টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

খুনিয়াপালং সাহাব উদ্দিন হত্যার ঘটনায় দু’জনকে অভিযুক্ত করে মামলা :নিরীহ লোকজনকে ফাঁসানোর য়ড়যন্ত্র!

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবদুল মালেক, কক্সবাজার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ গোয়ালিয়াপালং এলাকার সাহাব উদ্দিন খুনের ঘটনা নিয়ে দু’জনকে অভিযুক্ত করে রামু থানায় মামলা দায়ের করলেও এলাকার নিরিহ আরো লোকজনকে ফাঁসানোর য়ড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এলাকার একটি মামলাবাজ চক্র। ওই সব মামলাবাজ চক্র প্রতিনিয়ত রামু থানা পুলিশকে এলাকার বিভিন্ন নিরিহ লোকজনের নামের তালিকা দিয়ে আসছে এবং এসব নিরিহ লোকজনকে তুকে’ আসামী করা হচ্ছে ভয়ভীতি দেখিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এমকি মামলার বাদীকে এলাকার নিরিহ লোকজনকে দায়ের করা মামলার  এজাহারে  নাম অন্তভুক্ত করা জন্য চাপপ্রয়োগ করে আসছে। নিরিহ মামলার বাদী এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ গোয়ালিয়াপালং এলাকার ছৈয়দ উল্লাহ ছেলে সাহাব উদ্দিনকে একই এলাকার ছৈয়দ নুর নামের অপর এক যুবক বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ঈদের দু’দিন পূর্বে খুন করে। এ নিয়ে নিহতের ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে গত ৬ আগস্ট রামু থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ছৈয়দ নুর, দিদারুল ইসলাম নামের দু’জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে দায়েরকৃত মামলায় ২নং আসামী এলাকার এক নিরপরাত যুবক। সাহাব উদ্দিনের পরিবারের সাথে পূর্ব শ্রুতার কারনে তাকে জগন্য একটি মামলায় আসামী করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাহাব উদ্দিনের খুনের ঘটনা নিয়ে তার পরিবারের তেমন মাথ্যা না থাকলেও এলাকার একটি দালাল প্রকৃতির লোক সাহাব উদ্দিন হত্যাকান্ড নিয়ে নান তালবাহনা চালিয়ে আসছে। এলাকার নিরিহ লোকজন যাতে হয়রানীর শিকার না হয়, সেই জন্য মামলাটি গভীর ভাবে তদন্ত করা দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এদিকে গতকাল রামু থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেতৃত্বে একদল পুলিশ সাহাব উদ্দিনের বাড়ী এলাকায় গেলে ওই মামলাবাজ চক্রটি বরাবরের মতো এলাকার নিরিহ লোকজনের নাম বলেন। স্থানীয় লোকজন জানান যাদের নাম বলা হয়েছে, তারা কি আসলে ঘটনার সাথে জড়িত  বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আজাদ মিয়ার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। রামু থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্লেরাজু নাহা গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্র্শন করা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি থাকতে  সহজেই  এলাকার নিরিহ কোন লোকজন হয়রানী শিকার হতে দেয়া হবে। খুনিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ জানান, সাহাবুদ্দিন খুনের ঘটনা ব্যাপকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। স্থানীয় কোন লোকজন এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। মামলার বাদির আত্মীয় শামসুল আলম সাহাবুদ্দিন হত্যাকে পুঁজি করে এলাকার নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করছে। তিনি এলাকার কোন নিরীহ লোক যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে প্রশাসনকে সজাগ থাকার আহবান জানান।

আবদুল মালেক, কক্সবাজার ০১৮২৫-৯৯৮৯৭৬

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT