টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

ঝাঁঝ কমেনি মসলার বাজারে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তাই কোরবানির মাংস রান্নায় গৃহকত্রী ব্যস্ত। এদিকে কর্তার যেতে হবে মসলার বাজারে। মসলা ছাড়া কি আর মাংস রান্না যায়।

কিন্তু বাজারে গিয়ে মসলার দাম দেখে-তো কর্তার চক্ষু চড়ক গাছ। কিন্তু উপায় কি, মসলাতো কিনতে হবে। তাই বাজেটেও কাটছাট করছেন মসলা বাজারের মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিন্ডিকেট, ঈদ-পূজো এক সঙ্গে পড়ায়  আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। ভারত থেকে মসলা আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে না হওয়ায় মসলার বাজারে দাম নিয়ন্ত্রন করতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ।

ঈদের আগ মুহূর্তে মসলার পাইকারী বাজারে ভিড় না থাকলেও খুচরা বাজারে ভিড় লক্ষ্য করা করা যায়। মঙ্গলবার কাওরানবাজারে প্রতি কেজি ধনিয়া কিনতে ক্রেতাদের ব্যয় করতে হবে  ৯৫ টাকা।

জিরার দাম পড়বে সাড়ে তিনশ টাকা থেকে  ৪০০  টাকা, দারুচিনি ৩০০ টাকা, এলাচি ১৮০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা, লবঙ্গ ২০০০ টাকা, গোলমরিচ ১২০০ টাকা, মরিচ ১৫০ টাকা থেকে ২২০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, হলুদ ১২০ টাকা, পিয়াজ ১০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যান্য মসলার দামও কিছুটা বেশি বলে জানান ক্রেতারা। এবার কোরবানি ঈদে মসলার বাজারে নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য বানিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কয়েক দফা ব্যবস্থা নিলেও তেমন কোনো লাভ হয়নি।

এর মূল কারণ হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধতনরা বলছেন, যেহেতু বাংলাদেশের মসলার বাজারের ৯০ শতাংশই আমদানি নির্ভর সেহেতু এই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম তো আছেই।

এসব বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তাপ বিরাজ করছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায় বলেন, মসলার জন্য আমাদের সম্পূর্ণ আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। আর এবার ঈদ ও পূজা এক সঙ্গে হওয়ায় ভারত থেকে মসলা বাংলাদেশের বাজারে আসছে না।

ফলে দাম কিছুটা ওঠা-নামা করছে। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।তাহলে আমি বলব, আপনারা কি ব্যবস্থা নিতে বলেন, তা নির্দ্দিষ্ট করুন। পরে আমরা যদি পদক্ষেপ না নেই তাহলে তার দায় আমি অবশ্যই নেব।

অন্যদিকে বাংলাদেশ গরম মসলা ব্যবসায় সমিতি’র সভাপতি মোহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ বলেন, ঈদের আগ মুহূর্তে পাইকারী বাজারে ভিড় নেই। এখনতো ভিড় থাকবে খুচরা বাজারে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আমরা একাধিকবার ভারত থেকে চোরাই পথে মসলা আসা রোধ করতে অনুরোধ জানিয়েছি।

কিন্তু তাতে তেমন কোনো লাভ হয়নি। সরকার থেকে যদি মসলা আমদানি শুল্ক মুক্ত করে দেয়া হয়  তাহলে চোরাই পথে মসলা আমদানি অনেকটা কমে আসবে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT