টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
৪০ টাকার কমে নেই সবজি, লাগামছাড়া পেঁয়াজ-মুরগি ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে ১৮ রোহিঙ্গা আটক রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ হয়নি: মোমেন টেকনাফ স্থলবন্দরে আসার পথে মিয়ানমারের মালবাহী জাহাজ ডুবিতে কয়েক কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি ব্যাটারিচালিত রিকশা বাদ দিয়ে ‘ইলেকট্রিক মোটরযান’ নীতিমালা টেকনাফ হাসপাতালের পিয়ন ২০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার : সকল শিক্ষার্থীকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভ্যাক্সিনের জন্য নিবন্ধনের নির্দেশ চট্টগ্রামে প্রতি ঘণ্টায় ভাঙছে তিনটি সংসার বাহারছরার কচ্ছপিয়া থেকে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার আইস ও ইয়াবাসহ গোদারবিলের মোঃ উল্লাহ গ্রেপ্তার, পলাতক আসামী আবদুল্লাহ

কারাগারে ডিভিশন পেল ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::
মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত টেকনাফ বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীকে জেলহাজতে ডিভিশন দেয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে এই ডিভিশন দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার কেন্দ্র্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

সোমবার বিকালে কারাগারের একাধিক সূত্র ঢাকা টাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ আদালতের নির্দেশে ডিভিশন সুবিধা ভোগ করছেন। বর্তমানে প্রদীপ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

কক্সবাজার কারাগার সূত্রে জানা যায়, আদালত থেকে লিয়াকতের ডিভিশন সুবিধার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী তাকে ডিভিশন সুবিধা দেয়া হয়েছে। কারা নিয়ম অনুযায়ী তিনি সেখানে সব সুবিধা পাচ্ছেন।

এদিকে প্রদীপের দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় একটি নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। তাতে বলা হয়, প্রদীপ কুমার দাশ আত্মীয়স্বজন ও তার আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন না। তবে আত্মীয়স্বজন ও আইনজীবীদের সঙ্গে কারাবিধি অনুযায়ী টেলিফোনে কথা বলতে পারবেন।

গত ৮ আগস্ট কক্সবাজারের সাবেক পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন ওসি প্রদীপ ও ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে ডিভিশন দিতে প্রত্যয়নপত্র দেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন দুটি বাতিল করে দেয়। সেই প্রত্যয়নপত্রে ওসি প্রদীপকে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে ডিভিশন দেয়ার আবেদনপত্র দেন পুলিশ সুপার।

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় ৩১ জুলাই রাতে এপিবিএনের চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খান। এরপর দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে ঘটনাটি। নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে পুলিশের নয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। সেই মামলা টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার সাহা, বাহারছড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত আলীসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

এরপর সাত অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত মোট আসামির সংখ্যা ১৪ জন। যাদের সবাই কারাগারে আছেন। এরই মধ্যে অনেকে নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT