টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

জেলা পরিষদ বন বিদ্যুৎ বিভাগ ও কক্সবাজার পৌরসভাকে পবিত্র রমজান মাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩
  • ১১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রেস কাবে বিগত ০৮/০৭/১৩ইং বিকাল ৫ :০০ ঘটিকায় প্রবীন রাজনীতিবিদ, শিানুরাগীম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক-বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরীরর সভাপতিত্বে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার সার্বিক উন্নয়নের অন্তরায় বিষয়ে আলোকপাত করে নাতিদীর্ঘ আলাপ আলোচনা শেষে, নিম্নে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত মালা ঃ কক্সবাজার জেলা পরিষদের স্বেচ্ছাচারিতা, লাগামহীন দূর্নীতির কারণে, সাহিত্যিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা নানা ভোগান্তির মাধ্যমে দুই বছর হাশেমিয়া মাদ্রাসায় নানা অসুবিধার মুখে কাস চালিয়ে, অবশেষে জরুরী ভিত্তিতে বাধ্য হয়ে কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্ধনিমিত অসম্পূর্ণ দ্বিতল বিল্ডিং এ’ সিঁড়ি, দরজা, জানালা বিহীন ক,ে বর্ষার দুর্যোগ মাথায় নিয়ে অসহায় ছাত্র-ছাত্রীরা লেখাপড়া পুনরায় শুরু করেছে। অভিভাবক শিানুরাগী মহলের প্রশ্ন কোমলমতি কচি কাঁচাদের দোষ কি? সরকারী টাকা আতœসাৎ কেন? অসম্পূর্ণ জনগুত্বরুত্বপূর্ণ দালানের টাকা কার পেটে গেল। সকল দূর্নীতির তদন্ত চাই। নির্বাহী কর্মকর্তা চক্রের দুর্নীতির বিচার দাবী। আমরা ভুক্তভোগী মহল জরুরী দুদকের হস্তপে কামনা করছি।

জেলা পরিষদের প্রকট স্বেচ্ছাচারিতা এ সমস্ত দুর্নীতি, অনিয়ম বন্ধ কবে হবে? জেলা পরিষদের গভীর নলকূপ, কম্পিউটার, কর্মসৃজনের টাকা, দারিদ্র ফান্ড, মাষ্টাররোলের টাকা বিতরণের হদিস কোথায় বিভিন্ন প্রকল্প, লাবনী পয়েন্টের দোকান বরাদ্দের টাকা, বিভিন্ন প্রকল্প অন্যান্য জায়গা ভাড়া বরাদ্দের টাকা কোন ফান্ডে গেল। জেলাবাসী এ সমস্ত কু-কর্মের স্বেতপত্র দাবী করছে। প্রধান নির্বাহীচক্র পদোন্নতির পরে ও ৭/৮ বছর যাবৎ কক্সবাজারে কেন? মধু খাওয়ার ভান্ডব শেষ কবে হবে? জেলা পরিষদ তাদের বাব/দাদার সম্পত্তি কিনা? এলাকার গরীব ল্যাং, আন্ধা, আঁতুর গরীব দুখী ৪০ জনের দরখাস্ত জমা আছে। দুই বৎসরে তারা ৪০ বার জেলা পরিষদের কাছে ধর্না দিয়েছে। তাদের ভোগান্তি এখনো গেল না। তাদের টাকা গুলো কোথায়? সে দিনও জেলা পরিষদের বারান্দায় গিয়ে আধা দিন অবস্থান করেও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার খবর পাওয়া যায় নি।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সূদুর প্রসারী বদান্যথায় জেলা পরিষদ প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছেন; সততা, সমতা, ন্যায্য বন্টন, জনগুরুত্বপূর্ন কাজের অগ্রাধিকার এবং সর্বোপরি দুর্নীতি হ্্রাস ও প্রতিরোধ করার জন্য দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, দুষ্টু চক্রের সহায়তা করার জন্য নিশ্চয় নয়। সরকার টাকা বরাদ্দ দেয় এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য কিন্তু লোভী দুর্নীতিবাজ কুচক্রী মহল তা আতœসাৎ করে।  কথায় আছে ডিম পাড়ে হাঁসে খায় শুধু বাঘদাঁসে। এ সমস্ত ধাপ্পাবাজির বিচার চাই। বিভাগীয় এবং দুদকের তদন্ত চাই।

কক্সবাজার জেলা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের মূলতবি সভার অদ্য ০৮/০৭/১৩ ইং বিকাল ৫.০০ ঘটিকার সময় স্থানীয় প্রেস কাবের সংগঠনের আহবায়ক, প্রবীণ রাজনৈতিবিদ বীরমুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, জনাব কামাল হোসেন চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরানিত করার বিষয়ে বিষদ আলোকপাত করা হয়। সভায় এক পর্যায়ে সভাষদমন্ধলী কক্সবাজারের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করণের এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা প্রতিশ্র“ত উন্নয়নমূলক কাজগুলো আশু সমাধানের ল্েয সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব গৃহিত হয়।

জেলা পরিষদ, দণি বন বিভাগ, বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ ও কক্সবাজার পৌরসভাকে পবিত্র রমজান মাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ।

১। কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তাবিত অধিগ্রহণকৃত জমি দখলে আনা/বাস্তবায়ন ত্বরানিত করা। ২। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অসম্পূর্ণ কাজ সমাপ্ত করা। ৩। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে সুসম্পন্ন করণ। ৪। কক্সবাজার জেলা স্থায়ী বাসিন্দা ব্যতিত বহিরাগত বা ভূয়া ঠিকানা দারীদের কক্সবাজার জেলার ভূমি বন্দোবস্তি প্রদান বন্ধ করা। ভূমি অফিসে দূর্নীতি হয়রানী বন্ধ করা। ৫। গলফ মাঠে আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট কমপেক্স হবে এটাই কক্সবাজারবাসীর কাম্য। ঐ জায়গায় অন্য কোন স্থাপনা জেলাবাসী গ্রহণ করবে না। মন্ত্রণালয়ের রসি টানা টানি বন্ধ করুন। ৬। কক্সবাজার জেলার রোহিংগা অনুপ্রবেশ বন্ধ পূর্বক বার্মায়া নাগরিকদের আলাদা তালিকা করতঃ জাতীয় সংঘের মাধ্যমে। তাদের নিজ দেশে জাতী সংঘের মাধ্যমে সম্মানজনক ভাবে পুর্নবাসন করা হউক। ৭। সড়ক জনপদের, কক্সবাজারের প্রধান সড়ক বাজারঘাটাস্থ পূর্ব-পশ্চিমের দুই ব্রীজের পার্শ্বের অসম্পূর্ণ কাজ কবে সুসম্পন্ন হবে ? ৮। পৌরসভাস্থ রাস্তাঘাটের নির্মাণ কাজ সুসম্পন্ন করণ, পরিচ্ছন্নতা রা ও হাট বাজার নিয়ন্ত্রণের অনুরোধ করা হলো।   ৯। গেজেট বর্হিভূক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের অবিলম্বে তালিকা গেজেট অর্ন্তভূক্ত করুন। সভায় উপরোক্ত বিষয়াদি উপর বিশদ বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতা মোস্তাক আহমদ, এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, মোঃ মাসুদ কুতুবী, এম.খোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, নাছির উদ্দিন চৌঃ, শামসুল আলম, হাজী আলতাজ আহমদ সিকদার, জামাল উদ্দিন মাষ্টার, এস.এম সিরাজুল ইসলাম, আমান উলাহ প্রমুখ।       ১০। বহুমুখী সড়ক বাস্তবায়নে লাইট হাউস হতে বাস-টার্মিনাল পর্যন্ত বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা। ১১। কক্সবাজার দণি বন বিভাগের পুকুর চুরি দুর্নীতি, অনিয়ম বন্ধ করণ, ৪/৫ বছর আগের সৃজনকৃত বনায়ন এবং জায়গা জমি বুঝিয়ে না দেয়া, থিনিং না করা, দুর্নীতি পরায়ন কর্মচারী যোগসাজসে গাছ কাটা, পাহাড় কাটা, ভূমি জবর দখল দেয়া বিক্রি অবিলম্বে রোধ করা। ১২। জেলা পরিষদের অনৈতিক দুর্নীতি লুঠ পঠ-স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করা ও নির্বাহী গং ৭/৮ বছর যাবৎ নির্বাহী কর্মকর্তা চক্রের অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ জেলাবাসী কে সোচ্চার হওয়ার জন্য অনুরোধ। লাগামহীন অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিত দমনে জানানোর দুদকের তদন্ত দাবী।

বার্তা প্রেরক স্বারিত কামাল হোসেন চৌধুরী প্রবীন রাজনীতিবিদ, শিা নুরাগী সমাজসেবক, বীর মুক্তিােযাদ্ধা আহ্বায়ক, কক্সবাজার জেলা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদ।

দেশের বরণ্য আলেমেদ্বীন আল্লামা আহমদ শফীর চরিত্র হননের নোংরা পথ বেচে নিয়েছে সরকার? হেফাজতে ইসলাম কক্সবাজার জেলা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা শাখার এক জরুরী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন সরকার দেশের ৫ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৫-০ গোলে হেরে জন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার একমাত্র কারণ ৫ই মে শাপলা চত্বরে ঈমানী দাবীতে সোচ্চার আলেম ওলামাদের গণহত্যা। বর্তমানে সরকার হালে পানি না পেয়ে দেশের নারী সমাজকে আলেম ওলামার মূখোমূখি দাঁড় করানোর ঘৃণ্য চক্রান্তে মেতে উঠেছে। ভারতের ‘র’ ও ইসরাঈলের ‘মোসাদের’ পৃষ্ঠ-পোষকতায় পরিচালিত গুটি কয়েক সংবাদ মাধ্যম দেশের বরণ্য আলেমদ্বীন আল্লামা আহমদ শফির ওয়াজ নছিহত কে বিকৃত করে সরকারের হীন উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রচার করে দেশের নারী সমাজের কোল অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আল্লামা আহমদ শফী সারা জীবন মায়ের জাতি নারী সমাজের ইজ্জত আবরো সংরন ও তাদের পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে মানুষকে হেদায়ত দান করেছেন। আল্লামা আহমদ শফির নেতৃত্বে পরিচালিত অসংখ্য মহিলা কওমী মাদ্রাসা হইতে হাজার হাজার নারী কোরআন হাদিসের জ্ঞান অর্জন করে দেশে ইসলামী পারিবারিক ব্যবস্থা চালু রাখতে অব্যাহত অবদান রেখে চলছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরা ডুবী আছ করতে পেরে এবং হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দর সাথে ব্যর্থ আতাতে চেষ্টায় সফল হতে না পেরে সরকার প্রধানসহ, মন্ত্রী, এমপিগণ পাগলের ন্যায় প্রলাপ বকছে। যে এদেশের কোন নারী-পুরুষ তা বিশ্বাস করবে না। আমরা সকল নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলব কোন গুজব ও অপ-প্রচারে কান দিবেন না। নেতৃবৃন্দ নাস্তিক ও তাদের দোষরদের প্রতিহত করার জন্য আগামী দিনের সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করার জন্য দেশের তৌহীদি জনতাকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। সংগঠনের প্রধান কার্যালয় জোয়ারিয়ানালা মাদ্রাসায় এক জরুরী সভা সংগঠনের জেলা সভাপতি জনাব মাওঃ আবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাওঃ মুপ্তি এনামুল হক, মাওঃ সোহাইব নোমানী, মাওঃ হাফেজ আবদুল হক, মাওঃ মোহাম্মদ ইয়াছিন হাবীব, মাওঃ মোহাম্মদ আলী, মাওঃ আবদুল মান্নান, মাওঃ জামাল উদ্দিন, মাওঃ ফরিদুল হক, মাওঃ আব্দুল গফ্ফার নাছের, মাওঃ মুবিনুল হক, মাওঃ সৈয়দ নূর, মাওঃ সায়েম হোসেন চৌঃ, মাওঃ আবছার উদ্দিন চৌঃ, মাওঃ আব্দুর রাজ্জাক, মাওঃ হেলাল উদ্দিন, মাওঃ মুহাম্মদ হারুন, মাওঃ এরশাদুল হক আরমান, মাওঃ শহিদুল্লাহ আশরাফি, মাওঃ নেজামুল হক, মাওঃ সৈয়দ মাহাবুব মোরশেদ, মাওঃ মোঃ সোয়াইব, মাওঃ হাফেজ আবুল মঞ্জুর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওঃ হাফেজ আবদুল হককের পরিবর্তে মাওঃ মুহাম্মদ ইয়াছিন হাবিবকে সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়।   বার্তা প্রেরক স্বারিত// মাওঃ মোঃ সোয়াইব জেলা দপ্তর সম্পাদক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT