টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে ব্যাংকে লেনদেন এখন সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ল মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ

কক্সবাজার জেলা আ.লীগের কাউন্সিলার তালিকা নিয়ে ধূরজাল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ইমাম খাইর, কক্সবাজার। কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিলার তালিকা নিয়ে ধূ¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে খোদ দলীয় নেতা কর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন। পক্ষে বিপক্ষে শুরু হয়েছে ব্যাপক হট্রগোল-মাতামাতি। বিতর্কিত এ কাউন্সিলর তালিকা নিয়ে সর্বশেষ কি ঘটতে যাচ্ছে তাও বলা মুশকিল বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতা কর্মীরা।

সুত্র মতে, গত ২০ সেপ্টেম্বর জেলা আ.লীগের বর্ধিত সভায় ২৯৮ জন জেলা কাউন্সিলর তালিকা ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত এ তালিকা থেকে প্রথমে বাদ দেয়া হয় কক্সবাজার সদর-রামু আসনের নবম জাতীয় সংসদ নির্বচনের মহাজোটের মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইমুম সরওয়ার কমলকে। এ সংবাদে দলীয় নেতা কর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দেয়। সর্বশেষ বিষয়টি হাই কমান্ড পর্যন্ত গড়ায়। উচ্চমহলের নির্দেশে অবশেষে কাউন্সিলর তালিকাভূক্ত করতে হয়েছে তাকে।

একইভাবে কক্সবাজার পৌর আ.লীগের কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও ব্যাপক অভিযোগ তুলেছেন দলীয় নেতা কর্মীরা। তালিকায় দলের দীর্ঘ দিনের ত্যাগী, পরীতি ও দায়িত্বরত সিনিয়র অনেক নেতাদের নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ নিয়ে দলের তৃণমূল থেকে সংবাদ মাধ্যমে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান এর নিকট জবাবও চাওয়া হয়।

সুত্র জানায়, প্রতি ১০ হাজারে ১ জন কাউন্সিলর করার গঠনতন্ত্রে বিধান রয়েছে। কিন্তু তা লঙ্ঘন করে কক্সবাজার পৌরসভা, চকরিয়া পৌরসভা, মহেশখালী, পেকুয়া, চকরিয়া ও রামুতে নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে অতিরিক্ত কাউন্সিলর যোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে দলীয় হাই কমান্ড পর্যায়ে বিব্রত বোধ করছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার সদর ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন কয়েকবার ধার্য় তারিখ ঠিক করার পরেও একই কারণে কাউন্সিল হয়নি। সর্বশেষ জেলা অ.লীগের কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও একই হাওয়ার আভাস পাচ্ছেন বলে দলীয় নেতা কর্মীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

কক্সবাজার পৌরসভায় ১ ল ৭০ হাজার জনসংখ্যার অনুপাতে ১৭ জন কাউন্সিরার হওয়ার কথা। এ তালিকায় ১৭ জনের স্থলে ২৮ জন অন্তর্র্ভূক্ত করা হয়েছে। তবে এ তালিকায় মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামাল হোসেন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নুরুল মাসুদ মানিক, জেলা আওয়ামীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাও: আতিকুর রহমান, এড. ফখরুল ইসলাম গুন্দু, পৌর আওয়ামীগের সিনিয়র নেতা কেরামত আলী, মোজাফফর আহমদ সওদাগর, বাবু রাজ বিহারী দাশ, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবর রহমান, চম্পা উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন কবির, সাইফুদ্দিন খালেদ, শহীদুল্লাহ মেম্বার, জেলা যুবলীগের সভাপতি জনপ্রিয় যুবনেতা খোরশেদ আলম ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী জিন্নাত এর নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এড. ফখরুল ইসলাম গুন্দু জানান, মাঠের অনেক পরীক্ষিত নেতাকে পৌরসভার কাউন্সিলর তালিকা থেকে অতি সুকৌশলে বাদ দেয়া হয়েছে। এতে জেলা সভাপতি পদপ্রার্থী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমানের ভোটের পাল্লা ভারী করার জন্য তিনি এ কাজ করেছেন।

অতিরিক্ত কাউন্সিলার করার অভিযোগের বিষয়ে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান জানান, কক্সবাজার পৌরসভায় আনুমানিক ২ লাখ ২০ হাজার জনগণ থাকবে। সে অনুপাতে কাউন্সিলার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের তালিকাভূক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের সকলে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত। সে হিসাবে তাদেরকে কাউন্সিলর তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।’ এ তালিকা থেকে পুরাতন কোন কাউন্সিলরকে বাদ দেয়া হয়নি বলেও তিনি জানান।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, কয়েকটি এলাকায় সংশ্লিষ্ট সভাপতি সম্পাদকের অনবগতিতে কাউন্সিলর তালিকায় নতুন নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে অন্যান্য কাউন্সিলরদের মাঝে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। বিতর্কিত এ তালিকায় কাউন্সিল আদৌ সম্ভব নয়।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. একে আহমদ হোসেন জানান, আগামী কয়েক দিনে দলীয় সভানেত্রীর সাক্ষাতে এটি চুড়ান্ত হবে। নেত্রী করলে এ সংখ্যা ঠিক রাখবেন। অন্যথাই বাদ দেবেন। তবে কক্সবাজার পৌরসভায় ১৭ জনে স্থলে ২৮ জন অন্তর্র্ভূক্ত করাকে অতিরিক্ত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT