টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

জেলার বানিজ্যিক রাজধানী ঈদগাঁও সব তাজা খবর… বিস্তারিত দেখলেই

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ২৯৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ঈদগাঁও প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি
এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও
তারিখঃ ২৮-০৯-১৩ ইং
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে প্রায় সময় হাট বাজারের প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল। প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে এরকম নির্ভিঘেœ এসব জাল বিক্রি করে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। আর বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ৬ ইউনিয়নের বিশাল এলাকায় এসব অবৈধ জালে ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় খাল-বিল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় নানা প্রজাতের মাছ। সরেজমিনের দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজার সহ বিভিন্ন হাট বাজারের এসব নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে। সাধারণ গ্রামাঞ্চলের লোকেরা বিলে-খালে এই জালগুলো বসিয়ে নির্বিচারের নিধন করছে হরেক রকমের ছোট, বড় মাছের পোনা। ফলে গ্রামাঞ্চলের খাল-বিল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ গুলো। এতে করে সাধারণ মানুষেরা সমুদ্রে মাছের উপর নির্ভলশীল হতে দেখা যাচ্ছে। এই সুযোগে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ক্রেতাদের পকেট কাটছে অনায়াসে। ঈদগাঁও সহ বিভিন্ন বাজারের অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ জাল বিক্রি বন্ধ এবং প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে পারলে পূর্বে ন্যায় দেশীয় মাছের ভরপুর হয়ে উঠবে বিশাল এলাকার চারপাশে খাল-বিল ও জলাশয়। এমন মত প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।
——————————————

সদর উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য সচিবের রোগমুক্তি কামনা
এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও
তারিখঃ ২৮-০৯-১৩ ইং
সদর উপজেলার পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য সচিব ও ঈদগাঁও ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ডাঃ সনজিৎ দাশের রোগমুক্তি কামনা করে বিবৃত্তি প্রদান করেন- বৃহত্তর ঈদগাঁও শ্রী শ্রী জম্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি মাষ্টার সঞ্জয় পাল, সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার রতন কান্তি দে, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ শুভ্রত দাশ জিকো, অর্থ সম্পাদক উত্তম কান্তি দে, যথাক্রমে সদস্যবৃন্দরা- সমির রুদ্র, দয়াল, রুপন, এডভোকেট বাপ্পি শর্মা, সসীম, বিকাশ, রোপন, সুমন, লিটন, আশিষ, অশোক, শিমুল, ঝন্টু, সুজন, তিলক, কাজল, মনোরঞ্জন, সজীব, সঙ্কর, বিশ্বজিৎ সহ আরো অনেকে। বিবৃতিতে- ডাঃ সনজিৎ দাশের আরোগ্য রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করা হয়।

ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাবে সদস্য ভর্তি শুরু

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার।
মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫।

ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাবে (রেজি: নং ১৯১৪) সদস্য ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রেস কাবের আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন পত্রপত্রিকাসহ অন্যান্য স্বীকৃত মিড়িয়া ও সংবাদ সংস্থায় বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার প্রতিনিধি বা সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত সাংবাদিকরা সদস্য পদে আবেদন করতে পারবেন। তবে কর্তৃপক্ষের কার্ড় বা নিয়োগপত্র থাকতে হবে। আগ্রহীদের সত্ত্বর সদস্য ভর্তি কার্যক্রম উপ-কমিটির আহবায়ক, দৈনিক হিমছড়ি প্রতিনিধি ও প্রেসকাবের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ. এন. আলমের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। যোগাযোগ স্থান- ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাবের অস্থায়ী কার্যালয়, মদিনা সুপার মার্কেট, ২য় তলা , ডিসি রোড় ঈদগাঁও বাজার । মোবাইল ০১৮১২-৫১১২৩৫, ই-মেইল: বধফমধযঢ়ৎবংংপষঁন@ুধযড়ড়.পড়স

ঈদগাঁওর কোরবানীর হাটে কৃত্রিম উপায়ে মোটা-তাজা করা পশু ॥ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভোক্তারা
মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার।
মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঈদগাঁওতে কৃত্রিম উপায়ে পশু মোটা-তাজা করা পশু বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হচ্ছে। নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন ঔষুধপত্র, এ্যান্টিবায়োটিক ও কেমিক্যাল মিশ্রিত খাদ্যসহ মোটা-তাজাকরণ বড়ি খাইয়ে অল্প সময়ের মধ্যে ফুলিয়ে বেলুন বানানো গরু-ছাগল-মহিষ কোরবানির বাজারে বেশী দামে বিক্রির জন্য আনছে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। কৃত্রিম উপায়ে মোটা-তাজা করা গরু-মহিষ-ছাগলসহ এসব পশুর গোস্তে বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান মিশ্রিত থাকে, যা সিদ্ধ করলেও নষ্ট হয় না। ফলে ক্ষতিকর উপাদান ও কেমিক্যাল মিশ্রিত এসব গোস্ত খেয়ে জনসাধারণ প্রাণঘাতি ক্যান্সারসহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঈদগাঁওতে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে। কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামাবাদ, চৌফলদন্ডী, ইসলামপুর ও ভারুয়াখালীসহ রামুর ঈদগড় এবং পার্বত্য বাইশারীর বিশাল ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনগুষ্টির ঈদগাঁওর পশুর হাট থেকে কোরবানির পশু ক্রয় করে থাকেন। এ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা কৃত্রিম উপায়ে মোটা-তাজা করা পশু ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করতে কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না হলে এতদাঞ্চলের বিশাল জনগোষ্টী মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পতিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

=======================================

ঈদগাঁওতে পরিবহণ শ্রমিকদের দুই গ্রুপ মুখোমুখি ॥ সংঘর্ষের আশংকা

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার।
মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫।
কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে পরিবহণ শ্রমিকদের বিবদমান দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। কয়েকদিন আগে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনা ও সংঘর্ষের রেশ ধরে পাল্টা-পাল্টি অবস্থান নেয়া শ্রমিকদের বিরোধ এখন ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ টায় ঈদগাঁও বাজার-ফরাজী পাড়া সড়কে যাত্রী পরিবহণ নিয়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ব্যাটারী চালিত টমটম ও সিএনজি বেবী টেক্সী চালকরা। ঈদগাঁও বাজার থেকে ফরাজী পাড়া পর্যন্ত যাত্রী পরিবহণকালে সিএনজি টেক্সী ড্রাইভাররা ফরাজী পাড়ায় কয়েকটি টমটম গাড়ি জোরপূর্বক আটকে রাখে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে টমটম চালকরা সংঘবদ্ধ হয়ে উক্ত সড়কের লরাবাগ চৌমুহনী পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে কয়েকটি সিএনজি টেক্সী আটক করে। এর কিছুক্ষণ পরে সিএনজি টেক্সী চালকরাও দলবদ্ধ হয়ে লরাবাগ আসলে এনিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয় জনগণের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সংঘটিত ঘটনা নিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের পরে ঈদগাঁও হাই স্কুল প্রাঙ্গণে বিচার-বৈঠকের কথা রয়েছে। উক্ত বিচারকে কেন্দ্র করে শক্তি প্রদর্শনের জন্য উভয় পক্ষই জোর তৎপরতায় নেমেছে। ইসলামপুর, ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, চৌফলদন্ডী ও জালালাবাদসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক-উপসড়কে চলাচলকারী সিএনজি টেক্সী ও টমটম ড্রাইভাররা এ নিয়ে দল ভারী করার জন্য গ্রুপিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। উভয় পক্ষই চেষ্টা করছে শনিবারে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে শক্তিপ্রদর্শন করার। উল্লেখ্য, ঈদগাঁও বাজার-ফরাজী পাড়া রোডে দীর্ঘ দিন ধরে সিএনজি টেক্সী চালকরা একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে আসছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এসড়কে ইতোপূর্বে জীপ, মাহিন্দ্রাসহ অপরাপর ভাড়া সাশ্রয়ী বিকল্প যানবাহন চালুর উদ্যোগ নেয়া হলেও টেক্সী চালকদের বাঁধা ও প্রতিরোধের মুখে তা সম্ভব হয়নি। আর এ সুযোগে প্রতিদিন যাতায়তকারী হাজারো যাত্রী সিএনজি টেক্সী চালকদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে। ঈদগাঁও বাজার থেকে ফরাজী পাড়া ব্রীজ ঘাট পর্যন্ত মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরত্বের রাস্তার জন্য এরা জনপ্রতি ২০ টাকা হারে ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে। এর বিপরীতে ব্যাটারী চালিত টমটম ১৫ টাকায় ভাড়ায় যাত্রী পরিবহণের উদ্যোগ নিলে উক্ত সংঘর্ষ হয়। বছর দূয়েক আগে থেকে একই সড়কের পূর্ব ফরাজী পাড়া চৌমুহনী পর্যন্ত টমটম সার্ভিস যাত্রী পরিবহণ করে আসছিল। কিন্তু ফরাজী পাড়া ব্রীজ ঘাট পর্যন্ত টমটম চলাচলের ক্ষেত্রে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারী করে সিএনজি ড্রাইভাররা। উক্ত সড়কে ভাড়া সাশ্রয়ী বিকল্প যানবাহন চালুর জন্য প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাত্রী সাধারণ।

বেতন ভাতা উত্তোলনে ঈদগাঁও’র ৭ ইউনিয়নের ১৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ শতাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী নিদারুন দুর্দশায় নিপতিত, দেখার কেউ নেই

এস.এম.তরেক,ঈদগাঁও, ক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁও’র সরকারী অনুদানভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীরা বেতনভাতা উত্তোলন করতে গিয়ে যুগ যুগ ধরে নিদারুণ দুঃখ কষ্ট নিয়ে দিনাতিপাত করে এলেও এ দুর্দশা থেকে পরিত্রাণ পেতে অদ্যাবধি কোন ব্যক্তি বা সংগঠন তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। বৃহত্তর ঈদগাঁও’র বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সরকারী অনুদানভুক্ত এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে ১৮ টি। তম্মধ্যে ১ টি ডিগ্রী কলেজ, ৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৮ টি মাদ্রাসা। শিক্ষক কর্মচারী মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৩ শতাধিক জনবল রয়েছে জানা গেছে। বৃত্তর ঈদগাঁও’র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীদের সাথে আলাপচারিতায় জানা গেল, যুগ যুগ ধরে তারা ঈদগাঁও থেকে প্রায় ৩২ কি:মি: দুরের পথ পাড়ি দিয়ে সদরের জনতা ব্যাংক থেকে অদ্যাবধি বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। এতে তাদের সময় ও অর্থের যেমন অপচয় হচ্ছে তেমনিভাবে ভোগান্তি হচ্ছে প্রত্যেক শিক্ষক কর্মচারীর। কোন কোন সময় সময়মত ব্যাংকে উপস্থিত হতে না পারলে ওই দিন আর টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়না। অপেক্ষা করতে হয় পরদিনের জন্য। অফিস ও শ্রেণির কাজ বাদ দিয়ে শিক্ষক কর্মচারীদের শুধুমাত্র বেতন ভাতা উত্তোলনের কাজে শহরে যেতে হয় বলে অনেক সময় প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ন কাজেরও প্রচুর ক্ষতি হয়। অথচ এখানে রয়েছে, রাষ্টায়াত্ত সোনালী, রুপালী ও কৃষি ব্যাংকের শাখাসহ বেসরকারী প্রায়সব ব্যাংকের শাখা। এলাকার শিক্ষক কর্মচারীদের দাবী, সরকার যদি ঈদগাঁও’র রাষ্টায়াত্ত ৩ ব্যাংকের যেকোন শাখায় তাদের বেতন ভাতা উত্তোলনের সুযোগ করে দেয় তবে আর্থিক সাশ্রয় ছাড়াও নানামুখী ভোগান্তি থেকে তারা রেহাই পেতেন এবং নষ্ট হওয়া দিনটি তারা জাতির কল্যাণে ব্যয় করতে পারতেন। ঈদগাঁও’র স্বনামধন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম আলমগীর জানান, শিক্ষকগণ হচ্ছেন জাতি গড়ার কারিগর, এই কারিগরদের বেতনভাতা এমনিতেই রাষ্ট্রের অন্যান্য কর্মচারীদের চেয়ে অনেক কম, এমন অবস্থায় যদি তাদের প্রাপ্ত যৎসামান্য টাকা থেকে আবারো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয় তা সত্যিই দুঃখজনক, তিনি অত্র এলাকার শিক্ষক কর্মচারীদের দুর্দশা লাঘবে ঈদগাঁও’র রাষ্টায়াত্ত ব্যাংকের যেকোন শাখা থেকে যাতে বেতন ভাতা উত্তোলন করতে পারেন তার বন্দোবস্ত করার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানান। অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচিণতম বিদ্যাপীঠ ঈদগাহ্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মিসেস্ খুরশীদুল জন্নাত জানান, পার্শ্ববর্তী উপজেলা মহেশখালীতে জনতা ব্যাংকের কোন শাখা না থাকা সত্বেও ওই এলাকায় কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীরা রাষ্ট্রায়াত্ত সোনালী ব্যাংকের শাখা থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করতে পারলেও ঈদগাঁওতে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বৈষম্য তিনি মেনে নিতে নারাজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক কর্মচারীরা এসব দুর্দশার জন্য নিজেদের অনৈক্য ও শিক্ষক নেতাদের দুষছেন। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এতদিন ধরে এভাবে ফেলে রাখায় তারা সরকারের পাশাপাশি শিক্ষক নেতাদের অবহেলাকে দায়ী করেন। জাতিগড়ার কারিগর খ্যাত এসব শিক্ষক কর্মচারীর সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এমটাই প্রত্যাশা ঈদগাঁও’র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রতিজন শিক্ষক কর্মচারীর।
২৮ সেপ্টেম্বর’১৩
ঈদগাঁওতে পকেটমার আটক ॥ গণধোলাই

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও।
মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ২৮-০৯-২০১৩ ইং।
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে কোরবানির পশুর বাজারে পকেট কাটার সময় জনতার হাতে আটক হয়েছে এক পেশাদার পকেটমার। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে প্রকাশ, ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার ঈদগাঁও বাসষ্টেশনের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের আলমাছিয়া গেইটের অদূরে জমে উঠা পশুর হাটে এক ক্রেতার পাঞ্জাবীর পকেটে থাকা টাকার বান্ডিল ভীড়ের সুযোগে কৌশলে তুলে নেয়ার সময় হাতেনাতে আটক হয় পকেটমার শামশুল আলম। এসময় উপস্থিত জনতা তাকে ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে ছেড়ে দেয়। সে ইসলামাবাদ উত্তর সাতজোলাকাটা গ্রামের মৃত মমতাজ আহমদের পুত্র ও দীর্ঘদিন ধরে চুরি এবং অপরাপর অপরাধের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।

বৃহত্তর ঈদগাঁওতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের নেপথ্যে ঘুষ বানিজ্য ও গোপন চুক্তি

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও।
মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ২৮-০৯-২০১৩ ইং।
কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে চলমান ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৭ ইউনিয়নের জন্য বরাদ্ধকৃত বিদ্যুৎ মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে ইসলামপুর শিল্প এলাকায় সরবরাহ দিচ্ছেন পল্লী বিদ্যুতের দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঈদগাঁও এরিয়া অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার ও সদরের ইসলামপুর শিল্প এলাকার লবণমিল মালিকদের মধ্যকার গোপন এ চুক্তির খেসারত দিচ্ছেন ১৮ হাজার সাধারণ গ্রাহক। কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী, চৌফলদন্ডী, পোকখালী, জালালাবাদ, ইসলামাবাদসহ বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকা ও রামুর রশিদ নগর এবং ঈদগড় ইউনিয়নের সর্বস্তরের গ্রাহকদেরকে বেশিরভাগ সময় অন্ধকারে রেখে মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে ইসলামপুর শিল্প এলাকার ৪০/৪৫ টি লবণ মিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। দেশের বৃহত্তম লবণশিল্প এলাকা ইসলামপুরে অবস্থিত প্রায় অর্ধশত উৎপাদনশীল লবণ কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন। কিন্তু সীমিত বিদ্যুৎ নিয়ে রামুর কিয়দংশসহ বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৬/৭টি ইউনিয়নে ক্রমাগত সরবরাহ অুন্ন রাখা সম্ভব হয়না। ফলে বছর খানেক আগে থেকে ইসলামপুরের লবণ মিল মালিকরা জোটবদ্ধ হয়ে ঈদগাঁওস্থ পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের সাথে গোপন চুক্তি করে। চুক্তি মোতাবেক প্রতিমাসে লবন মিল মালিকরা পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের মোটা অংকের ঘুষ দেয়। বিনিময়ে অপরাপর এলাকায় লোডশেডিং করে শুধুমাত্র ইসলামপুরে বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। এতে ৬/৭ ইউনিয়নের অপরাপর গ্রাহকরা চরম অসুবিধা পোহাচ্ছেন। এসএসসি/এইচএসসি পরীার্থীসহ ছাত্র-ছাত্রী, রোগীসহ সর্বস্তরের জনগণ বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় কাটাচ্ছেন রাত দিনের বেশিরভাগ সময়। এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে পল্লী বিদ্যুৎ ঈদগাঁও বিলিং অফিসের এজিএম (কম)’র মোবাইলে বার বার ফোন করলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। জালালাবাদ ফরাজী পাড়ার গ্রাহক নুরুল আলম বলেন লোডশেডিংয়ের মাত্রা সহ্যসীমার বাইরে চলে গেছে। প্রায় সময় বিদ্যুৎ না থাকলেও মাসের শেষে ঠিকই মোটা অংকের বিল গুনতে হয়। একই এলাকার অপর গ্রাহক আমান উল্লাহ বলেন দীর্ঘ সময় পরে বিদ্যুৎ আসলেও মিসকলের মত ঝিলিক দিয়েই আবারো চলে যায়। ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুতের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের এই গোপন আঁতাত ও বহুমুখী অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করেছেন বৃহত্তর ঈদগাঁওর সর্বস্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ।

=====================
“আমরাও পারি” ॥ এক নীরব বিপ্লবের ইতিকথা
আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও।
মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ২৮-০৯-২০১৩ ইং।
কক্সবাজার তথা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় একটি সেক্টরে ঘটে গেছে নিরব এক বিল্পব। বিগত এক দশকব্যাপী নীরবে নিভৃতে সংঘটিত এ বিপ্লব দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকার মাধ্যমে সম্ভাবনাময় এক উজ্জল আগামীর মজবুত ভিত্তি স্থাপন করলেও এখনো তা সবার অগোচরেই রয়ে গেছে। এ বিষয়ে সামান্য আলোকপাত করার জন্যই এ লেখার অবতারণা।
বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সম্ভাবনাময় এক জেলা আমাদের কক্সবাজার। ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন হওয়া আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে বিভিন্ন সম্ভাবনার বিকাশ ও প্রকাশ ঘটতে শুরু করে। তখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার সাথে সাথে বৈদেশিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও আমদানি রপ্তানির নতুন নতুন দার উম্মোচিত হতে থাকে দিনের পর দিন। তখনই সত্তর দশকের অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বাণিজ্যিক ভাবে চিংড়িচাষ ও রপ্তানি শুরু হয়, যার বেশীর ভাগই লবণাক্ত পানির বাগদা চিংড়ি। তখন সনাতনী পদ্ধতিতে চাষ হলেও আশির দশক থেকে বাংলাদেশে নিবিড় ও আধা নিবিড় বৈজ্ঞানিক চিংড়ি চাষ পদ্ধতির পালা শুরু হয়। তখনও পর্যন্ত প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরিত চিংড়ি পোনা দিয়েই মূলত চাষ করা হত। স্বাধীনতা পরবর্তী দুই দশকের মধ্যেই বাংলাদেশে উৎপাদিত চিংড়ি বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেয়। হিমায়ীত চিংড়ি রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতে থাকে প্রতিবছর। বিপুল চাহিদার প্রেক্ষিতে সারা দেশের উপকূলীয় এলাকায় বাগদা চিংড়ি চাষ সম্প্রচারিত হয়। চাষের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে চিংড়ির পোনার ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়। এ চাহিদার যোগান দিতে ৯০ দশকে কক্সবাজার কলাতলী, উখিয়া সোনার পাড়া ও টেকনাফের সৈকত এলাকায় শুরু হয় বেসরকারী উদ্যোগে বাণিজ্যিক হ্যাচারী উৎপাদনের পালাক্রম। স্থানীয় উদ্যোক্তারা ছাড়াও দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পগ্রুপ সমূহ এখানে হ্যাচারী স্থাপন করেন। এভাবে ২০০০ সালের মধ্যেই প্রায় ৭০টি হ্যাচারী স্থাপিত হয় ও বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি পোনা উৎপাদন শুরু করে। কিন্তু গভীর সমুদ্র থেকে আহরিত মা চিংড়ি থেকে পোনা উৎপাদনের জন্য বিদেশী টেকনেশিয়ানের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে হ্যাচারীগুলো। কারণ, নবপ্রতিষ্ঠিত এ শিল্পে পোনা উৎপাদন প্রযুক্তি বাংলাদেশীরা জানতনা। আর এ অজ্ঞতাকে পুঁজি করে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত হ্যাচারী টেকনিশিয়ানরা মালিকদেরকে জিম্মি করে পার্সেন্টিজের ভিত্তিতে গলাকাটা মজুরি আদায় করতে থাকে। বিদেশী টেকনিশিয়ানরা হ্যাচারীতে কাজ করার সময় এতই গোপনীয়তা রক্ষা করতো যে, বাঙ্গালী কোন স্টাফতো দূরের কথা এমনকি স্বয়ং মালিককেও হ্যাচারীতে ঢুকতে দিতনা। যদি তাদের কাজ দেখে বাঙ্গালীরা প্রযুক্তি আয়ত্ব করে ফেলে, এ ভয়ে। এরা সময় অথবা মাসিক ভিত্তিতে বেতন নিতনা, বরং মোট উৎপাদন ও বিক্রির উপর নির্দিষ্ট কমিশন হিসেবে মোটা অংকের টাকা আদায় করত। মৌসুম শেষে হ্যাচারীর মালিক পক্ষ যে লভ্যাংশ পেত, ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশী টেকনিশিয়ানরা তার চেয়েও আরো বেশী পেত। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে চিংড়ি হ্যাচারী খাত বিদেশী টেকনিশিয়ানদের কাছে জিম্মি হয়ে যায় ও শত শত কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যেত এরা। এ অবস্থা চলে দীর্ঘ দিন। হ্যাচারী শিল্পকে বিদেশীদের টেকনিশিয়ানদের একচেটিয়া আধিপত্য থেকে মুক্ত করতে ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত দেশী টেকনিশিয়ান সৃষ্টি করতে এ সেক্টরের সাথে সংশ্লিষ্ট দেশ প্রেমিক কিছু কর্মী এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সৎ ও দেশ প্রেমিক কতিপয় কর্মকর্তার ঐক্যান্তিক প্রচেষ্ঠায় ২০০২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রালয় কক্সবাজার মৎস্য অধিদপ্তরস্থ চর পাড়া এডিবি চিংড়ি হ্যাচারী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে “বাগদা চিংড়ি পোনা উৎপাদন, হ্যাচারী পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক নিবিড় আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরু করা হয়। প্রতি ব্যাচে ২০ জন করে ৫৬ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষনার্থীগণকে সংলগ্ন ছাত্রাবাসে সার্বক্ষনিক অবস্থানের মাধ্যমে হ্যাচারীতে হাতে-কলমে ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় প্রশিক্ষণে প্রতিষ্ঠিত করে তোলা হয় ও তাদের দারা মানসম্মত পোনা উৎপাদন করা হয়। এছাড়াও গ্রুপ ডিস্কাসন, বিভিন্ন বাণিজ্যিক হ্যাচারী পরিদর্শন, হ্যাচারী সেক্টরের বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে মতবিনিময়, বিভিন্ন কার্যক্রমের উপর এসাইনমেন্ট তৈরীসহ ইত্যাদি কর্মকান্ডের মাধ্যমে এক এক জন প্রশিক্ষণার্থীকে পূর্ণাঙ্গ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তোলা হয়। ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় কাসে সারা দেশ থেকে মৎস্য অধিদপ্তরীয় বিভিন্ন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন হ্যাচারীর টেকনিশিয়ান ও মালিকরাসহ অপরাপর অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান ও কাস নেন। প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান তৈরীর এ কর্মযজ্ঞ প্রথম পর্যায়ে ২০০৭ সাল পর্যন্ত চলে। এর পর ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ গুরুত্ব উপলদ্ধি করে আবারও ৫ বছরের জন্য এ প্রকল্প নবায়ন করে। ২য় পর্যায়ে এ প্রকল্প ২০১২ সাল পর্যন্ত চলে। এভাবে ১১ বছরের বিভিন্ন ব্যাচে প্রায় ৪০০ দক্ষ হ্যাচারী টেকনিশিয়ান সৃষ্টি হয়, যারা পরবর্তীতে অত্যন্ত সফলতার সাথে হ্যাচারী পরিচালনা করতে সক্ষম হয় ও বিভিন্ন হ্যাচারীতে এখন এরা কর্মরত আছে। মাত্র ১০ বছর আগেও যেখানে হ্যাচারী খাত বিদেশী টেকনিশিয়ানদের হাতে জিম্মি ছিল, এখন বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। এখন মাত্র ১০% হ্যাচারীতে বিদেশী টেকনিশিয়ান কর্মরত আছে আর বাকী ৯০% হ্যাচারী বাংলাদেশীরাই পরিচালনা করতেছে। বর্তমানে কক্সবাজার, খুলনা, বাগের হাট ও সাতক্ষিরার শতাধিক হ্যাচারীতে প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার কোটি চিংড়ি পোনা উৎপাদন হচ্ছে, যার শতকরা ৯০ ভাগই অপারেট করতেছেন বাংলাদেশী টেকনিশিয়ানরা ও সাশ্রয় হচ্ছে শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। এখন দেশের আভ্যন্তরিন চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও চিংড়ি পোনা রপ্তানী করতে সক্ষম বাংলাদেশ। এভাবেই সংঘটিত হয়েছে নিরব এক বিপ্লব। উদ্যোগী কিছু কর্মী ও দেশ প্রেমিক কতিপয় সরকারী কর্মকর্তা দেখিয়ে দিয়েছেন, “আমরাও পারি”। চিংড়ি হ্যাচারী খাতে সংঘটিত এ নিরব বিপ্লব পজিটিভ বাংলাদেশেরই ইজ্ঞিতবাহী নয় কি ? দেশের ব্যবসা-শিল্প-বাণিজ্যের অপরাপর রুগ্ন ও সমস্যা সংকূল বিভিন্ন সেক্টরের জন্য এ প্রকল্পেরু কর্মযজ্ঞ হতে পারে একটি রুল মডেল।

Sagar pic, 28-09-13
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপল্েয আনন্দ মিছিল
দীর্ঘ ছয় বছর পর ঈদগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত
এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও
তারিখঃ ২৮-০৯-১৩ ইং
দীর্ঘ ৬ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঈদগাঁও ইউনিয়ন শাখার সম্মেলন ও কাউন্সিল ঈদগাঁও বাস স্টেশনস্থ দ্যা কিং অব ঈদগাহ্ কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঈদগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি তারেক আজিজের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা নেজাম উদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলন উদ্বোধন করেন- সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এস.এম বদিউল আলম আমির, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- জেলা যুবলীগের সভাপতি খোরশেদ আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- জেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মীর কাশেম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- হুমায়ুন কবির হিমু, সহ ক্রীড়া সম্পাদক- লুৎফুর রহমান আজাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক- রাজিবুল হক চৌধুরী রিকো, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দীন সিকদার (তাজমহল)। উক্ত সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- সদর যুবলীগ নেতা এমদাদুল হক কাদেরী, রাশেদ উদ্দীন মনজুর, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সস্পাদক- সাইফুল ইসলাম, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নাছির উদ্দীন জয়, সাধারণ সম্পাদক- দিদারুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা- মুসলেম উদ্দীন, আবদুর রহমান, নুরুল হুদা, ছাত্রলীগ নেতা- সোহেল, ইরফানুল করিম, মিজানুর রহমান সহ সহস্রাধিক আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলন শেষে দ্বিতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হিসেবে ছাত্রনেতা এহছানুল হক, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছাত্রনেতা এনাম রনি ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে যুবনেতা মাহবুবুল আলম মনোনীত হয়। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন উপল্েয এক বিশাল আনন্দ মিছিল বের করে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জালালাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল চলছে।

১ কলাম/ পৃষ্টা ৪
ছবি আছে
শ্রমিক পার্টি কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠিত
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
গত ২৪সেপ্টেম্বর জাতীয় শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এম.পিা আনোয়ারা বেগম এর সুপারিশক্রমে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ শান্ত এর সাক্ষরিত এক চিঠিতে কক্সবাজারের জাতীয় শ্রমিক পার্টির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে প্রধান আহবায়ক হিসেবে এস.এম.বাবর এবং সদস্য সচিব হিসেবে মোঃ জহিরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়। আহবায়ক কমিটি আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে কমিটি গঠন ও সম্মেলনের আয়োজন করবে। আহবায়ক কমিটির মধ্যে, আহবায়ক এস.এম. বাবর, যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে ফেরদৌস আলম হেলাল মুন্সি, সৈয়দ আলশ সিমুল, ফরিদুল আলম, নুরুল আউয়াল, খোরশেদ আলম, নুরুল হোসেন মনু, সদস্য সচিব মোঃ জহির, সদস্যদের মধ্যে যথাক্রমে মোঃ নুরুল আমিন জাহাঙ্গীর, আব্দুস সালাম, মোঃ সাইফুল, কাজী ইসমাইল হোসেন মুন্না, জসিমুদ্দিন, এমরান, আহম্মদ রায়হান, মোঃ ইলিয়াছ, কামাল উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, আমানুল্লাহ, সালামতুল্লাহ, জসিম উদ্দিন, নুরুচ্ছফা, ছুরুত আলম নুরুল আজিম, আব্দুল আল ফারুক, আজিজুর রহমান, নুরুল বশর, জানে আলম, আমান উল্লাহ, চান মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম।

বার্তা প্রেরক
এস.এম.বাবর
আহবায়ক
শ্রমিক পাটি জেলা শাখা, কক্সবাজার।
ছবি আছে
ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ও ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিন- ঈদগাঁওতে যুবলীগের সম্মেলনে সভাপতি- খোরশেদ

এস. এম. তারেক, ঈদগাঁও, “ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ও ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখুন” ২৮ সেপ্টেম্বর ঈদগাঁও ইউনিয়ন ও জালালাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে কক্সবাজার জেলা যুবলীগ সভাপতি ও দৈনিক রুপসী গ্রাম পত্রিকার সম্পাদক খুরশেদ আলম প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। ঈদগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় বিকেল ৪ টা’য় ঈদগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি তারেক আজিজের সভাপতিত্বে এবং নেজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বাস ষ্টেশনস্থ দি কিং অফ ঈদগাঁও কমিউনিটি সেন্টারে। পরে সন্ধ্যা ৬ টা’য় ঈদগাঁও হাইস্কুলের হল রুমেউসমান সরওয়ার আলম ডিপোর সভাপতিত্বে এবং আবুল কালাম নুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনদ্বয়ের উদ্ধোধন করেন কক্সবাজার সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এস. এম. বদিউল আলম আমির এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন সিকদার তাজমহল। উভয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগ সহ- সভাপতি জিএম কাসেম, জেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক এতে হুমায়ুন কবির হিমু, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান আজাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীবুল হক চৌং রিকো, জেলা যুবলীগ সদস্য ইফতেখার, জালালাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সেলিম মোর্শেদ ফরাজী, ইসলামপুর আওয়ালীগ সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান চৌং, ইসলামাবাদ আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এমইউপি, ইসলামাবাদ যুবলীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন জয়সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন সমুহের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সম্মেলন ও কাউন্সিলে যোগদান করেন। ঈদগাঁওতে উপস্থিত কাউন্সিলরগন সর্বসম্মতিক্রমে এহেছানুল হক ইমনকে সভাপতি এবং এনামুল হক রণিকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করে। অন্যদিকে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত জালালাবাদে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্টার লক্ষ্যে কাউন্সিল অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছিল।
২৮ সেপ্টেম্বর’১৩
ছবি আছে
ঈদগাঁওতে ইত্যাদি’র দৃশ্য ধারণ করলেন হানিফ সংকেত

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও।
মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ২৮-০৯-২০১৩ ইং।
জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির নন্দিত উপস্থাপক হানিফ সংকেত আগামী কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে বিটিভি তে প্রচারিতব্য ইত্যাদির দৃশ্য ধারণ করলেন ঈদগাঁওর ইসলামাবাদে। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর টানা দুই দিন কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের উত্তর বাঁশঘাটা এলাকায় ইত্যাদির পুরো টিম দৃশ্য ধারণের কাজে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। আবহমান গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য পুথিপাঠের আসরের দৃশ্য ধারণ করার জন্য ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবণ সংযোগ সড়কের মাথায় একটি ঘরে শ্যুটিং করেন ইত্যাদির কলা-কুশলীরা। উপরোক্ত স্থানে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণ ও মুরব্বিরা প্রত্যহ বিকাল ও রাতে পুথিপাঠের নিয়মিত আসর বসিয়ে আাসছেন। এ পুথিপাঠ শুনতে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন ভীড় জমান। গ্রাম বাংলার অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্য পুথিপাঠ অন্যান্য এলাকা থেকে ক্রমে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও ইসলামাবাদে এখনো এটা টিকে আছে ঐহিত্যরক্ষণ প্রয়াসী স্থানীয় কিছু জনগণের উদ্যোগে। এখানে নিয়মিত পুথিপাঠের খবর শুনে হানিফ সংকেত ইত্যাদিতে প্রচার করার জন্য বিষয়টি ধারণ করতে উপস্থিত হন ও অত্যন্ত আগ্রহের সাথে পুথিপাঠের আসর ক্যামেরাবন্দী করেন। ইত্যাদির টিম আগমণের খবর শুনে পার্শ্ববর্তী ঈদগাঁও বাজার থেকে বিপুল সংখ্যক উৎসাহী জনতা ভীড় জমান। আগামী ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড’র ঈদ অনুষ্ঠান মালায় প্রচারিতব্য ইত্যাদি অনুষ্ঠানে উক্ত পুথিপাঠের দৃশ্য দেখানো হবে বলে কলা-কুশলীরা জানিয়েছেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT