টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি

এক টুকরো মাংস ছাড়াই কক্সবাজারে হাজারো জনগোষ্ঠীর ঈদ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১০৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার ::::এক টুকরো মাংস ছাড়াই এবার ঈদ কেটেছে কক্সবাজার জেলার দরিদ্র পল্লীর হাজারো মানুষের। প্রতিবছরের মতো এনজিও সংস্থা কোরবানির মাংস ও গরু বিতরণ করতে পারিনি বলে শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দারা ছিল একই অবস্থায়। শুধু তাই নয়, জেলার ৮ উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশ ছিলেন মাংস বিহীন ঈদুল আযহার আওতায়। কেউ খেতে পারুক আর নাই পারুক কেটে যাওয়া ঈদুল আযহায় টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের অবস্থা ছিল পোঁয়াবারো। বাজারের বাছা বাছা পশু ক্রয়ের পর মহড়া দিয়ে জবাই করে কাটিয়েছেন তারা ঈদুল আযহা। নিম্ন-মধ্যবিত্তরা স্বাধ আর স্বাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে পারস্পরিক ভাগবাটোয়ারায় কাটিয়েছেন ঈদুল আযহা। ধনীর দুলালিদের ছিল বরাবরের মতোই উৎসব ভরা ঈদুল আযহা। তারা নিজেদের নিকট আত্মীয় ও পাড়া পড়সিদের নিয়ে বেশ রং-ঢংয়ে কাটিয়েছেন বছর ঘুরে ফিরে আসা ঈদুল আযহা। মূলতঃ ঈদুল আযহার সাথে জড়িত হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও ঈসমাল (আ.) এর মহান ত্যাগের নিদর্শন জড়িত থাকলেও আমাদের গরীব দেশের বাসিন্দারা বিনা ত্যাগেই নিজেরা নিজেদের কোরবানি পালন করেছেন অনেকেই। আল্লাহ’র পথে চলতে গিয়ে প্রয়োজনে যেকোন ত্যাগ স্বীকারে আমাদের অকুন্ঠ চিত্তে প্রস্তুত থাকার মৌণ সম্মতিতে পালন করা ঈদুল আযহায় জেলার ধণ্যাঢ্যরা ছিলেন বরাবরের মতোই।

 

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ভীড় ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে (১৯-১০-২০১৩ইং) রাজনৈতিক সংঘাত ও অর্থনৈতিক মন্দাভাবের কারনে মৌসুমে খুব বেশি পর্যটক না আসলেও এ বছর পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে তুলনামূলক ভাবে পর্যটক অনেক বেশি এসেছেন। ঈদের রজনীর পরের ভোরের সাথে পাল্লা দিয়ে দেশি-বিদেশী লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে কক্সবাজার শহরসহ জেলার সবকটি পর্যটন স্পট। ফলে ঈদের পরের কয়েক দিন কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল গুলোতে তিলধরণের ঠাঁই ছিলনা। তাই পর্যটক আগমণের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এতদিন বসে থাকা হোটেল-মোটেল, রেস্তোরা মালিকরা বেশ জমকালো গলাকাটা বাণিজ্য চালিয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, পর্যটক আগমণের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কক্সবাজারের রিক্সা, টমটম, ট্যুরিজম ব্যবসায়ী ও হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজের এক শ্রেণীর অসাধুরা দু’দিনের ৬ মাসের উপার্জন সেরে নিয়েছে। কেউ কেউ এক হাজার টাকার রুম ভাড়ার বিপরীতে পর্যটকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। শুধু তাই নয়, কক্সবাজারের মৌসুমী হোটেল-রেস্তোরা ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের কাছ থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪/৫ গুণ বেশি টাকা গুণতে গিয়ে কোথাও কোথাও পর্যটকদের সাথে কথা কাটাকাটি এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ঈদের পরের দিন কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকরা গলাকাটা ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পড়েছেন সবচেয়ে বেশি।

 

মহেশখালীতে পুলিশের পোষাক পড়ে ৮ বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার থেকে (১৯-১০-২০১৩ইং) সন্ত্রাসের জনপদ খ্যাত মহেশখালীর কালারমারছড়া এলাকায় এবার পুলিশের পোশাক পড়ে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। ডাকাত আক্রান্তরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশের পোশাক পড়ে যে গাড়িতে চড়ে ডাকাতরা আসছিল, ডাকাতির আগের দিনও সে গাড়িটি (যাহার নাম্বার ৬৭৬) ব্যবহার করছিলেন স্থানীয় কালারমারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শাওনেয়াজ (এস.আই)। তাই ডাকাত কবলিতদের সন্দেহ নিশ্চয়ই পুরো ঘটনার পেছনে স্থানীয় পুলিশ জড়িত ছিল। ঈদের পরের দিন গত ১৭ অক্টোবর রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় হোয়ানক টাইমবাজার খুরসা পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের পোশাক পড়া ৮/১০ জন সশস্ত্র ডাকাতদল এসময় স্থানীয় এলাকার ৮টি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত করে। এ সময় ডাকাতদল ওই সমস্ত বাড়ি ঘরের মালিকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যাপক মারধর করে ক্ষান্ত হননি, তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ যে বাড়িতে মূল্যবান যা কিছু পেয়েছে, তা নিয়ে সটকে পড়ে। ডাকাতের কবলে পড়ে সর্বশান্ত ও আহতদের মধ্যে রয়েছেন- স্থানীয় নুর আহমদ, জালাল আহমদ, নজির আহমদ, জকরিয়া, কালা মিয়া, রশিদ আহমদ, গুনু মিয়ার পরিবার। জানা গেছে, তৎমধ্যে নুর আহমদের স্ত্রী ডাকাতদের প্রহারে সবচেয়ে বেশি আহত হওয়ায় তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের পোশাক পড়ে সশস্ত্র ডাকাতদলের কয়েকজন সদস্যকে চেনা গেছে। তারা হচ্ছে- স্থানীয় কালাবজা, কালা জাহাঙ্গীর, রবি আলম, আবু জাহের, জয়নাল, লেইট্টা, দলিল, চেরেঙ্গা, বাদল, ছোটন, মোহাম্মদ আলী, সেলিম, তুইন্না ও আবু বক্কর। এদিকে, ডাকাতির খবর পেয়ে তাৎক্ষণি ভাবে মহেশখালী থানা পুলিশের এ.এস.আই সেলিমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনও পর্যন্ত আটক কিংবা লুটকৃত মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT