লক্ষাধিক ইয়াবা আটকের খবর পাওয়া যায়। ইয়াবার সাথে অনেক সময় পাচারকারী আটক হলেও বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে মালিক বিহীন ইয়াবা পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। টেকনাফের বেশীরভাগ সংবাদকর্মী পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ড কর্তৃক ইয়াবা আটকের খবরটি হুবহু কপি করে চেপে দেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অভাবে এই ইয়াবার খবরের পেছনের খবর অর্থাৎ দূর্দান্ত প্রতাপশালী মাদক সিন্ডিকেট ধরাছোঁয়ার বাইরে বা আলোচনার বাইরে থেকে যান। কিভাবেই বা অনুসন্ধানীমুলক সাংবাদিকতা হবে টেকনাফে? এপর্যন্ড দূর্বৃত্ত্বদের হাতে বেশ ক’জন সংবাদকর্মী আক্রান্ত হওয়ার খবর রয়েছে। সুশাসনহীন টেকনাফে কে দেবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদে নিরাপত্তা? ইয়াবা সিন্ডিকেটের হাতে কোটি কোটি টাকা ও অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের ছড়াছড়ি। এইসব কিছুর পরিবর্তন দরকার।
আশার কথা হচ্ছে সম্প্রতি পিআইবি’র ঊর্ধ্বতন এক কর্তা জানালেন- সংবাদকর্মীর ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতক ধরে একটি আইন পাশ হতে যাচ্ছে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করা হোক।
করণীয়ঃ বিভিন্ন পত্রিকার পরিচালকগণ আলোচনা সাপেক্ষে সংবাদকর্মী নিয়োগে বাধ্যতামূলকভাবে একটি উপযুক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার লেবেল নির্ধারণ করে দেবেন। এই পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, নৈতিক চরিত্রবান, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ ব্যক্তিগনই এই পেশায় আসবেন। জেলা পর্যায়ের অনলাইন পোর্টালগুলিকেও রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভূক্ত করে নীতিমালার মধ্যে রাখা যেতে পারে। উপরোক্ত ৭টি কেস হিস্ট্রির বাস্তবতায় নিরহ জনগনের সুরক্ষায় তথ্যমন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল থাকা দরকার। ##

সমাজকর্মী ও কলাম লেখক-
এ,কে,এম মনজুরুল করিম
ধশসসশধৎরস@মসধরষ.পড়স
মুঠোফোন- ০১৮১৬ ৮৩২১১২

 

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.