টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

জেলায় ১৫ সহস্রাধিক শিশু ঝুঁকিপূর্ণ “মরণ” পেশায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও:::: জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে শিশু শ্রম, বিভিন্ন ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান মূলত কোমলমতী শিশুদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রকার বাধ্য করে শিশুদের বিভিন্ন মরণাক্তক ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত করছে। এক পর্যায়ে কারণে-অকারণে শিশুদের ভাগ্যে জোটছে শারীরিক, মানষিক ও শোষন সহ নানা নির্যাতন। কখনো আবার বৈষম্যের শিকার ও হচ্ছে। শিার আলোর সুযোগ-সুবিধা থেকে অগনিত বঞ্চিত হচ্ছে অসহায় শিশু। অভাবের তাড়না ও সংসারের অশান্তির কারণে পথকলি শিশুরা বাঁচার তাগিদে জীবিকার সন্ধানে নেমে পড়ে রাস্তায়। একসময় পথভ্রষ্ট হয়ে চলে যায় টাকার রাজ্যে। ছোট্ট বয়সে সংসারের হাল ধরতে নেমে পড়ে জীবন যুদ্ধে। জানা যায়, প্রতি বছর ১২ জুন পালিত হয় বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবস। বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুদের অধিকার আদায়ের লে সচেতনতা বাড়ানোর বদৌলতে দিন ব্যাপী চলে নানা কর্মসূচী। ফলে বিশেষ করে সেমিনার সিম্পুজিয়াম থেকে সভায় একমত হয়ে এক বাক্যে শপথের মাধ্যমে শিশু শ্রম বন্ধের উদ্দ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্র“তি বদ্ধ হলেও সময়ের ব্যবধানে কেবল মাত্র দিনটি অতিবাহিত হওয়ার পর বাস্তবে তা সঠিক আকারে মূল লে পৌছায় না। একাধিকজনের সাথে আলাপকালে জানা যায়, বর্তমানে শ্রম বাজারে জেলার বিভিন্ন স্থানে কোমলমতী শিশুদের শ্রমকাজে খাটাচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মালিক প। বলতে গেলে শোষকের কাজে শিশু শ্রম বিশেষ করে নিম্ন বিত্তদের দারিদ্রোর অন্তরালে সংসারের অভাব, দারিদ্রতা এবং পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশী হয়ে যাওয়ায় উক্ত পরিবারের সদস্যরা শিা বঞ্চিত অগ্য অভিভাবকদের আর্থিক সুবিধা ুধার রাজ্যে যুদ্ধ করে এক প্রকার বাধ্য হয়ে পড়ে প্রলোভনে লোভনীয় প্রস্তাবের বিনিময়ে ঐসব কোমলমতী শিশুরা শিার বই-খাতা-কলমের পরিবর্তে নিরোপায় হয়ে ঢুকেপড়ে শ্রম জগতে প্রতিটি শিশু। সু-শিার ধ্যান, ধারণা ও বিদ্যালয়ে যাওয়ার মনমানষিকতা থাকলেও অভাব হয়ে উঠে সবচেয়ে বড় বাঁধা। ফলে এসব শিশুরা এখন শিার কাছ থেকে পরাজিত হয়ে দারিদ্রের কাছে ঝুঁকছে। জেলা শহর সহ উপজেলা জুড়ে অসংখ্য শিশু ঝুঁকিপূর্ণ মরণ পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। অবুজ শিশু-কিশোররা লবণের মাঠ, বিষের দোকান, শুটকি মহল, ইটভাটায় ইটভাঙতে, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া নৌকায় ভাত রান্না করার কাজে, ওয়ার্কসপে ওয়েল্ডিং করার কাজে, কিটনাশক বিক্রির দোকানে, হোটেল রেস্তোরায়, সাগরে পুনা আহরণ সহ কঠিন নানা ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত থাকতে দেখা যায় প্রতিণে প্রতিমুহুর্তে। শহরের এক হোটেলের গ্লাস বয় আরিফ, আলমগীর ও শরিফত উল্লাহ জানান, আমরা সকাল ১০ টা থেকে পর দিন সকাল ১০ টা পর্যন্ত একটানা পরিশ্রম করে মজুরী পায় মাত্র ৯০ টাকা। এনিয়ে পরিবার চলাতো দুরের কথা, নিজেও চলা কঠিন হয়ে পড়ে। এভাবে আর কতকাল? একটি অসাদু মহল প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের কচি-কাঁচা পথকলি শিশুদের ঝুকিপূর্ন কাজের মত হীনকাজে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠছে। আবার, নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রয়ের কাজে ও ব্যবহার করে মালিক পরা এসব কোমল মতি শিশুদের নানা উপায়ে টাকা পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে আটকে রেখে মানসিক ভাবে নির্যাতন করার অভিযোগও রয়েছে। পান্তরে কাগজ কুড়ানো, ঝিনুক বিক্রি, বেকারী, ফেরী ওয়ালা, যানবাহনের হেলপারের কাজে নিয়োজিত করেছে এক শ্রেণীর কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল। এছাড়া মরনাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় কাজ করতে গিয়ে দূর্ঘটনায় শিকার হয়ে অনেকেই অকালেই ঝরে পড়ে মৃত্যুর কূলে। আবার অনেকে পঙ্গুতের অভিশাপ নিয়ে জীবন-যাপন করছে। সচেতন মহলের মতে, শিশু অধিকার আদায়ের লে বিভিন্ন সংগঠন কাজ করলেও তা থাকে কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। এ েেত্র শিশুরা শ্রমের পাশাপাশি নির্যাতনে ও শিকার হচ্ছে। প্রতিনিয়ত শারীরিক, মানষিক ভাবেও আক্রান্ত হচ্ছে। বতর্মানে জেলা-উপজেলা জুড়ে প্রধান সমস্যা রোহিঙ্গা শিশু। তারা বিভিন্ন সময়-অসময়ে নানা অপরাধ অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। এলাকার অভিজ্ঞ মহলের মতে, সরকারের উচিত এসব রোগিঙ্গা শিশুদের চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নেয়া এবং শিা বঞ্চিতদের জন্য স্কুলে যাওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে করে সরকারের প্রাথমিক শিার বাস্তবায়নে পরিবারকর্তা ও সবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত। তা না হলে মহা মনীষিদের কথায় প্রমাণ মিলবে না- “আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ”।  —————————————

বাইশারীতে রাবার চাষ করে অনেকে সাফল্যের মুখ দেখেছে এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০২-১০-২০১৩ইং নাই্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে রাবার শিল্প সম্ভাবনায় রয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় মালেশিয়া হিসেবে। পার্বত্য বান্দরবান জেলার নাই্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নটি পাহাড়ী এলাকায় সীমিত আকারে ব্যক্তিমালিকানাধীন রাবার চাষ করা ইতিমধ্যে সম্ভাবনা সাফল্য অর্জিত হলেও পর্যাপ্ত উপকরণ সহ সার্বিক অবেস্থাপনা সংরনের অভাবে তাহা যথাযথ বাসস্থান হচ্ছেনা। জানা যায়,পরিত্যাক্ত প্রায় বহু হাজার একর বন ভুমিতে বানিজ্যিক ভিত্তিতে রাবার চাষ করা হলে এখানকার উৎপাদিত রাবার দেশের মোট চাহিদার অর্ধেক পুরণ করতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ঠরা মনে করেন। ঈদগড় ও পার্বত্য বাইশারী বন বিভাগের পরিত্যাক্ত হাজার হাজার একর জমিতে বানিজ্যিক ভিত্তিতে সরকারী উদ্যোগে রাবার চাষ করা হলে এখানকার উৎপাদিত রাবার দেশের মোট চাহিদার অর্ধেক পুরণ করা সম্ভব হবে। সরেজমিনে পরিদশর্ন পূবর্ক দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট রাবার স্পট সমূহ পর্যটকদের অন্যতম আর্কষণ ও বিনোদনের কেন্দ্রে পরিণত হবে। ককসবাজারের পাহাড়ী জনপদ ঈদগড় ও পার্বত্য বান্দরবান জেলার বাইশারীতে ব্যক্তিমালিকানাধীন রাবার চাষ করে অনেকে সাফল্যের মুখ দেখেছে। আশির দশকের এই সব বনাঞ্চলে গাছ গাছালি ও বাঁশবাগানের ভরপুর এবং বন্যপশু প্রাণীর অভয়াশ্রম হিসেবে সংরতি ছিল। কালের আবর্তে বিশাল বাঁশবাগান বিলুপ্তির পাশাপাশি কাঠচোর,সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম ও সংশ্লিষ্ঠ বনকর্মীদের অবহেলার কারণে এইসব রতি বনাঞ্চল বিরাণভুমিতে পরিণত হয়েছে। নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বন্য প্রাণী। যে দিকে দুই চোখ যায় শুধু পাহাড় আর পাহাড়। অনেকের মতে, বাইশারীর আল্যীং বাঁকখালী এলাকায় পড়ে থাকায় হাজার হাজার একর বন ভুমিতে বানিজ্যিক ভিত্তিতে রাবার চাষ করা হলে এখানের উৎপাদিত রাবার দেশের রাবার ঘাটতি পুরনের সহায়তা হবে। বর্তমান সরকার বিদেশ থেকে রাবার আমদানি করে দেশের রাবার শিল্পে ঘাটতি পুরণ করলেও সরকার এই খাত থেকে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারছেনা। প্রায় বহু হাজার একর বন ভুমির জায়গায় রাবার চাষ করা হলে ঈদগড় বাইশারীর ৫/৬ হাজার বেকার লোকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এতদাঞ্চলে রাবার চাষে বিপ্লব ঘটতো বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন অনেকে। অনুসন্ধানে জানা যায়,ইতিপূর্বে জেলার বাহিরের কিছু প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও বিত্তবান লোক ঈদগড় ও বাইশারীর বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকায় শত শত একর জমিতে সীমিত আকারে রাবার চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে রাবার চাষ করে এদের মধ্যে ইতিমধ্যে কেউ কেউ ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ রয়েছে সফলতার মুখ দেখার পথে। এসব ব্যবসায়ীদের বেশ কয়েকজন রাবার রস সংগ্রহ করে শুকানো রাবার বান্ডিল করতঃ ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাবার ব্যবসায়ীদের নিকট সর্বরাহ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন। উল্লেখিত লোকজনের রাবার বাগানের স্থানীয় ও বহিরাগত হাজার হাজার শ্রমিক ট্যাপার সুপার ভাইজার ও ম্যানেজার পদে কর্মরত আছেন প্রায় বহু হাজার শ্রমিক। কর্মরতরা অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে রাবার বাগান এলাকায় বসবাস করছেন। অভিযোগ উঠেছে, পাহাড়ী এলাকায় বসববাসরত অনুপ্রবেশকারী মায়ানমার নাগরিক রাবার গাছের ডালপালা কেটে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করেছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী সচেতন মহল মনে করেন, নাই্যংছড়ির বাইশারী এলাকার আল্যীং বাঁকখালী,তুতুকখালীতে পরিত্যাক্ত বহু হাজার একর বন ভুমিতে বানিজ্যিক ভিত্তিতে রাবার চাষ করা হলে উৎপাদিত রাবার দেশের মোট চাহিদা অর্ধেক পুরণ করা সম্ভব হতো। ————————————— ঈদগাঁওতে পতিতাদের উৎপাত বেড়েছে! এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০২-১০-২০১৩ইং সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওতে পতিতা সমাজ প্রতিনিয়ত গ্রাম গঞ্জের দিকে ঝুকে পড়ছে। এলাকার অসচ্ছল পরিবারের উঠতি তরুণীদের অনৈতিক পথে নামানোর মিশন নিয়ে চিহ্নিত পতিতারা হরেক রকমের বাসা-বাড়ির আড়ালে এই অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। ইতিমধ্যে এসব পরিবারের অনেক তরুণী এই অযথা ফাঁদে পা দিয়েছে বলে একাধিক সূত্রে প্রকাশ। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ধরে বৃহত্তম এলাকার বিভিন্ন স্থান হতে আগত চিহ্নিত বেশ কিছু পতিতা ঈদগাঁও বাজারের অলি-গলি সহ পার্শ্ববর্তি বিভিন্ন কলোনীতে ভাড়া বাসা নিয়ে গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিত যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে প্রকাশ। এমনকি এ পতিতাদের সাথে এলাকার নানা শ্রেণীর কিছু লোকের সুতা থাকায় পরিকল্পিনা মোতাবেক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে এলাকার অভিজাত শ্রেণীর মানুষদের টার্গেট করে নানা কৌশলে ফাঁদে এনে বিয়ে কিংবা সেই সখের প্রেমের অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ বা জন প্রতিনিধিদের কাছে সাজানো, ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ও একাধিক ঘটনা ঘটেছে। মান-সম্মান লোক লজ্জার ভয়ে ফাঁদে পড়া ব্যাক্তি ও তার আত্মীয় মহলেরা নিরুপায় হয়ে সম্মান বাঁচানোর ল্েয মামলা মোকাদ্দমা থেকে রেহাই পেতে মুখ বুঝে এসব অপরাধ অপকর্ম সহ্য করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এবার এসব পতিতারা নতুন নতুন কৌশলে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র গ্রামে-গঞ্জে প্রবেশ করে অসচ্ছল পরিবারের স্কুল-মাদ্রাসা ও কলেজ পড়–য়া আগামী প্রজন্মের উঠতি তরুণীদের সাথে বিভিন্ন কৌশলে ভাব জমিয়ে বেড়াতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি-ঘর থেকে বের করে কালো টাকার প্রলোভনে ফেলে অনৈতিক কাজে নামায়। এছাড়া, নাফ নদী পাড়ি দিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা যুবতীরা বাংলাদেশে এসে জীবন বাচার তাগিদে এসব অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলেও সচেতন মহলের অভিযোগ। এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহলের দাবী, উঠতি প্রজন্মকে নৈতিক অধঃপতনের হাত থেকে রা ও এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে চিহ্নিত পূর্বক পতিতা চক্রের মূল হোতা, সিন্ডিকেট ও সদস্যদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু অভিযান পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রশাসন সহ উর্ধ্বতর মহলের কাছে হস্থপে কামনা করেছেন এলাকার সচেতন সমাজ। ইসলামপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটর সাইকেল উল্টে আহত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থা আশঙ্কা জনক: চমেকে প্রেরণ এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০২-১০-২০১৩ইং কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটর সাইকেল উল্টে আহত হওয়া ছাত্রলীগ নেতার অবস্থা আশঙ্কা জনক হলে তাকে চমেকে প্রেরণ করা হয়। জানা যায়, ইসলামপুর ইউনিয়নের ডুলাফকির মাজার সংলগ্ন টেকিং পয়েন্টে ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল এগারটায় চকরিয়া যাওয়া পথে মোটর সাইকেল উল্টে ঈদগাঁও ইউনিয়ন  ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক উত্তর মাইজ পাড়ার মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র ইরফানুল করিম ইরফান (২০) এবং তার অপর বন্ধু ব্যবসায়ী দরগাহ পাড়ার নুরুল আজিমের পুত্র তোহা (২১)। দুজনেরই অবস্থা আশঙ্খা জনক। প্রথমে ছাত্রলীগ নেতা ইরফানকে ঈদগাঁও মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়, দ্বিতীয়ত মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। তৃতীয়ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT