হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

উখিয়ায় ২১ ঘন্টা বিদ্যুৎ : টেকনাফে ১৩ ঘন্টা লোডশেডিং কেন?

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী :: টেকনাফ সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রীড লাইনে সংযোজন হবার পরও কেন টেকনাফে লোডশেডিং মাত্রা অব্যাহত থাকবে, এ নিয়ে সচেতন বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, টেকনাফে প্রায় ৩০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ বিশেষ এলাকা বিদ্যুৎ সুবিধা এবং পরিপূর্ণ গ্রাহক সেবা পেলে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকেরা সেই ন্যুনতম সুবিধা পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ গ্রাহকের উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে, ভৌতিক বিল। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, প্রায় ৭০% শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহক লোড শেডিং এর যাত্রাকলে এবং ভৌতিক বিলের আক্রান্তের শিকার। বাহারছড়া, হোয়াইক্যং ও সাবরাং শাহপরীরদ্বীপ ইউনিয়নের উপকূলীয় ও পাহাড়ী এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের গ্রাহকেরা বৈশম্যের শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় পত্রিকান্তরে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে, পার্শ্ববর্তী উপজেলা উখিয়া যদি ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়ে থাকে, তাহলে টেকনাফ কেন? এ সুবিধা পাবেনা ? সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা এবং লোডশেডিং মাত্রা থেকে অবসান পাবে মর্মে অতীতে ঘো ষানা দিয়েছিল। তারই আলোকে উখিয়া টেকনাফে ৩৩/১১ কেভির বিদ্যুৎ উন্নয়ন কাজ হাতে নেয় এবং এতে কয়েক মাস সময়ে অসময়ে টেকনাফে বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ ছিল। ৩৩/১১ কেভির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলেও বিদ্যুৎ সরবারহ তেমন উন্নয়ন এবং সুবিধা থেকে বঞ্চিত গ্রাহকেরা। টেকনাফ পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা যায়, গোটা টেকনাফে বিদ্যুতের চাহিদা ১৪ মেগাওয়াট। তার স্থলে আছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট। উখিয়া টেকনাফ সীমান্ত জনপদ রোহিঙ্গা অধ্যাশিত চোরাচালানসহ নানা অপরাধ প্রবণ এলাকা। এখানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা পেতে টেকনাফের হ্নীলা লেদাস্থ নাফ নদীর তীরে বেসরকারী ভাবে বিশাল সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়। এখান থেকে উৎপাদিত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীড লাইনে সংযোজনের পর থেকে এ দুই সীমান্ত উপজেলায় লোড শেডিং থাকবেনা এবং প্রত্যেক গ্রাহক সমানভাবে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে মর্মে অতীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘোষনা দিয়েছিল। এটি এখন কথা মালার ন্যায় পরিনত হয়ে বাস্তবে এর সুফল পাচ্ছেনা গ্রহকেরা। এখন রমজান মাস এবং তীব্র তাপদাহ চলছে। প্রত্যান্ত অঞ্চলের গ্রহকেরা তারাবীর নামাজ পড়তে হিমছিম খাচ্ছে। ৩৩/১১ কেভির সংস্কার এবং হ্নীলায় সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিতের নামে এতো আয়োজন করার পরও কেন? টেকনাফে গ্রাহকদের চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবারহ অক্ষম এবং অবিরত লোড শেডিং সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রাহকদের ধার্য্যকৃত চাহিদা বিদ্যুৎ টমটম গাড়ী ও অটোরিক্সা পেটেই চলে যাচ্ছে। যার কারণে বিদ্যুৎ সমস্যা লাগাতর রয়েছে। উল্লেখ্য টেকনাফে আইন শৃংখলা বাহিনী মাদক ব্যবসায়ীদের ধরপাকড় ও বন্দোকযুদ্ধ চলমান থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা বাঁচতে টমটম গাড়ী ও অটোরিক্সা ব্যবসা হাতে নেয়ায় এর সংখ্যা ক্রমশঃ বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে টেকনাফ ডিজিএম আবুল নোমিক বলেন, টেকনাফে বিদ্যুৎতের লো-বোল্ড কমাতে হলে একটা গ্রিড (পিডিসি) স্থাপন করতে হবে। নচেৎ এ সমস্যা থেকেই যাবে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.