টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

জালালাবাদে সুপারি চোরদের গোপন বৈঠক

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ ইউনিয়নে সুপারী চোরদের উপদ্রব বেড়ে গেছে। চলতি বছর সুপারি উৎপাদন মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন গ্রামের বসত বাড়ির সুপারি গাছ ও বাগান থেকে প্রায় প্রতি রাতেই চুরি হচ্ছে কাঁচা-পাকা সুপারি। সংবদ্ধ সুপারি চোরেরা এক হয়ে সম্প্রতি গোপন বৈঠক করেছে বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, ১ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে ফরাজী পাড়ার দুই ব্রিক ফিল্ডের মধ্যবর্তী স্থানে বৈঠকে মিলিত হয় ৮/১০ জন বখাটের দল। এতে জালালাবাদ ইউনিয়ন ব্যাপী বিভিন্ন পাড়া-গ্রাম-মহল্লার বসতবাড়ী ও সুপারি বাগান থেকে সুপারি চুরি ও চুরিকৃত সুপারি বিক্রির ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনার একপর্যায়ে মতের মিল না হওয়ায় তাদের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতন্ডা হয়। অবশেষে চরম ঝগড়া ও বাদানুবাদের ফলস্বরূপ বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ২/৩ জন চোর ঘটনাটি পর দিন সকালে ফাঁস করে দেয়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ভীতির সঞ্চার হয়েছে। সুপারি চোরদের গোপন বৈঠকের কথা জানার পর অনেকে গৃহস্ত রাত জেগে সুপারি গাছ ও বাগান পাহারা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এ বছর সুপারির দাম বেশী হওয়ায় চোরেরা সুপারি চুরি করতে কোমর বেঁধে নেমেছ। এতে বেকায়দায় পড়েছে গৃহস্তরা। ৩/৪ দিন আগে জালালাবাদ খামার পাড়ায় রাতের বেলা গাছ থেকে সুপারি চুরি করার সময় গৃহস্ত টের পেয়ে গাছে টর্চের আলো ফেললে চোরেরা পালিয়ে যায় বলে জানান এলাকাবাসীরা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঈদগাঁও বাসীর প্রাণের দাবী

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫। কক্সবাজার সদরের বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও রাজনীতির মারপ্যাঁচে পড়ে সবসময় অবেহেলিত ও দূর্ভোগের এলাকায় পরিণত হয়েছে। আজ (৩ সেস্পেম্বর) বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রত্ম কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনে ঈদগাঁওবাসী শেষ বারের মতো আশা নিয়ে দাবীর ঝুলি উত্থাপন করছে। অত্র এলাকা বৃহৎ ও জনসংখ্যার দিক দিয়ে বেশী হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে অনেক দূরে রয়েছে। বিশালায়াতন এ এলাকার ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর, পোকখালী, জালালাবাদ, চৌফলদন্ডী ও ভারুয়াখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনসাধারণকে প্রশাসনিক কাজকর্মের জন্য মধ্যবর্তী রামু উপজেলাকে অতিক্রম করে দীর্ঘ ৩৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলায় যেতে হয়। এতে ৭ ইউনিয়নবাসী একদিকে আর্থিক খরচ ও অন্যদিকে মূল্যবান সময় অপচয়ের মুখোমুখি হচ্ছে। এ দৃষ্টিকোন থেকে অত্র বৃহৎ এলাকাকে উপজেলা ঘোষণাসহ যে সকল দাবী সুশীল সমাজ তুলে ধরেছে, সেগুলো যথাক্রমে- মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা, ঈদগাহ্ ফরিদ আহমদ কলেজে অনার্স কোর্স চালু, আলমাছিয়া ফাজিল মাদ্রাসাকে কামিল মানে উন্নীত করণ, ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে ট্রাফিক পুলিশ ব্যবস্থা, ইসলামপুর টু কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়ক চালু, বঙ্গবন্ধু ষ্টেডিয়াম নির্মাণ, সরকারী গণপাঠাগার নির্মাণ, কারিগরী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, ফায়ার ষ্টেশন নির্মাণ, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ, গণশৌচাগার নির্মাণ, ঈদগাঁও বাজার রক্ষাবাঁধ তৈরী, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারী হাসপাতাল নির্মাণ ও ঈদগাঁও প্রাণী সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ পশু হাসপাতালে রূপান্তর। বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত অত্র এলাকার সার্বিক উন্নতি কল্পে এসবদাবী পূরণ করার জন্য গণতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসী আকুল আবেদন করছে।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT