করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, তবে কোরবানিতে বাড়তে পারে’

প্রকাশ: ৩০ জুলাই, ২০২০ ১০:৫০ : অপরাহ্ণ

বর্তমানে দেশে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমেছে। তবে ঈদুল আজহা এবং বন্যাকে ঘিরে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) সংক্রমণের হার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ মন্ত্রণালয় অধীনস্থ বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে সম্পাদিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিপত্র (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকার দ্রুত কিছু উদ্যোগ নিতে সক্ষম হয়েছে। প্রথম দিকে কেবল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু ছিল। এখন জেলা শহরেও সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু করাসহ প্রায় ৭০টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমাদের টেলিমেডিসিন ব্যবস্থার মাধ্যমে শত শত চিকিৎসক অনলাইনে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কিছু কার্যকর চিকিৎসা সেবা কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে দেশে ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার কমতে শুরু করেছে।’

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের কোভিড হাসপাতালে এখন ৬০ ভাগ শয্যা খালি পড়ে আছে। কোভিড ডেডিকেটেড অর্ধেক আইসিইউ বেডে কোনও রোগী নেই। শুরুতে পরিস্থিতি বুঝতে কিছুটা সময় লাগলেও এখন দেশের চিকিৎসা খাত কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সঠিক অবস্থানেই রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কোভিড পরীক্ষার সংখ্যা কমে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা করতে মানুষের অনীহা, বন্যার দুর্যোগ এবং যত্রতত্র লক্ষণবিহীন পরীক্ষা না করতেই কিছুটা কমে থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, লক্ষণ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাসা থেকে অনেকেই টেলিমেডিসিন সেবা নিয়ে সুস্থ হচ্ছেন বলে পরীক্ষার হার কমে গেছে। বর্তমানে কম লোকজন টেস্ট করাতে আসছেন। অনেক এলাকায় বন্যার কারণে লোক ল্যাবে যেতে পারছেন না। সে কারণেও টেস্ট করানো সম্ভব হচ্ছে না। টেস্ট কিটের কোনও সংকট নেই বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সামনে ৩০ হাজার নার্স নিয়োগ করা হবে বলেও সভায় তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূরের সভাপতিত্বে সভায় পাঁচটি দফতরের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়।


সর্বশেষ সংবাদ