টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ভাতার চেক হস্তান্তর যেসব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন ১১ এপ্রিল (তালিকাসহ) ডিবি পুলিশের ৭ সদস্যের মামলার সাক্ষি শুরু হয়নি চার বছরেও টেকনাফে ২ কেজি মাদক আইসের চালানসহ আব্দুল্লাহ নামে একজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর টেকনাফের দেলোয়ার রামুতে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত : ৪ লক্ষ ইয়াবা ও পিস্তল উদ্ধার টেকনাফে ১৬ ক্ষুদে হাফেজ পেলেন ‘ইয়েস কার্ড’ প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি শুরু আগামী সপ্তাহে আগামী ১১ এপ্রিল ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদে ও ১১টি পৌরসভায় ষষ্ঠধাপে ভোটগ্রহণ বিএনপি না এলে উন্মুক্ত প্রার্থিতার চিন্তা আ.লীগে শাহপরীরদ্বীপে ২ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

করোনার প্রভাবে দেশে দারিদ্র্য বেড়ে দ্বিগুণ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১
  • ১৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ। ২০১৮ সালে যা ছিল ২৪.৫ শতাংশ। সে হিসাবে দুই বছরের ব্যবধানে দারিদ্র্যের হার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

দেশব্যাপী খানা পর্যায়ের জরিপের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)। নিজেদের অর্থায়নে সংস্থাটি এই জরিপ পরিচালনা করেছে।

শনিবার ভার্চুয়াল আলোচনায় সানেমের এ জরিপ তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.৩০ শতাংশ। ২০১৮ সালে জিইডি সানেমের গবেষণা অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার ২১.৬০ শতাংশ ছিল। কিন্তু সানেমের ২০২০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের গবেষণায় দারিদ্রের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ।

বিবিএসের খানা জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশের গ্রামাঞ্চলের সার্বিক দারিদ্র্যের হার ছিল ২৬.৪ শতাংশ। ২০১৮ সালের জিইডি-সানেম জরিপে যা ২৪.৫ শতাংশে নেমেছিল। কিন্তু করোনার প্রভাবে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়ে গেছে। শহরাঞ্চলে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ২০১৬ সালে ছিল ১৮.৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল ১৬. ৩ শতাংশ। আর করোনার সময়ে ২০২০ সালে এই হার বেড়ে ৩৫.৪ শতাংশ হয়েছে।

সানেমের জরিপে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে রেমিটেন্স বা প্রবাসীয় আয়ের ব্যাপক প্রবৃদ্ধি হলেও ব্যক্তি পর্যায়ে তা বরং কমে গেছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, অনানুষ্ঠানিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসী আয় এসেছে। এতে বিনিময় হার কমে গেছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, করোনার প্রভাবে দরিদ্রতা নেমে আসায় মানুষ খাদ্যবহির্ভূত ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি অনেকে সঞ্চয় ভেঙে জীবন নির্বাহ করেছেন, কেউ ঋণ নিয়েছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনেছেন।

সানেমের জরিপে আংশ নেওয়াদের মধ্যে ৭.৫২ শতাংশ পরিবার বলেছে, করোনার প্রভাবের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর কোনো পথই পায়নি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT