টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

কক্সবাজার টেকনাফ-মহা সড়ক ,উপকূলীয় বেড়ীবাঁধ ও বিভিন্ন গ্রামীন রাস্তা বিধ্বস্থ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৭ জুন, ২০১২
  • ২৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফে পাহাড় ধ্বস ও ভয়াবহ বন্যায় ৭ হাজার বাড়ীঘর ক্ষতিগ্রস্থ ঃ ২ শতাধিক মৎস্য ঘের বিলীন
রমজান উদ্দিন পটল,টেকনাফ……..টানা ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধ্বসে টেকনাফে প্রায় ৭ হাজার পরিবার এবং ২ শতাধিক মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় টেকনাফ সড়কের বিভিন্ন অংশসহ অর্ধ শতাধিক গ্রামীন সড়ক। প্লাবিত হয় বিভিন্ন গ্রামীন মার্কেট।

অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি ও গত কয়েকদিন ধরে ভারি বর্ষণে টেকনাফের নিু  এলাকাসমুহ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। ২৬ জুন সকাল থেকে অবিরত ২৩০ মি,মিটারে বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্বক অবনতি হয়। সন্ধ্যার পর থেকে অস্বাভাবিক ভাবে পানি বেড়ে গিয়ে উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। বন্যার পানিতে প্রধান সড়ক,বিভিন্ন গ্রামীন রাস্তা-ঘাট, বাজার,ব্যবসা প্রতিষ্টান,শিক্ষাঙ্গন হয় চাষাবাদের জমি প্লাবিত হয়।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়-হোয়াইক্যং, নীলা, টেকনাফ সদর,বাহারছরা ,ও সাবরাং ইউনিয়নের বন্যায় অসংখ্য বাড়ীঘর কতিগ্রস্থ হয়েছে। বিধ্বস্থ হয় রাস্তাঘাট ও কালভাট। সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর কক্সবাজার টেকনাফ সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। ফালংখালী ,হোয়াইক্য, লম্বাবিল, উনচিপ্রাং, কানজর পাড়া, নয়াপাড়া, ঝিমংখালী, নয়াবাজার, খারাংখালী. মৌলভী বাজার, নীলা, রঙ্গীখালী, লেদা, দমদমিয়া, নাজির পাড়া চৌধুরী পাড়া, সাবরাং, নয়াপাড়া, শাহপরীরদ্বীপ এলাকার ২ শতাধিক চিংড়ী ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় শত কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। হোয়াইক্যংয়ের রইক্যং এলাকায়  পাহাড় ধ্বসে পড়ে ১০টি বসতবাড়ী বিধ্বস্থ হয় এবং ঢলের পানিতে তলিয়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় শতাধিক বাড়ী। লম্বাবিল, দৈংগাকাট, কাটাখালী, কানজর পাড়া , কম্বনিয়া, লেদাসহ বিভিন্ন গ্রামে পাহাড় ধ্বসে বিধ্বস্থ হয় ২০টির মত বসতবাড়ী। এছাড়া উপরোক্ত এলাকা সমুহে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে প্রায় ৪ হাজার পরিবারের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম নাজিম উদ্দিন বলেন হোয়াইক্যংয়ে রইক্যং এলাকাসহ বিভিন্ন গ্রামে বাড়ী ঘর ভাঙ্গছে বলে শুনেছি। উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ১টি প্যের সভায় ২০-২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়। তবে ক্ষকিগ্রস্থ পরিবারের সঠিক তালিকা এখনো পাইনি।

টেকনাফ পৌরসভার মেয়র হাজী ইসলাম মিয়া বলেন- দেড় হাজার পরিবারে জোয়ারের পানি ডুকে প্লাবিত হয়। তবে পাহাড় ধ্বসে বড় ধরনের কোন দর্ঘটনা ঘটেনি। কলেজ পাড়া, জালিয়াপাড়া, চৌধুরী পাড়া এলাকা জলাবদ্ধতা সুষ্টি হয়।

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাড়ির ইনসার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান- এলাকায় পাহাড় ধ্বসে কিছু বাড়ীঘর ভেঙ্গে যায় এবং এবং ১২ শতাধিক পরিবার ও এলাকার সকল মৎস্যঘের  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান জানান- শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া, ঘোলারপাড়া, দক্ষিনপাড়া, ডেইলপাড়া, নয়াপাড়া এলাকায় প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিতে ডুবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া বেড়ি বাঁধের বিভিন্ অংশ বিলীন হয়ে যায়।

নীলা ইউপি চেয়ারম্যান মীর কাশেম জানান- ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ৫ শতাধিক বাড়ী ঘর ঢলের পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং এলাকার উপকুলীয় বেঁড়ি বাঁধ ভেঙ্গে বিলীন হয়েছে।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আলম জানান- এলাকায় বন্যার পানিতে বিপুল সংখ্যক বাড়ী ঘর প্লাবিত হয়েছে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয় অসংখ্য পরিবার । তবে গতকাল ২৭ জুন ১০ টার পর থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় এলাকার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হতে শুরু করে। #########

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT