হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

টেকনাফের ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের সরে যেতে মাইকিং

নুরুল হোসাইন, টেকনাফ  **

টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারীদেরকে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের পক্ষ থেকে টেকনাফ সদর, পৌরসভা, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রবিউল হাসান বলেন, ‘এখন বর্ষাকাল তার উপর টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ফলে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই আমরা পুরো উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী লোকজনকে সরে যেতে মাইকিং করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা না সরলে আমরা নিজেরা গিয়ে তাদেরকে উচ্ছেদ করবো।’ বনবিভাগ

সূত্রে জানায়, টেকনাফ উপজেলায় জেলা দক্ষিন বনবিভাগের আওতাধীন ৩৯ হাজার হেক্টর বনভূমিতে অবৈধভাবে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করে আসলেও তার মধ্যে পাহাড়ের ঝুকিপূর্ণ পাদদেশে বসবাস করছে ২৫ হাজারের মতো মানুষ। এলাকাগুলো হলো-পৌরসভার ফকিরামোরা, নাইট্যংপাড়া, ধুমপেরাংঘোনা, বৈদ্যরঘোনা, নাজিরঘোনা, সদরের গিলাতলি, শিয়াইল্যারঘোনা, উরুমেরছড়া, কেরুনতলি, বরুইতলি, হ্নীলার রোজারঘোনা, জাদিমুরা, উলুচামারী, লেচুয়াপ্রাং, হোয়াইক্যংয়ের সাতঘরিয়াপাড়া, কম্বনিয়াপাড়া, মরিচ্ছ্যাঘোনা, আমতলি, লাতুরিখোলা, হরিখোলা, দৈঘ্যাকাটা, বাহারছড়ার নোয়াখালী, হাজমপাড়া, বাইন্ন্যাপাড়া ও আছারবনিয়া এলাকার ২৫টি পাহাড়কে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা পলিথিন ও বাঁশের ঝুপঁড়ি ঘর, মাটিঘর, সেমিপাকা ঘর তৈরি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে।

টেকনাফ বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন জানান, পুরো উপজেলায় পাহাড়ের মধ্যে ২৫টি পাহাড়ে পাদদেশে প্রায় চারশতাধিক পরিবার অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বসবাস করলেও টানা বৃষ্টিপাতে কেহ নিরাপদ নেই। তাই সকলকে নিরাপদ আশ্রয় চলে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.