টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

জেলায় শিার্থীদের অনাগত ভবিষ্যৎ ধ্বংসে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

mobile_1798333c-300x187ঈদগাঁও প্রতিনিধি:::::বর্তমানে দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে মোবাইল ফোন যেমনি কার্যকরী ভুমিকা রাখছে, ঠিক তেমনি তার বিপরীতে কারো কারো জীবনে তিও বয়ে আনছে। মোবাইল ফোন প্রতিটি শ্রেণী পেশার লোকজনের উপকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে প্রতিণে প্রতিমুহুর্তে। কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্কুল কলেজ পড়–য়া শিার্থীরা মোবাইল ব্যবহার প্রয়োজনীতা মনে করলেও অনেক েেত্র তা অভিভাবকদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইল ফোনে অল্প বয়সেই প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এতে পিতা-মাতার সোনার সন্তান-সন্তানীদের জীবনে সর্বনাশ ডেকে নিয়ে আসে। মোবাইল আলাপে কথোপকথনের পর একে অপরকে একান্ত সান্নিধ্যে পেতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কোচিং সেন্টার ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে পড়ে নির্জন স্থান কিংবা বিভিন্ন মার্কেটে। নিরাপত্তা প্রেম আলাপের জন্য বেচে নিচ্ছে পার্ক, হোটেল, রেস্তোরা সহ বিভিন্ন পয়েন্টে কিংবা বহু সময় শেষ পর্যন্ত নানা আবাসিক হোটেল কে অবস্থান করে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়েছে অহরহ। এতে শিা জীবনের মূল্যবান দারুণ সময় অতিবাহিত হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক অধঃপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও সহ জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অসহায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা। পিতা-মাতার আদরের সন্তানেরা ঘরে ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে অনেকটা। এসব সন্তানদের বাড়িতে ফেরার অবস্থান জানতে চেয়ে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করে আব্বু বা আম্মু তুমি কোথায়? জবাবে বলে, কোচিংয়ে বা কলেজে। কিন্তু তখন মোবাইলে অন্য কোন ছাত্র কিংবা শিকের সাড়া শব্দ শুনা যাচ্ছে না এবং ঠিক তখই শিক গুরুত্ব পূর্ণ পাঠ দান করাচ্ছেন, তাই সকলের মনযোগ দিয়ে শিকের লেকচার শুনছি বলে লাইন কেটে দেয়। এ প্রতিটি পরিবারের শিার্থী সন্তানেরা না হলেও কতিপয় শিার্থীরা মোবাইল আলাপে জড়িয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার কোচিংয়ে উপস্থিতির অযুহাত পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের মিথ্যা কথা বলে এবং নিজেদের শিা জীবনে চরম তি ডেকে আনছে। যে বয়সে লেখা পড়া করে মানুষের মত মানুষ হয়ে সুন্দর দেশ গড়ার অঙ্গিকার থাকার কথা, সে বয়সে মোবাইল নামক অপরাধ ব্যধিটি ছাত্র-ছাত্রীদের অনাগত ভবিষ্যৎ জীবনকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছে দিচ্ছে। হতাশ অভিভাবক সমাজ। শিার্থীদের মন ভূলানো ফাকি বাজিতে অভিভাকরা নানা ভাবে বিবৃতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। এ সংক্রান্ত ঘটনা প্রায় ঘটে চলছে ঈদগাঁও সহ জেলা জুড়ে। এদিকে পিতা-মাতারা বিদেশ কিংবা দেশে চাকরি করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাদের সোনার সন্তাদের শিতি করার দৃঢ় মন মানসিকতা হাতে নিয়ে স্কুল কলেজ কিংবা মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেন । কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, অভিভাবকদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে সেই কাঙ্খিত শিাঙ্গনে যাওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে প্রেম আলাপে জড়িয়ে পড়ে। কাস ফাঁকি দিতে বিন্দু মাত্রও ভূল করেনি ঐ শিার্থী সমাজ। তাছাড়া ও অসময়ে মোবাইল ফোনের কারনে ঈদগাঁও সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রেম নামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে কোমলমতি শিার্থীরা একে অপরের সাথে ভালবেসে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। এ ব্যাপারে সুশীল সমাজের অভিভাবকদের মতে, সন্তানদের ব্যাপারে যতœবান হতে হবে , তাদেরকে প্রতিটি মুহুর্ত চোখে চোখে রাখতে হবে । বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তদারকি করতে হবে, ঠিক সময়ে শিাঙ্গনে গেছে কিনা । শিার্থীদের হাতে লেখাপড়ার সময় মোবাইল ফোন না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। অপরদিকে বর্তমান সময়ে পিতা-মাতাগণ শিকদের যথাযথ সম্মান ছেলে মেয়েদের আদব কায়দা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ সহ সব বিষয়ে শিা না দিলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ শিা জীবন অন্ধকারে হাবুডুবু খাবে বলে মত দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT