হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদমজার বিষয়

কৃপণের হাসিসহ ৮টি জোক্‌স!

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক :: ঝড়-তুফানে পড়ে মাঝ নদীতে জাহাজ ডুবে যাচ্ছে। জাহাজের যাত্রীদের মধ্যে ছিল দেশের সবচেয়ে কৃপণ লোকটাও। সেও ডুবছে। কিন্তু অন্যরা যখন ভয়-আতঙ্কে দিশেহারা, তখন দেখা গেল সে আপন মনে হাসছে।

ওই বিপদেও পাশের যাত্রীদের চোখ কপালে। একজন জিজ্ঞেস করলো: ভাই, জাহাজ ডুবছে! কোথায় সৃষ্টিকর্তার নাম নিবেন, তা না করে আপনি হাসছেন?

কৃপণ: আমি খুশিতে হাসছি!

সহযাত্রী: কী এমন খুশির ঘটনা ঘটলো বলুন তো আমরাও শুনি।

কৃপণ: আরে ভাই, আমি আপনাদের মতো রিটার্ন টিকিট কাটি নাই।  কতগুলো টাকা বেঁচে গেল খেয়াল করেছেন?

(২)

বিটকেলে আচরণ আর বুদ্ধির প্যাঁচে মন্টুর বাপের মতোই তার বন্ধু ঝন্টুর বাপও কম যায় না। সেদিন মন্টুর বাপ ঝন্টুর বাপরে সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে গেল। গিয়ে দেখলো বন্ধু তিন মিটার লম্বা এক পাইপে হুক্কা টানছে।

মন্টুর বাপ: তামাক খাওয়াটা খারাপ কাজ।

ছাড়তে পারলি না। কিন্তু তাই বলে এত লম্বা পাইপ লাগিয়ে হুক্কা টানার দরকার কী?

ঝন্টুর বাপ: দোস্ত, ডাক্তারও বলছে তামাক থেকে দূরে থাকতে, তোরাও কস। তাই তামাককে দূরে রাখার চেষ্টা করছি আর কী…

(৩)
ইন্টারভিউকর্তা: যে ব্যাচেলর পুরুষটির সব আছে তাকে আর কী দেওয়া যায়?

চাকরিপ্রার্থী: একজন স্ত্রী।

ইন্টারভিউকর্তা: কেন কেন?

চাকরিপ্রার্থী: স্ত্রী-ই শেখাবেন তার সবগুলো জিনিসের ব্যবহারবিধি।

(৪)
ভোজনপ্রিয় স্ত্রী: সুইটহার্ট, তোমার কি মনে হচ্ছে না যে আমি মুটিয়ে যাচ্ছি?

স্মার্ট স্বামীর ঝটপট জবাব: না! কী যে বল? আমাদের শোবার ঘরটা আসলে চেপে গেছে, তাই…

(৫)
স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া তুমুল মারপিটে রূপ নিল। জখম নিয়ে দুজনেই হাসপাতালে ভর্তি। রক্ত দিতে হবে দুজনকেই। ডাক্তার প্রশ্ন করলেন: আপনাদের দুজনের রক্তের গ্রুপ কি একই?

কাতরাতে কাতেরাতে স্বামীর জবাব: এতদিনে তাই হয়ে যাওয়ার কথা। গত ২০ বছর ধরে আমার রক্ত চুষে খাচ্ছে এই…

ব্যথা ভুলে চিৎকার করে স্ত্রী: এক হতেই পারে না। গত দুই দশকে আমাকে জ্বালাতে জ্বালাতে আমার কোষের ডিএনএ পর্যন্ত বদলায়া দিছে ও, রক্ত তো পরের কথা, স্যার…

(৬)
ক্রেডিট কার্ড চুরি যাবার পরও মন্টুর বাপ পুলিশে বা ব্যাঙ্কে রিপোর্ট করেনি। কারণ, তার ধারণাই সত্যি হয়েছে- প্রতি মাসে চোর বেটা যা খরচ করছে তা তার স্ত্রী যা খরচ করতো তারচেয়ে অনেক কম।

(৭)
শহরে চাকরি করা মেয়ের সঙ্গে গ্রামে বসবাসরত মায়র কথা হচ্ছে সেলফোনে। ৬২ মিনিট কথা বলার পর মেয়ে বললো: আচ্ছা মা, এখন রাখি। ফ্রি হয়ে কথা বলবো খন।

মা ফোন রাখতে রাখতে আফসোসে স্বগতোক্তি করেন: মেয়ে আমার কতো ব্যস্ত! বেচারা শান্তিতে মায়ের সঙ্গে ২ মিনিট কথাও কইতে পারে না! হায় কী দুনিয়া…

(৮)
সব প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষই ‘বৌ’ নিয়ে চোখের পানি ফেলছে। কেউ ঘরে এনে কাঁদছে, কেউ আনার জন্য কাঁদছে!

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.