টেকনাফের বিপনীগুলোতে ঈদ বাজার জমে উঠেছে

প্রকাশ: ৯ আগস্ট, ২০১২ ১২:৪৪ : পূর্বাহ্ণ

আমান উল্লাহ আমান, টেকনাফ রোজা যতই শেষের দিকে ততই জমে উঠেছে টেকনাফের বিপনীগুলোতে ঈদ বাজার। ইতিমধ্যে ১৯ রোজা শেষ হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফের অভিজাত বিপনী গুলোকে আলোক সজ্জায় নববধু আকারে রকমারি সাজে সজ্জিত করেছে। গ্রাহক বা ক্রেতাদের আকৃষ্ট বা মন কাড়ার যত রকমের ফন্দি আছে সবই অবলম্বন করেছে দোকানীরা। ১৯ রমজার বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখা যায়- যে দোকানে যায়না কেন, ক্রেতাদের ভিড় ঠেলে যেতে হয়। ক্রেতাদের মধ্যে মহিলা ও যুবতীদের সংখ্যা লক্ষ্যনীয়। ক্রেতাদের উপছেপড়া ভীড় হলেও বেচা-বিক্রি তেমন হচ্ছেনা বলেছেন দোকানীরা। তবে তারা আশাবাদী সামনের দিনগুলোতে ভাল বিক্রি হবে। পোশাকের নতুন নতুন আকর্ষনীয় নামও দিয়েছেন। যেমন ঝিলিক, পাগলু, মশাককলি ও পূর্নিমা ড্রেস। কয়েকনজন ব্যবসায়ী জানান- এ পোশাকগুলোর বেশীর ভাগ চাহিদা মেয়েদের রয়েছে। এছাড়া সেলাই করা পোশাকই প্রতি ঈদের ন্যায় পুরোদমে চলছে। টেকনাফের এজাহার কোম্পানী মার্কেটের একজন বিক্রেতা বলেন- ঈদের বাজার সবে মাত্র শুরু হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে মার্কেটে আসতে শুরু করবেন ক্রেতারা। এছাড়া এখনো সরকারী বন্ধ ঘোষনা হয়নি। যখন সরকারী কর্মচারী বেতন বোনাস পাবেন ঈদের বাজারগুলোও জমে উঠতে শুরু করবে। এদিকে অনেক গৃহিনী ঈদ বাজারে দর-দাম কেমন ও নতুন কাপড়ের পরিস্থিতি জানতে বাজারে ভীড় করছেন। সব বয়সীদের রকমারী নতুন নতুন মডেলের পোশাক চোখে পড়েছে। টেকনাফ উপরের বাজারের জসিম ক্লথ ষ্টোরের বিক্রেতা জসিম উদ্দীন জানান- দোকানে অনেক প্রকারের নতুন মডেলের পোশাক আনা হয়েছে। আশা করি ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে পারব। দামও অনেক সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। টেকনাফে কয়েকটি বিপনী বিতানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- এজাহার কোম্পানী মার্কেট, আলী আহমদ মার্কেট, দেশী-বিদেশীদের আকর্ষনীয় বার্মিজ মার্কেট, জেলা সুপার মার্কেট, গনি মার্কেট ও ছোট হাজী মার্কেট অন্যতম। অপরদিকে জুতা-সেন্ডেলের দোকানেও দ্বি-গুন ভীড় দেখা গেছে। তবে সেখানে পুরো পরিবারসহ ক্রয় করতে দেখা গেছে। ক্রেতাদের পাশিপাশি আবার অনেক বখাটেদেরও ঘুরতে দেখা যায়। তারা ক্রেতাদের সাথে মিশে গিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের প্রতারনার ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টায় লিপ্ত।


সর্বশেষ সংবাদ