হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয়প্রচ্ছদ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে সাড়ে ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **
আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন। দেশের ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়াউল হকসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিতি ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি পরীক্ষায় মোট অংশ নিচ্ছে ১১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৭জন। এরমধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৫ জন। এবার এইচএসসি ও সমান পরীক্ষা ১ এপ্রিল শুরু হয়েছে চলবে ৬ মে পর্যন্ত। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতিবারের মতো এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে আবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে আসন নিশ্চিত তরতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনও পরীক্ষার্থী পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নম্বর ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করবেন। কোনও কারণে পরীক্ষা দেরিতে শুরু হলে নির্ধারিত সময় ঠিক রেখে দেরিতেই শেষ হবে পরীক্ষা।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ ফিচারফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি মোতাবেক খুলতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা একাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নজরদারি জোরদার করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.