টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

গোপন কুঠুরিতে আটকে রাখা ৬ তরুণী উদ্ধার

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৭৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটের এক প্রত্যন্ত গ্রামে এক বাড়িতে দু বছর ধরে আটকে রাখা ছয় তরুণীকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি এই ছয় তরুণীকে জোর করে যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করেছিল।

কালাই উপজেলার এক ইউপি সদস্য সেকান্দর আলীর বাড়ি থেকে রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উদ্ধার করা এই ছয় তরুণীকে এখন রাজশাহীতে মহিলাদের এক নিরাপদ আবাসে রাখা হয়েছে। পুলিশ সেকান্দর আলীকে ধরতে পারেনি। তবে তার চার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সেকান্দর আলীর ছয় স্ত্রীর বাকি দুজন পলাতক রয়েছে।

একটি প্রত্যন্ত গ্রামে এভাবে ছয় তরুণীকে আটকে রেখে যৌনপেশায় নিয়োজিত করার এই ঘটনা বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

জয়পুরহাটের কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রমজান আলী জানান, যে ছয় তরুণীকে সেখানে আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের একজন কৌশলে এক খদ্দেরের মোবাইল ফোনে বাইরে খবর পাঠাতে সক্ষম হয়। সেই খবরের সূত্র ধরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার হামিদুল আলম এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গোপন কুঠুরি পুলিশ সুপার হামিদুল আলম জানান, কালাই উপজেলার আহমেদাবাদ ইউনিয়নের হারুনজা গ্রামে পুলিশ যখন প্রথম অভিযান চালায়, তখন প্রথমে বুঝতেই পারেনি যে সেখানে ছয় জন তরুণীকে এভাবে আটকে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, “এই বাড়িটিতে নির্জন একটি কুঠুরি আছে। বাইরে থেকে বোঝার কোন উপায় নেই। মাত্র সাত-আট বর্গফুটের একটি ছোট্ট কক্ষ। দুটি দেয়াল তুলে এই কক্ষটি আড়াল করা ছিল। সেখানে ঢোকার যে ছোট্ট দরোজা সেটির মুখে একটি আলমারি রাখা ছিল। যাতে কেউ বাইরে থেকে বুঝতে না পারে।”

তিনি বলেন, পুলিশ তাদের প্রথম দফা অভিযানের সময় বুঝতেই পারেনি যে এরকম একটি ছোট গোপন কুঠুরি সেখানে আছে।

এরকম একটি ছোট্ট কক্ষে ছয় তরুণী কিভাবে এত দীর্ঘ সময় থেকেছে- সে প্রশ্নের উত্তরে হামিদুল আলম বলেন, এসব মেয়ে বেশিরভাগ সময় ওই কক্ষেই থাকতো যাতে বাইরের লোক কিছু বুঝতে না পারে। কিন্তু খদ্দেররা আসলে তাদের বাড়ির অন্য কক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো।

এ ঘটনার ব্যাপারে মানব পাচার আইনে সেকান্দার আলী এবং তার স্ত্রীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT