টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

গ্রাম বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য লাঙ্গল ,বলদের দিন কি তবে শেষ !

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এস. এম. তারেক, ঈদগাঁও, গ্রাম বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য  বলদ আর লাঙ্গল দিয়ে ভুমি কর্ষণ কালের গর্ভে বিলীন হতে চলেছে।  নিকট অতীতেও জমি চাষ দিতে বাংলার কৃষককুল কাক ডাকা ভোরে  লাঙ্গল, জোয়াল আর বলদ নিয়ে মাঠে যেতেন। কালের বিবর্তণে এবং যান্ত্রিক সভ্যতার এ যুগে পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর, লাঙ্গল, বলদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর সেজন্যইত খুব একটা দেখা যায় না লাঙল বলদ দিয়ে চাষাবাদের এক সময়কার গ্রাম বাংলার চিরায়িত দৃশ্য। কৃষক চিন্তাও করতে পারেনি সভ্যতার ক্রমবিকাশ এবং অত্যাধুনিক কৃষি সরঞ্জাম বলদ লাঙ্গলের বিকল্প হয়ে উঠবে। বর্তমানে  গ্রাম বাংলার প্রায় ৯০ ভাগ কৃষক, কৃষির আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে জমি চাষাবাদ করে আসছে। অনেকে আবার এসব যন্ত্রপাতি অন্যের কাছে ভাড়া দিয়ে দু’পয়সা আয়ও করছে। সে কারণে গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাঙ্গল, জোয়াল  বলদ ও মই  দিয়ে জমি চাষের অপূর্ব দৃশ্য। বলা যায়, প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে এখন এসব পুরোনো কৃষি উপকরণের। কারণ যেখানে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি দিয়ে অতি অল্প সময়ে এবং সল্প খরচে কৃষক জমি চাষ দিতে পারছেন সেখানে একালের হিসেবী ও শিক্ষিত কৃষক অতিরিক্ত পয়সা ব্যয় করতে যাবেনইবা  কোন দুঃখে। এক সময় যারা লাঙ্গল , জোয়াল, মই তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এখন তারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। আগের মত আর তাড়া নেই তাদের জীবনে। অথচ এমন একদিন ছিল যখন তাদের ব্যস্ততার শেষ ছিলনা। পরিস্থিতির কারণে  বর্তমানে অনেকেই পেশা বদল করেছেন। তবে কেউ কেউ এখনও লাঙ্গল, জোয়াল, মই তৈরী করে তা বাজারে পসরা সাজিয়ে বসেন। তবে বিক্রি আগের চেয়ে অনেক কম, জানালেন, ঈদগাঁও ভোমরিয়াঘোনা এলাকার লাঙ্গল জোয়াল বিক্রেতা হাফিজ আহমদ।

৭ অক্টোবর’১৩           ছবি আছে সর্বোচ্চ গরুর দাম হাকা হয়েছে আড়াই ল টাকা ঘন ঘন বৃষ্টিকে উপো করে ঈদগাঁও’র কোরবানীর পশুর হাটে দেশীয় গরু মহিষের সয়লাব: ক্রেতাদের সংখ্যা কম এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৮/১০/২০১৩ইং কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে ঘন ঘন বৃষ্টিকে উপো করে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহার কোরবানীর পশুর হাটে দেশীয় গরু মহিষের সয়লাব দেখা গেলেও কিন্তু ক্রেতাদের সংখ্যা অনেকাংশে কমে গেছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ৭/৮ হাজার টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে গরু মহিষ। তবে এবারের কোরবানের পশুর হাটে ৮অক্টোবর সর্বোচ্চ গরুর দাম হাকা হয়েছে আড়াই ল টাকা। এদিকে উৎসবের দিন প্রায় ঘনিয়ে এলেও এখনো ঈদগাঁও বাসষ্টেশন সংলগ্ন পশুর হাটে বেচাকেনা তেমন জমে উঠেনি। পশুর হাটে ক্রেতাদের নেই কোন উৎসাহ উদ্দিপনা। তাছাড়াও দীর্ঘ দিন ধরে গ্রাম গঞ্চের লোকজন আসার বুকবেধে গরু-মহিষ লালন পালন করে আসছে এই কোরবানির পশুর হাঁটে বিক্রয় করার ল্েয। জানা যায়, প্রতিবছর ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সাধ্যমত কোরবানীর পশু কেনার তোড়জোড় শুরু হয়। চলতি বছর পশুর হাটে বেচাকেনা তেমন জমে না উঠলেও প্রায় কোরবানী দাতা  অনানুষ্টানিক ভাবে গরু মহেশ কেনার ব্যাপারে প্রাথমিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এসব আলোচনায় উঠে আসছে পশুর বিভিন্ন রকম দামের কথাও। তবে প্রতিবছরের মতো ছোট ও বড় গরুর চেয়ে মাঝারী সাইজের গরুর দামে তেমন হেরফের হবেনা বলে একাধিক গরু ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়। এরপরও গতকাল ঈদগাঁও বাসষ্টেশন সংলগ্ন পশুর হাটে গরু-মহিষে  দাম দেখে বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ৬ ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের বহুলোকজন নানা মন্তব্য করতে দেখা যায়। অপরদিকে এবারের পশুর হাঁটে কোরবানের গরু মহিষ মোটাতাজাকরণ করে হাঁটে আনা হয়েছে বলে ক্রেতা সুএে জানা যায়। এছাড়াও জেলার দ্বিতীয়তম ঈদগাঁওয়ের বিশাল পশুরহাঁটে গরু-মহিষ বিক্রেতারা জাল টাকা ও পকেট মারদের  আতঙ্কে রয়েছেন। অন্যদিকে এই পশুর হাঁটে কতিপয় দালাল চক্রের দৌরাত্বে জিম্মী হয়ে পড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। আবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দূর দুরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের মতে, এই বৃহত্তম পশুর হাঁটে ত্রিমুখী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পুলিশ টহলের দাবি জানিয়েছেন অনেকে। কোরবানীর পশু কিনতে আসা কক্সবাজার সরকারী কলেজের সাজ্জাদুল ইসলাম (চয়ন) নামের এক শিাথী এই প্রতিনিধিকে জানান, পছন্দের গরু দেখছি, কিন্তু দাম নিয়ে টেনশন ভোগ করছি। আমার মত অনেক ক্রেতা সাধারণ একই অবস্থায় পড়তে দেখা গেছে। ফলোআপ জালালাবাদ যুবলীগের সম্মেলনের ৯দিন পর কমিটি ঘোষনা: সন্তোষ প্রকাশ তৃণমূল নেতা কর্মীদের এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৮-১০-২০১৩ইং দৈনিক আজকের কক্সবাজার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর কক্সবাজার সদর উপজেলা যুবলীগের আওতাধীন জালালাবাদ ইউনিয়ন শাখার সম্মেলনের ৯ দিন পর অবশেষে সভাপতি-সাধারন সম্পাদকের নাম ঘোষনা হলো। এ নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে নেমে এসেছে খুশির আমেজ। প্রাপ্ত তথ্য জানা যায়, বিগত ২৮ সেপ্টেম্বর বহুপ্রতিীত জালালাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের  সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্টিত হয় ঈদগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে। উক্ত সম্মেলনে জেলা সভাপতি খুরশেদ আলম, সদর সভাপতি এস. এম বদিউল আলম আমির, সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন সিকদার সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্র্মীরা উপস্থিত ছিলেন । সম্মেলন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশন কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে চার জন প্রতিদন্ধিতা করে। তৎমধ্যে সভাপতি পদে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি শাহনেওয়াজ ও ব্যবসায়ী -বাজার এলাকার বাসিন্দা হাসান তারেক। অপরদিকে -সাধারণ সম্পাদক পদে জালালাবাদ ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি শামসুল আলম ও জালালাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াবুল মোর্শেদ। অন্যদিকে  সম্মেলন শেষে কাউন্সিলে সভাপতি- সম্পাদক পদের প্রার্থীরা একে অপরকে ছাড় না দেওয়ার ফলে প্রকৃত অর্থে সভাপতি-সাধারন সম্পাদক ঘোষনা না করে সম্মেলন স্থল ত্যাগ করে চলে যান নেতা কর্মীরা। অবশেষে সম্মেলনের ৯দিন পর গত ৭ অক্টোবর সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম বদিউল আলম আমির ও সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দীন সিকদার তাজমহল জালালাবাদ ইউনিয়ন শাখার  সভাপতি হিসাবে যুব সমাজের সুপরিচিতমুখ ও ব্যবসায়ী হাসান তারেক এবং সাধারন সম্পাদক হিসাবে জালালাবাদ যুবলীগের সাবেক সফল সাধারন সম্পাদক জিয়াবুল মোর্শেদের নাম ঘোষনা দেন। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক তৃণমূল নেতা কর্মীদের মতে, যারা দলের দুর্দিনে আন্দোলন সংগ্রাম করে রাজনৈতিক মাঠে সক্রিয় ভুমিকা রেখেছিলেন তাদেরকে মূল্যায়ন করার অভিনন্দন উর্ধতন নেতৃবৃন্দের কাছে জোর দাবী। ———————————- বাজার কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের দু’টি সংগঠন থাকলেও কোন কাজ নেই অভিভাবকহীন ঈদগাঁও বাজার ঃ নানা সমস্যায় জর্জরিত

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখ-০৮-১০-২০১৩ইং কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজার নানা অব্যবস্থাপনা, বহু সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত কেনাকাটার মধ্য দিয়ে চলছে বাজারের দিনকাল। ফি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব এ বাজার হতে সরকারী কোষাগারে গেলেও উন্নয়নের কোন শব্দই নেই। ফলে ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সাধারণ নানা মুখী ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এসব সমস্যা উত্তোরণে কারো কোন মাথাব্যাথা ল্য করা যাচ্ছে না দীর্ঘকাল ধরে। নানা সূত্রে জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজারে ২ হাজারেরও বেশি ছোট-বড় দোকানপাট ও সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সদরের ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামপুর, চৌফলদন্ডী, ভারুয়াখালী, রামু, ঈদগড়, রশিদ নগর মিলে দূর-দূরান্তের ইউনিয়ন সমুহের ুদ্র ব্যবসায়ীদের নিয়ে সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার দুই দিন হাট বসে। হাটের দিন ছাড়াও সাধারণত দৈনিক হাজার হাজার লোকের পদচারণা ও এ বাজারে। নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক নজরদারী না থাকায় যে যার মত করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেও বাজারের ডিসি সড়ক, পশ্চিম গলি সহ বৃহত্তর বাজারের বিভিন্ন উপ-সড়ক গুলো নানা কর্দমাক্ত – জলাবদ্ধতায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এর অবস্থায় শিকার হচ্ছে দিন দিন। বাজারে সরকারী পাবলিক টয়লেট টি ২ যুগ ধরে ব্যক্তির দখলে নিয়ে গেছে। যার ফলে সমস্যা লেগেই রয়েছে। বিশাল এ বাণিজ্যিক এলাকায় ব্যাপক হারে পলিথিন ব্যবসা চলছে। আইনের বিধি-বিধান থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে নির্বিকার। দোকানদাররা বিভিন্ন পণ্যে মূল্য তাদের ইচ্ছামত নির্ধারণ করে ভোক্তাদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। এতে করে অসহায় ক্রেতাদের বেশি দাম দিয়ে জিনিসপত্র কিনতে হচ্ছে। বাজারের একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সুকৌশলে চুরি কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। বাসষ্টেশন ও বাজারের কিছু খাবারের হোটেলে অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরী খাবার খেয়ে পেটের পীড়াসহ নানা রোগে ভুগছে ভোক্তারা। বর্তমানে ঈদগাঁও বাজারটি নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে অভিভাবকহীন অবস্থায় পড়ে আছে। এমনকি বাজার কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের দু’টি সংগঠন থাকলেও কাজে তাদের তৎপরতা ল্য করা যাচ্ছে না। এ নিয়ে ব্যবসায়ী মহলের মাঝে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদগাঁও বাজারের নানা সমস্যার প্রতি নজর দিয়ে দ্রুত কাজ করার আহবান জানান সচেতন বাজারবাসী। এসব বিষয়ে ঈদগাঁও লেখক সোসাইটির সভাপতি রুবেল ও সাধারন সম্পাদক ফারুক জানান, জেলার দ্বিতীয় বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারটি অভিভাবকহীন অবস্থায় পড়ে থাকা মানে আমাদের জন্য অত্যান্ত লজ্জাজনক। তাই তড়িৎ গতিতে বাজারের সমস্যা সমাধানে বাজার কতৃপরে নিকট জোর দাবী। ========== ঈদগাঁও পত্র বুলেটিন প্রকাশিত হচ্ছে ঈদগাঁওতে ইএলএস’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৮/১০/২০১৩ইং একঝাঁক লেখকদের সংগঠন ঈদগাঁও লেখক সোসাইটি (ইএলএস)’র নবগঠিত কমিটির এক প্রস্তুতি সভা ৭অক্টোবর রাত্রে বাজারস্থ সোসাইটির অস্থায়ী কার্যালয়ে ইএলএস’র সভাপতি এসএম রুবেল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার লেখক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক এম আবু হেনা সাগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার লেখক সোসাইটির নেতা জসিম উদ্দিন জয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন- ঈদগাঁও লেখক সোসাইটির সদস্য নুরুল কবির, ফয়সাল আল ফিরোজ, মোহাম্মদ নুর, আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ মোবিন, রায়হানুর কবির, ইব্রাহিম ও মিজান। সভা পরিচালনা করেন সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক। প্রস্তুতি সভায় বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসা-ইউনিট কমিটি গঠন সহ সোসাইটির মূখপত্র “ঈদগাঁও পত্র” নামক বুলেটিনটি প্রকাশনার সিদ্বান্ত গৃহিত হয়। অন্যদিকে ঈদ পূর্ণমিলনী সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মসুচী হাতে নেয়া হয়। ———————-

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT