টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

জীবন মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবার কক্সবাজারে অপহরণের ১৮ দিন পরও উদ্ধার হয়নি ভারুয়াখালীর শহিদ উল্লাহ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও ::::Image eidgahঅপহরণের ১৮ দিন পরও কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালীর শহিদ উল্লাহ উদ্ধার না হওয়ায় তার জীবন মৃত্যু নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। অপহরণের ঘটনায় জড়িত আকতার হোসেন নামের একজনকে আটক পূর্বক রিমান্ডে নিলেও এখানো পর্যন্ত শহিদ উল্লাহ কোন খোজ মিলেনি। এনিয়ে অপহরণের শিকার পরিবারটির মাঝে বুকফাটা আহাজারি চলছে। উল্লেখ্য, গত ২৫ আগষ্ট সকালে ভারুয়াখালী ইউনিয়নের বড় চৌধুরী পাড়ার ছৈয়দ করিমের পুত্র শহিদ উল্লাহ মুরগীর মালামাল ক্রয়ের জন্য কক্সবাজার শহরে যাওয়ার পথে বাস টার্মিনাল এলাকায় পৌঁছলে উৎপেতে থাকা ৬/৭ জনের চিহ্নিত অপরাধীচক্র তাকে অস্ত্রের মুখে সিএনজি যোগে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারীরা বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে ৩ ল টাকা মুক্তিপন দাবী করে। অন্যতায় তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। এঘটনায় অপহরণের শিকার শহিদ উল্লাহর ভাই রহিম উল্লাহ বাদী হয়ে ৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার মডেল থানায় সুনির্দিষ্ট ৪ জনসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করে। যাতে আসামী করা হয় একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ হোছেনের পুত্র শহিদ উল্লাহ, হাবিব উল্লাহ, মোহাম্মদ ইউনুছের পুত্র শাহজাহান, আদর্শ গ্রামের আকতার হোছন (৩৬)। এজাহারটি বর্তমানে এসআই সুজনের নিকট তদন্তাধীন। উক্ত এজাহারের ৪নং আসামীকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলেও ঘটনার ১৮দিন পরও অপহরণের শিকার শহিদ উল্লাহর কোন কুলকিনারা না হওয়ায় তার ভাগ্যে কি ঘটেছে তা নিয়ে পরিবার শংকায় রয়েছে। অপরদিকে একটি প্রভাবশালী চক্র উল্টো অপহরতার প থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নেয়ার তদবির চালাচ্ছে বলে গোপন সূত্রে প্রকাশ। এঘটনায় ভূক্তভোগী পরিবার অহপরণের শিকার শহিদ উল্লাহকে উদ্ধার করতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তপে কামনা করেছেন। তাং- ১১-০৯-২০১৩ইং মোবাইল নং-০১৮১৮-৫৯৩২৮০ ঈদগাঁওয়ে ৬ জুয়াড়ি আটক আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ১০ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে ইউনিয়নের মহাসড়ক সংলগ্ন মেহেরঘোনা এলাকা থেকে ৬ জুয়াড়িকে আটক করেছে। আটককৃতরা হল ঈদগাঁও ইউনিয়নের সাতঘরিয়া পাড়ার সুুরুত আলমের পুত্র টিপু রহমান (৩০), মোস্তাক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ কালু (২৯), দণি মেহেরঘোনার আব্দুল মোতালেবের পুত্র আনু মিয়া (৪৫), মৃত আব্দুল মোতালেব মেম্বারের পুত্র মোহাম্মদ জুয়েল (২৮),  দণি মাইজ পাড়ার মৃত ছগির আহমদের পুত্র নুরুল ইসলাম (২৫), মৃত আকবর আকবর আহমদের পুত্র মোহাম্মদ ইউনুছ (৪২) ও ইব্রাহিম। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে উক্ত এলাকার নুর কমিউনিটি সেন্টারে এসআই নাছিরের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে উক্ত জুয়াড়ীদের খেলারত অবস্থায় আটক করে। পরে রহস্যজনক কারণে রাতেই ইব্রাহিমকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে অপর আটকৃতরা সংবাদকর্মীদের জানাই। এ ব্যাপারে অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, ধৃতদের মুছলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে হয়েছে। তবে নুর কমিউনিটি সেন্টারের পরিচালনা পরে মিজান জানান, পাহারাদার হিসেবে রাখা তার ভাগিনা নুরুল ইসলাম ৪শত টাকা ভাড়াতে জুয়াড়িদের ভবনে খেলার সুযোগ দেয়াতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন চিছকে এ জুয়াড়িদের আটক না করে মূলহুতা জুয়াড়ি সম্রাটদের আটক করলে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের হাত থেকে রা পাবে এবং আইন শৃঙ্খলা স্থিতি থাকবে বলে জানিয়েছে। ======================================

================================= (ছবি আছে) পরকিয়ার টানে কোলের সন্তানের জন্য হলেও প্রবাসীর হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া স্ত্রীকে ফিরে পেতে পথে পথে ঘুরছে হতভাগা স্বামী আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি। কোলের ২ সন্তান ও দিনমজুর স্বামীকে ফেলে পরকিয়ার টানে প্রবাসীর হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া স্ত্রীকে অন্তত সন্তানদের জন্য হলেও ফিরে পেতে দিনের পর দিন পথে পথে ঘুরছে হতভাগা স্বামী। কেউ জিজ্ঞেস করলেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠে তুলে ধরে মায়ের জন্য তার ২ সন্তানের দিনরাত কান্নাকাটিও অনাহারে পড়ে থাকার যন্ত্রণাদায়ক চিত্র। খুজে পেয়েও ফেরাতে না পেরে ২ সন্তানকে নিয়ে এখনো স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার আশায় বিভিন্ন স্থানে ধরণা দিচ্ছে দিনমজুর স্বামী ছৈয়দ করিম (৩৮)। সে পার্বত্য বান্দরবান জেলার নাই্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের তুফান আলী পাড়া গ্রামের বদিউজ্জামানের পুত্র। গত ৪ সেপ্টেম্বর ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে সন্তানদের নিয়ে ঘুরাফেরার সময় তার অসহায়ত্ব দেখে কারণ জানতে চাইলে হতভাগা ছৈয়দ করিম এ প্রতিনিধিকে উপস্থিত লোকজনদের সামনে তার এই করুণ দশা বন্যা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। তার দেয়া তথ্যে জানা যায়, কয়েক বছর পূর্বে তার সাথে বিয়ে হয় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার দোছরি এলাকার বজল আহমদের সুন্দরী কন্যা মনোয়ারা বেগমের। বিয়ে পরবর্তী তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই চলে যাচ্ছিল। বর্তমানে তাদের সংসারে সাইফুল (৬) ও ইব্রাহিম (৩) নামের দু’সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও ২ সন্তানের ভবিষ্যত উজ্জ্বল করতে ও আর্থিক অনটন থেকে মুক্তি পেতে স্বামী-স্ত্রীর পরামর্শক্রমে দিনমজুর ছৈয়দ করিম নিজ এলাকায় কাজ করার পরিবর্তে দুরবর্তী স্থানে অধিক আয়ের আশায় কাজ করতে যায়। কয়েকদিন না যেতেই স্ত্রী মনোয়ারা মোবাইল ফোনে স্বামীকে জানায় তার দু’সন্তান বাড়িতে ফেলে রেখে সে একই এলাকার দুবাই প্রবাসী মেহের আলীর পুত্র আব্দুলাহর সাথে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়ে গেছে। স্ত্রীর কথা শুনে হতভাগা ছৈয়দ করিম হতভম্ব হয়ে দিকবিধিক ছুটাছুটি করার এক পর্যায়ে মাটিয়ে পড়ে যায়। পরে কোন রকম বাড়িতে এসে দেখতে পায় তার দু’অবুঝ শিশু মায়ের জন্য অঝোর ধারায় কান্না করছে। ছেড়ে দিয়েছে খাওয়া দাওয়া। কোন রকম নাস্তা পানি দিয়ে খানিণ কান্না থামাতে পারলেও ঘুম থেকে জাগতেই মা মা বলে কান্না করতে থাকে। অবশেষে নিরুপায় হয়ে দু’সন্তানকে নিয়ে ছৈয়দ করিম শশ্বুড় বাড়িতে গিয়েও স্ত্রীর ব্যাপারে কোন রকম সদৌত্তর না পেয়ে অন্তত সন্তানদের জন্য হলেও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ায় সন্তানদেরকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় স্ত্রী খোঁজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। গত কয়েকদিন পূর্বে তার স্ত্রী ওই প্রবাসী আব্দুলাহর সাথে চট্টগ্রামের এক ভাড়া কলোনীতে অবস্থানের সংবাদ পেয়ে সেখানে ছুটে গেলে উল্টো তাকে (স্বামীকে) ছিনেনা বলে গালি গালাজ করে মারধরপূর্বক টেনে হেছড়ে বের করে দেয় বলে এ প্রতিবেদককে কান্না জাড়িত কন্ঠে জানান। বর্তমানে অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে, বাচ্চা গুলো রেখে সে পারছেনা কাজকর্ম করতে যেতে আবার থাকলেও অভিরাম কান্না করছে অবুঝ বাচ্চা গুলো। এ অবস্থায় তার চোখের পানি ছাড়া অবুঝ বাচ্চাদের দেয়ার আর কিছু নেই। সচেতন মহলের দাবী নারী নির্যাতনের কঠোর আইন দেশে বলবৎ থাকলেও পুরুষ নির্যাতনের কোন আইন না থাকায় নারীরা পুরুষদের নানা ভাবে নির্যাতন করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই তারা সামাজিক বৈসম্য একই ধরণের পুরুষ নির্যাতন আইন প্রণয়নে দেশের সরকার আইন বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টি কামনা করেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT