টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি

কোরবানি ঈদে মসলাজাত দ্রব্যের দাম কমেছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৩
  • ২০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Moshala-bazar

এবার কোরবানি ঈদে মসলা বাজার ক্রেতাদের নাগালের ভিতরে রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এই বছর অর্ধেক দাম কমে বিক্রি হচ্ছে সব ধরণের মসলা। তবে পেঁয়াজ নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা রয়েছে বাজারে। দাম বাড়েনি রসুন, আদা, শুকনা মরিচ ও হলুদের। বরং গত বছরের চেয়ে এই কোরবানি ঈদে এলাচি, লং, গোল মরিচ ও চিকন জিরার দাম অর্ধেক কমেছে। ক্রেতারা বাজার মূখী হলেও সব ধরণের মসলার দাম স্থিতিশীল অবস্থায় বিক্রি হবে বলে ব্যবসায়িরা মন্তব্য করেন। কোরবানে মসলার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ি বাজারে ভেজার মসলার সরবরাহ করতে পারে বলে অনেক ব্যবসায়িদের ধারণা। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে গুদামে মজুদ করা ও নষ্ট মসলা বাজারে ছড়িয়ে দিতে পারে অসাধু ব্যবসায়িরা।  গতকাল বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার, বাহারছড়া বাজার ও কালুর দোকান বাজার ঘুরে এই চিত্র পাওয়া যায়।  ব্যবসায়িদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আসন্ন কোরবানি ঈদে সব ধরণের মসলার দাম স্বতি রয়েছে। অগ্রিম বাড়েনি কোন মসলার দাম। গত বছরের চেয়ে এই বছর কোরবানে মসলার দাম কমেছে। বর্তমানে বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজে বিক্রি হচ্ছে ৬২/৬৫ টাকায়। গত দশ দিন আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৭৫/৮০ টাকায়। দশ দিন ব্যবধানে কিছুটা দাম কমে এখন সর্বোচ্চ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। তবে আগামীতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়িদের মাঝে দেখা দিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। বাজারে পেঁয়াজের সংকট রয়েছে। চাহিদা মত পেঁয়াজের সরবরাহ নেই। ছোট ও নষ্ট পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বাজারে।  প্রতিকেজি চাইনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকায়, চাইনা আদা ১২০ টাকা, দেশি শুকনা মরিচ ১৮০ টাকা, ইন্ডিয়ান শুকনা মরিচ ১১৫ টাকা, হলুদ ৭৫ টাকা ও প্রতিকেজি ধনিয়া বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা ধরে। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ৮২ থেকে ৮৫ টাকা ও বোতল জাত ৫ লিটার রূপচাঁদা বিক্রি হচ্ছে ৬শ’ টাকায়। গত বছরের চেয়ে অর্ধেক দাম কমে এলাচি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১ হাজার টাকায়। গত বছর কোরবানি ঈদে এলাচি বিক্রি হয়েছিল ২ হাজার থেকে ২২শ’ টাকা পর্যন্ত। এক বছরে এলাচির দাম কমেছে প্রায় ১২শ’ টাকা। প্রতিকেজি লং বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬শ’ ৫০ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৮শ’ টাকায়। গোল মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৭২০ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছিল ৮৫০ টাকায়। প্রতিকেজি চিকন জিরা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। গত বছর কোরবানি ঈদে বিক্রি হয়েছিল ৩৯০ টাকায়। মিষ্টি জিরা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬০ টাকায়। গত বছর বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা ধরে।  শহরের বড় বাজার এলাকার শাহ আলম ষ্টোরের কর্মচারি সাদ্দাম হোসেন কে জানান, গত বছরের চেয়ে এই বছর কোরবানি ঈদে সব ধরণের মসলার দাম কম রয়েছে। কোন ধরণের মসলার দাম বাড়েনি। বরং অর্ধেক দাম কমে বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁয়াজের বাজার নিয়ে ব্যবসায়িরা শংকিত রয়েছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ নেই। বাজারে যা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ নষ্ট ও ছোট সাইজের। যে কোন সময় পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ক্রেতারা বাজারমূখী হলেও সব ধরণের মসলার দাম স্থিতিশীল থাকবে বলে তিনি জানান।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন ব্যবসায়ি দৈনন্দিনকে জানান, কোরবানি ঈদে মসলার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ি বাজারে ভেজাল মসলা সরবরাহ করে থাকে। অল্প দামে বাজারে ভেজাল মসলার বিস্তার ঘটাতে ইতিমধ্যে তারা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়িকে হাত করে তারা ভেজাল ও নষ্ট মসলার বিস্তার ঘটায়। বেশির ভাগ ভেজাল মসলা পাড়া/মহল্লা ও গ্রাম-গঞ্জে সরবরাহ করে থাকে।  চাউল বাজার এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম দৈনন্দিনকে জানান, বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেলেও মসলার দাম কম রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর কম দামে মসলা বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে প্রতি বছর ভেজাল মসলার বিস্তার ঘটে। যাতে ক্রেতারা প্রতারিত না হয় সে জন্য প্রশাসনকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT